স্টাফ রিপোর্টারঃ
নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধের জেরে চলতি আমন মৌসুমে প্রায় তিন একর ফসলি জমিতে ধানের চারা রোপণ করা হয়নি। হাওরজুড়ে আমন ধানের সবুজ সমারোহের মধ্যে জমিটি অনাবাদি পড়ে থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা তৈরি হয়েছে। সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার গড়াডোবা ইউনিয়নের বাঁশাটি মাইজপাড়া গ্রামের সামনের হাওরে চারদিকে আমন ধানের ক্ষেত। কোথাও ধানের শীষ বের হয়েছে, আবার কোথাও ধান পাকতে শুরু করেছে। এরই মধ্যে মাঝখানে প্রায় তিন একর জমি পড়ে রয়েছে অনাবাদি অবস্থায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মৃত ইছহাক মিয়ার ছেলে হাবিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা দীর্ঘদিন ধরে জমিটি ভোগদখল করে আসছেন। জমির কিছু অংশ গ্রামের কয়েকজনের কাছে বন্ধক দেওয়া হয়েছিল। তাঁরাও ওই জমিতে চাষাবাদ করতেন বলে জানা গেছে। তবে একই গ্রামের মৃত সামছুদ্দিনের ছেলে আব্দুস সোবহান, কবির মিয়া ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে জমিটির মালিকানা নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হয়েছে। তাঁদের পক্ষ থেকে আদালতে মামলা করার পর জমিতে চাষাবাদ করতে নিষেধ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন হাবিবুর রহমান। হাবিবুর রহমানের দাবি, জমি-সংক্রান্ত মামলায় তাঁরা আদালতের ডিক্রি পেয়েছেন। অন্যদিকে, উভয় পক্ষই জমির বৈধ কাগজপত্র নিজেদের কাছে রয়েছে বলে দাবি করছে। এ বিরোধের কারণে চলতি আমন মৌসুমে জমিটিতে ধানের চারা রোপণ করা সম্ভব হয়নি। স্থানীয় কয়েকজন
বাসিন্দা জানান, দীর্ঘদিন ধরে তাঁরা হাবিবুর রহমান ও তাঁর ভাইদের ওই জমিতে চাষাবাদ করতে দেখে আসছেন। তবে চলতি মৌসুমে জমিটি অনাবাদি পড়ে থাকতে দেখে তাঁরা মালিকানা নিয়ে বিরোধের বিষয়টি জানতে পারেন। আব্দুস সোবহান, কবির মিয়া ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের পক্ষেও জমির কাগজপত্র থাকার কথা শুনেছেন বলে জানান তাঁরা। বিষয়টি নিয়ে আদালতে মামলা চলমান রয়েছে বলেও স্থানীয়দের ভাষ্য। জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধের কারণে প্রায় তিন একর ফসলি জমিতে আমন আবাদ না হওয়ায় জমিটি অনাবাদি পড়ে রয়েছে। তবে বিরোধের প্রকৃত অবস্থা, মামলার বর্তমান পর্যায় এবং জমির মালিকানা সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট আদালতের নথি যাচাই করা প্রয়োজন।
নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধের জেরে চলতি আমন মৌসুমে প্রায় তিন একর ফসলি জমিতে ধানের চারা রোপণ করা হয়নি। হাওরজুড়ে আমন ধানের সবুজ সমারোহের মধ্যে জমিটি অনাবাদি পড়ে থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা তৈরি হয়েছে। সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার গড়াডোবা ইউনিয়নের বাঁশাটি মাইজপাড়া গ্রামের সামনের হাওরে চারদিকে আমন ধানের ক্ষেত। কোথাও ধানের শীষ বের হয়েছে, আবার কোথাও ধান পাকতে শুরু করেছে। এরই মধ্যে মাঝখানে প্রায় তিন একর জমি পড়ে রয়েছে অনাবাদি অবস্থায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মৃত ইছহাক মিয়ার ছেলে হাবিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা দীর্ঘদিন ধরে জমিটি ভোগদখল করে আসছেন। জমির কিছু অংশ গ্রামের কয়েকজনের কাছে বন্ধক দেওয়া হয়েছিল। তাঁরাও ওই জমিতে চাষাবাদ করতেন বলে জানা গেছে। তবে একই গ্রামের মৃত সামছুদ্দিনের ছেলে আব্দুস সোবহান, কবির মিয়া ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে জমিটির মালিকানা নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হয়েছে। তাঁদের পক্ষ থেকে আদালতে মামলা করার পর জমিতে চাষাবাদ করতে নিষেধ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন হাবিবুর রহমান। হাবিবুর রহমানের দাবি, জমি-সংক্রান্ত মামলায় তাঁরা আদালতের ডিক্রি পেয়েছেন। অন্যদিকে, উভয় পক্ষই জমির বৈধ কাগজপত্র নিজেদের কাছে রয়েছে বলে দাবি করছে। এ বিরোধের কারণে চলতি আমন মৌসুমে জমিটিতে ধানের চারা রোপণ করা সম্ভব হয়নি। স্থানীয় কয়েকজন
বাসিন্দা জানান, দীর্ঘদিন ধরে তাঁরা হাবিবুর রহমান ও তাঁর ভাইদের ওই জমিতে চাষাবাদ করতে দেখে আসছেন। তবে চলতি মৌসুমে জমিটি অনাবাদি পড়ে থাকতে দেখে তাঁরা মালিকানা নিয়ে বিরোধের বিষয়টি জানতে পারেন। আব্দুস সোবহান, কবির মিয়া ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের পক্ষেও জমির কাগজপত্র থাকার কথা শুনেছেন বলে জানান তাঁরা। বিষয়টি নিয়ে আদালতে মামলা চলমান রয়েছে বলেও স্থানীয়দের ভাষ্য। জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধের কারণে প্রায় তিন একর ফসলি জমিতে আমন আবাদ না হওয়ায় জমিটি অনাবাদি পড়ে রয়েছে। তবে বিরোধের প্রকৃত অবস্থা, মামলার বর্তমান পর্যায় এবং জমির মালিকানা সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট আদালতের নথি যাচাই করা প্রয়োজন।