ডি কে মিন্টু, মির্জাগঞ্জ (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি:
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা ঘিরে ব্যাপক প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। এবার উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নে মোট ১৯টি পূজামণ্ডপে শারদীয় দুর্গোৎসব অনুষ্ঠিত হবে। জানা গেছে, মাধবখালী ইউনিয়নে ১টি, মির্জাগঞ্জ ইউনিয়নে ২টি, আমড়াগাছিয়া ইউনিয়নে ১টি, দেউলী সুবিদখালী ইউনিয়নে ৪টি, কাকড়াবুনিয়া ইউনিয়নে ৭টি এবং মজিদবাড়িয়া ইউনিয়নে ৪টি পূজামণ্ডপ রয়েছে। আগামী ১৬ অক্টোবর শুক্রবার মহাষষ্ঠীতে দেবী দুর্গার বোধনের মধ্য দিয়ে শারদীয় দুর্গোৎসব শুরু হবে। ২১ অক্টোবর বুধবার বিজয়া দশমীর মধ্য দিয়ে উৎসবের সমাপ্তি ঘটবে। পূজা উদযাপনকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে মণ্ডপগুলোতে প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
পূজা কমিটির সভাপতি ও সম্পাদকেরা মণ্ডপের নিরাপত্তা, আলোকসজ্জা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এবং ভক্তদের যাতায়াতের বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে দেখছেন। এ বিষয়ে মির্জাগঞ্জ উপজেলা পূজা উদযাপন ফ্রন্টের আহ্বায়ক বাবুল কর্মকার কালু বলেন, ‘শারদীয় দুর্গোৎসব সুষ্ঠু, সুন্দর ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার জন্য আমরা প্রস্তুতি নিচ্ছি। প্রতিটি পূজামণ্ডপে যেন উৎসবমুখর পরিবেশ বজায় থাকে এবং সবাই নির্বিঘ্নে পূজা উদযাপন করতে পারেন, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সমন্বয় করা হচ্ছে। প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি স্থানীয়দের সহযোগিতাও প্রত্যাশা করছি।’ আসন্ন দুর্গোৎসব শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন করতে স্থানীয় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, পূজা উদযাপন কমিটি এবং স্থানীয়দের সমন্বিত সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এ বিষয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মো. রাসেল বলেন, শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদ্যাপনের লক্ষ্যে উপজেলা প্রশাসন সচেষ্ট রয়েছে। পূজামণ্ডপগুলোতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
’ ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রেখে সবাই যেন নির্বিঘ্নে পূজা উদ্যাপন করতে পারেন, সে বিষয়ে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা ঘিরে ব্যাপক প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। এবার উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নে মোট ১৯টি পূজামণ্ডপে শারদীয় দুর্গোৎসব অনুষ্ঠিত হবে। জানা গেছে, মাধবখালী ইউনিয়নে ১টি, মির্জাগঞ্জ ইউনিয়নে ২টি, আমড়াগাছিয়া ইউনিয়নে ১টি, দেউলী সুবিদখালী ইউনিয়নে ৪টি, কাকড়াবুনিয়া ইউনিয়নে ৭টি এবং মজিদবাড়িয়া ইউনিয়নে ৪টি পূজামণ্ডপ রয়েছে। আগামী ১৬ অক্টোবর শুক্রবার মহাষষ্ঠীতে দেবী দুর্গার বোধনের মধ্য দিয়ে শারদীয় দুর্গোৎসব শুরু হবে। ২১ অক্টোবর বুধবার বিজয়া দশমীর মধ্য দিয়ে উৎসবের সমাপ্তি ঘটবে। পূজা উদযাপনকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে মণ্ডপগুলোতে প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
পূজা কমিটির সভাপতি ও সম্পাদকেরা মণ্ডপের নিরাপত্তা, আলোকসজ্জা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এবং ভক্তদের যাতায়াতের বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে দেখছেন। এ বিষয়ে মির্জাগঞ্জ উপজেলা পূজা উদযাপন ফ্রন্টের আহ্বায়ক বাবুল কর্মকার কালু বলেন, ‘শারদীয় দুর্গোৎসব সুষ্ঠু, সুন্দর ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার জন্য আমরা প্রস্তুতি নিচ্ছি। প্রতিটি পূজামণ্ডপে যেন উৎসবমুখর পরিবেশ বজায় থাকে এবং সবাই নির্বিঘ্নে পূজা উদযাপন করতে পারেন, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সমন্বয় করা হচ্ছে। প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি স্থানীয়দের সহযোগিতাও প্রত্যাশা করছি।’ আসন্ন দুর্গোৎসব শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন করতে স্থানীয় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, পূজা উদযাপন কমিটি এবং স্থানীয়দের সমন্বিত সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এ বিষয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মো. রাসেল বলেন, শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদ্যাপনের লক্ষ্যে উপজেলা প্রশাসন সচেষ্ট রয়েছে। পূজামণ্ডপগুলোতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
’ ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রেখে সবাই যেন নির্বিঘ্নে পূজা উদ্যাপন করতে পারেন, সে বিষয়ে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।