নিজস্ব প্রতিবেদক
দীর্ঘ ২১ বছর পর মিলবেন প্রাক্তনরা, অনলাইন রেজিস্ট্রেশন শুরু ‘শেকড়ের টানে, ফিরে আসি প্রিয় প্রাঙ্গণে’-এই স্লোগান সামনে রেখে আগামী ২৫ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ইউরিয়া সার কারখানা স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের দিনব্যাপী পুনর্মিলনী-২০২৬। ২১ বছর পর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই মিলনমেলাকে ঘিরে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস ও উদ্দীপনা বিরাজ করছে। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বিকেল ৪টায় ইউরিয়া সার কারখানা কলেজ প্রাঙ্গণে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মাধ্যমে অনলাইন রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। প্রচার উপকমিটির সদস্য সচিব কাজী ফরিদ আহমদ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়। পুনর্মিলনী আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক এবং স্কুলের ১৯৭৭ ব্যাচের প্রাক্তন শিক্ষার্থী বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আবু ছাইদ নিজে অনলাইনে
রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করে কার্যক্রমের সূচনা করেন। এরপর উপস্থিত আয়োজক কমিটির সদস্য ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা একে একে নিজেদের রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করেন। উদ্বোধনী এই অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ব্যাচের শতাধিক প্রাক্তন শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন। আয়োজক কমিটি সূত্রে জানা গেছে, বিশ্বের যেকোনো প্রান্ত থেকে শিক্ষার্থীরা খুব সহজেই এই পুনর্মিলনীতে অংশ নিতে অনলাইনে নিবন্ধন করতে পারবেন। www.reunion.uskcalumni.org এই নির্ধারিত ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে আজ ৯ অক্টোবর থেকে শুরু করে আগামী ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া চালু থাকবে। প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের জন্য রেজিস্ট্রেশন ফি নির্ধারিত হয়েছে ১,৫০০ টাকা। এছাড়া সঙ্গে আসা পরিবারের সদস্য ও ড্রাইভারদের জন্য ১,২০০ টাকা করে ফি নির্ধারণ করা হলেও ৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য কোনো ফির প্রয়োজন হবে না। এবারের পুনর্মিলনীর মূল আকর্ষণের অন্যতম দিক হলো প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষকদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন। আয়োজক কমিটির সদস্য সচিব এবং এপিএসসিএল-এর উপ-মহাব্যবস্থাপক ১৯৯২ ব্যাচের প্রাক্তন শিক্ষার্থী মোহাম্মদ এনামুল হক জানান, পিতা-মাতার পর একজন শিক্ষার্থীর জীবন গড়ার পেছনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখেন শিক্ষকরা। তাই অনুষ্ঠানে সর্বোচ্চ সংখ্যক শিক্ষককে উপস্থিত রাখা এবং তাদের যথাযথ সম্মান জানাতে বিশেষ নানামুখী প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। উদ্বোধনী বক্তব্যে স্মৃতিচারণ করে
আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক আবু ছাইদ বলেন, জীবনের দীর্ঘ পথচলায় অনেক অর্জন ও নতুন সম্পর্ক তৈরি হলেও শৈশবের ক্লাসরুম, মাঠ, করিডোর, শিক্ষকদের শাসন কিংবা ছুটির ঘণ্টার স্মৃতির কোনো বিকল্প হয় না। এই উৎসব শুধু একটি সাধারণ পুনর্মিলনী নয়, এটি শৈশব, বন্ধুত্ব ও প্রিয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতি গভীর ভালোবাসার এক অপূর্ব মিলনমেলা, যা এক প্রজন্মের সঙ্গে আরেক প্রজন্মের মেলবন্ধন তৈরি করবে।
আগামী ২৫ ডিসেম্বর ইউরিয়া সার কারখানা স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রাঙ্গণে দেশ-বিদেশের বিপুলসংখ্যক প্রাক্তন শিক্ষার্থীর স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে এক মুখরিত পরিবেশ তৈরি হবে বলেই প্রত্যাশা তার।
দীর্ঘ ২১ বছর পর মিলবেন প্রাক্তনরা, অনলাইন রেজিস্ট্রেশন শুরু ‘শেকড়ের টানে, ফিরে আসি প্রিয় প্রাঙ্গণে’-এই স্লোগান সামনে রেখে আগামী ২৫ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ইউরিয়া সার কারখানা স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের দিনব্যাপী পুনর্মিলনী-২০২৬। ২১ বছর পর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই মিলনমেলাকে ঘিরে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস ও উদ্দীপনা বিরাজ করছে। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বিকেল ৪টায় ইউরিয়া সার কারখানা কলেজ প্রাঙ্গণে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মাধ্যমে অনলাইন রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। প্রচার উপকমিটির সদস্য সচিব কাজী ফরিদ আহমদ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়। পুনর্মিলনী আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক এবং স্কুলের ১৯৭৭ ব্যাচের প্রাক্তন শিক্ষার্থী বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আবু ছাইদ নিজে অনলাইনে
রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করে কার্যক্রমের সূচনা করেন। এরপর উপস্থিত আয়োজক কমিটির সদস্য ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা একে একে নিজেদের রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করেন। উদ্বোধনী এই অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ব্যাচের শতাধিক প্রাক্তন শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন। আয়োজক কমিটি সূত্রে জানা গেছে, বিশ্বের যেকোনো প্রান্ত থেকে শিক্ষার্থীরা খুব সহজেই এই পুনর্মিলনীতে অংশ নিতে অনলাইনে নিবন্ধন করতে পারবেন। www.reunion.uskcalumni.org এই নির্ধারিত ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে আজ ৯ অক্টোবর থেকে শুরু করে আগামী ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া চালু থাকবে। প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের জন্য রেজিস্ট্রেশন ফি নির্ধারিত হয়েছে ১,৫০০ টাকা। এছাড়া সঙ্গে আসা পরিবারের সদস্য ও ড্রাইভারদের জন্য ১,২০০ টাকা করে ফি নির্ধারণ করা হলেও ৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য কোনো ফির প্রয়োজন হবে না। এবারের পুনর্মিলনীর মূল আকর্ষণের অন্যতম দিক হলো প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষকদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন। আয়োজক কমিটির সদস্য সচিব এবং এপিএসসিএল-এর উপ-মহাব্যবস্থাপক ১৯৯২ ব্যাচের প্রাক্তন শিক্ষার্থী মোহাম্মদ এনামুল হক জানান, পিতা-মাতার পর একজন শিক্ষার্থীর জীবন গড়ার পেছনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখেন শিক্ষকরা। তাই অনুষ্ঠানে সর্বোচ্চ সংখ্যক শিক্ষককে উপস্থিত রাখা এবং তাদের যথাযথ সম্মান জানাতে বিশেষ নানামুখী প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। উদ্বোধনী বক্তব্যে স্মৃতিচারণ করে
আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক আবু ছাইদ বলেন, জীবনের দীর্ঘ পথচলায় অনেক অর্জন ও নতুন সম্পর্ক তৈরি হলেও শৈশবের ক্লাসরুম, মাঠ, করিডোর, শিক্ষকদের শাসন কিংবা ছুটির ঘণ্টার স্মৃতির কোনো বিকল্প হয় না। এই উৎসব শুধু একটি সাধারণ পুনর্মিলনী নয়, এটি শৈশব, বন্ধুত্ব ও প্রিয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতি গভীর ভালোবাসার এক অপূর্ব মিলনমেলা, যা এক প্রজন্মের সঙ্গে আরেক প্রজন্মের মেলবন্ধন তৈরি করবে।
আগামী ২৫ ডিসেম্বর ইউরিয়া সার কারখানা স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রাঙ্গণে দেশ-বিদেশের বিপুলসংখ্যক প্রাক্তন শিক্ষার্থীর স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে এক মুখরিত পরিবেশ তৈরি হবে বলেই প্রত্যাশা তার।