নিজস্ব প্রতিবেদক
দুর্নীতি, অনিয়ম ও দলীয়করণের প্রতিবাদে দলমত নির্বিশেষে ন্যায় ও ইনসাফের প্রতীক দাঁড়িপাল্লায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন বলেন, ন্যায় ও ইনসাফের প্রতীক হচ্ছে দাঁড়িপাল্লা।
তিনি বলেন, ঠাকুরগাঁও-১ আসনের জনগণ অন্যায়, অনাচার, দুর্নীতি, অনিয়ম ও দলীয়করণের প্রতিবাদে দলমত নির্বিশেষে এবার ন্যায় ও ইনসাফের প্রতীক দাঁড়িপাল্লা মার্কায় ভোট দিয়ে একটি বৈষম্যহীন মানবিক সমাজ গড়ে তুলবে। তিনি নির্বাচিত হলে দুর্নীতি, অনিয়ম ও দলীয়করণ করবেন না এবং হতে দেবেন না উল্লেখ করে দেলাওয়ার হোসেন বলেন, আমাদের সর্বজন শ্রদ্ধেয় মহামান্য রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নিজেই আমার সততা, নৈতিকতা সম্পর্কে ঠাকুরগাঁও বাসীকে ইতোপূর্বে বার্তা দিয়েছেন। আমি অন্যায়, অনিয়ম করি না, করবো না এবং কাউকে করতে দেবো না। শুক্রবার (০৯ অক্টোবর) দুপুরে ঠাকুরগাঁওয়ের সালন্দর ইউনিয়নের মণ্ডলপাড়ায় অনুষ্ঠিত নির্বাচনী উঠান বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় তিনি আরও বলেন, ঠাকুরগাঁও-১ আসনের জনগণের খেদমত করার সুযোগ পেলে একটি নিরাপদ, বাসযোগ্য, মানবিক ও বৈষম্যহীন সমাজ হিসেবে ঠাকুরগাঁও-কে গড়ে তুলবেন।
তিনি বলেন, আগামীতে ঠাকুরগাঁওয়ে সকল ধর্মবর্ণের মানুষ মিলেমিশে শান্তিতে বসবাস করবে। কোনো বৈষম্য, কোনো বিভাজন, কোনো হিংসা বা প্রতিহিংসা থাকবে না, থাকতে পারবে না। ঠাকুরগাঁওয়ে মেডিকেল কলেজে, ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, ইপিজেড গড়ে তোলা, ঠাকুরগাঁও বিমানবন্দর পুনরায় চালু করাসহ বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কাজ বাস্তবায়নে তিনি নিজের স্বপ্নের কথাও তুলে ধরে সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে তিনি স্থানীয়দের দোয়া ও সমর্থন এবং সহযোগিতা কামনা করেছেন। তিনি বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের জনগণ, আমাকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দিয়ে যেই অভূতপূর্ব ভালোবাসা প্রকাশ করেছে সেই ভালোবাসাই আমার সম্বল। জনগণের ভালোবাসা নিয়ে আগামীতেও তিনি জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় রাজপথের পাশাপাশি সংসদেও ভূমিকার রাখতে চান উল্লেখ করে তিনি বলেন, ন্যায় ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠা ব্যতিত সমাজের পরিবর্তন হবে না, শান্তি আসবে না। তিনি বলেন, সমাজে ন্যায় ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠা হলে কোনো বৈষম্য থাকবে না, দলীয়করণ থাকবে না। দলীয়করণ ও বৈষম্যের পুরোনো সংস্কৃতি থেকে রাষ্ট্রকে বের করে আনতে হলে যারা নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখে তাদেরকে সংসদে পাঠাতে হবে। সংসদে তাদের সংখ্যা বৃদ্ধি পেলে জনগণের আশা- আকাঙক্ষার প্রতিফলন ঘটবে। দেলাওয়ার হোসেন বলেন, জামায়াতে ইসলামী প্রতিহিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাসী নই। আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠায় বিশ্বাসী। তিনি নির্বাচিত হলে সমাজ থেকে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ ও মাদক নির্মূল করে ঠাকুরগাঁও-কে শান্তির নীড় হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করবেন জানিয়ে বলেন, বেকারত্ব সমাজে অপরাধ সৃষ্টি করে। তাই
বেকারত্ব নিরসনে ঠাকুরগাঁও জেলাকে ব্যবসা-বাণিজ্যের হাব হিসেবে গড়ে তোলা হবে। এবং যুবসমাজের জন্য কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সড়ক ও ব্রীজ নির্মাণ এবং সংস্কারের মাধ্যমে যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত ও আধুনিকায়ন করা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করা এবং কৃষকের দুর্ভোগ লাঘবে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা তার পরিকল্পনা রয়েছে। একটি আধুনিক, মানবিক ও বৈষম্যহীন সমাজ গড়তে আগামী ২৯ অক্টোবর দাঁড়িপাল্লা মার্কায় ভোট দিতে তিনি ঠাকুরগাঁও-১ আসনের জনগণের প্রতি আহ্বান জানান। ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের তরবিয়াত সেক্রেটারি মাওলানা সোলোমান হোসেনের সভাপতিত্বে এবং সালন্দর ইউনিয়ন আমীর মাওলানা নুরুজ্জামানের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন জেলা সেক্রেটারি মোহাম্মদ আলমগীর। এসময় জেলা শ্রমিক কল্যাণ বিভাগের দপ্তর সম্পাদক আব্দুল হালিমসহ ১১ দলীয় ঐক্যের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এর আগে গতকাল রাতে ঠাকুরগাঁও পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ড সরকারপাড়া এলাকায় নির্বাচনী উঠান বৈঠকে দেলাওয়ার হোসেন বলেন, যারা নিজেরা মাদকের সঙ্গে সম্পৃক্ত তাদের দ্বারা মাদকমুক্ত সমাজ গঠন সম্ভব নয়। যুব সমাজকে যারা অস্ত্র ও মাদকের ভয়াল থাবার দিকে ঠেলে দিয়ে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে তাদেরকে ব্যালটের মাধ্যমে প্রতিহত করতে হবে। সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ, দখলবাজ, মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে তিনি স্থানীয়দের দাঁড়িপাল্লা মার্কায় ভোট
দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, দাঁড়িপাল্লা বিজয়ী হলে দেলাওয়ার হোসেন এমপি হবে না, এমপি হবে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের প্রতিটি জনগণ; যারা অন্যায়, অনিয়ম, দুর্নীতির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবে। দলীয়করণ বন্ধ হবে এবং সকল নাগরিক রাষ্ট্রীয় কার্যে অংশগ্রহণের সমান সুযোগ পাবে।
দুর্নীতি, অনিয়ম ও দলীয়করণের প্রতিবাদে দলমত নির্বিশেষে ন্যায় ও ইনসাফের প্রতীক দাঁড়িপাল্লায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন বলেন, ন্যায় ও ইনসাফের প্রতীক হচ্ছে দাঁড়িপাল্লা।
তিনি বলেন, ঠাকুরগাঁও-১ আসনের জনগণ অন্যায়, অনাচার, দুর্নীতি, অনিয়ম ও দলীয়করণের প্রতিবাদে দলমত নির্বিশেষে এবার ন্যায় ও ইনসাফের প্রতীক দাঁড়িপাল্লা মার্কায় ভোট দিয়ে একটি বৈষম্যহীন মানবিক সমাজ গড়ে তুলবে। তিনি নির্বাচিত হলে দুর্নীতি, অনিয়ম ও দলীয়করণ করবেন না এবং হতে দেবেন না উল্লেখ করে দেলাওয়ার হোসেন বলেন, আমাদের সর্বজন শ্রদ্ধেয় মহামান্য রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নিজেই আমার সততা, নৈতিকতা সম্পর্কে ঠাকুরগাঁও বাসীকে ইতোপূর্বে বার্তা দিয়েছেন। আমি অন্যায়, অনিয়ম করি না, করবো না এবং কাউকে করতে দেবো না। শুক্রবার (০৯ অক্টোবর) দুপুরে ঠাকুরগাঁওয়ের সালন্দর ইউনিয়নের মণ্ডলপাড়ায় অনুষ্ঠিত নির্বাচনী উঠান বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় তিনি আরও বলেন, ঠাকুরগাঁও-১ আসনের জনগণের খেদমত করার সুযোগ পেলে একটি নিরাপদ, বাসযোগ্য, মানবিক ও বৈষম্যহীন সমাজ হিসেবে ঠাকুরগাঁও-কে গড়ে তুলবেন।
তিনি বলেন, আগামীতে ঠাকুরগাঁওয়ে সকল ধর্মবর্ণের মানুষ মিলেমিশে শান্তিতে বসবাস করবে। কোনো বৈষম্য, কোনো বিভাজন, কোনো হিংসা বা প্রতিহিংসা থাকবে না, থাকতে পারবে না। ঠাকুরগাঁওয়ে মেডিকেল কলেজে, ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, ইপিজেড গড়ে তোলা, ঠাকুরগাঁও বিমানবন্দর পুনরায় চালু করাসহ বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কাজ বাস্তবায়নে তিনি নিজের স্বপ্নের কথাও তুলে ধরে সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে তিনি স্থানীয়দের দোয়া ও সমর্থন এবং সহযোগিতা কামনা করেছেন। তিনি বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের জনগণ, আমাকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দিয়ে যেই অভূতপূর্ব ভালোবাসা প্রকাশ করেছে সেই ভালোবাসাই আমার সম্বল। জনগণের ভালোবাসা নিয়ে আগামীতেও তিনি জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় রাজপথের পাশাপাশি সংসদেও ভূমিকার রাখতে চান উল্লেখ করে তিনি বলেন, ন্যায় ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠা ব্যতিত সমাজের পরিবর্তন হবে না, শান্তি আসবে না। তিনি বলেন, সমাজে ন্যায় ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠা হলে কোনো বৈষম্য থাকবে না, দলীয়করণ থাকবে না। দলীয়করণ ও বৈষম্যের পুরোনো সংস্কৃতি থেকে রাষ্ট্রকে বের করে আনতে হলে যারা নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখে তাদেরকে সংসদে পাঠাতে হবে। সংসদে তাদের সংখ্যা বৃদ্ধি পেলে জনগণের আশা- আকাঙক্ষার প্রতিফলন ঘটবে। দেলাওয়ার হোসেন বলেন, জামায়াতে ইসলামী প্রতিহিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাসী নই। আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠায় বিশ্বাসী। তিনি নির্বাচিত হলে সমাজ থেকে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ ও মাদক নির্মূল করে ঠাকুরগাঁও-কে শান্তির নীড় হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করবেন জানিয়ে বলেন, বেকারত্ব সমাজে অপরাধ সৃষ্টি করে। তাই
বেকারত্ব নিরসনে ঠাকুরগাঁও জেলাকে ব্যবসা-বাণিজ্যের হাব হিসেবে গড়ে তোলা হবে। এবং যুবসমাজের জন্য কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সড়ক ও ব্রীজ নির্মাণ এবং সংস্কারের মাধ্যমে যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত ও আধুনিকায়ন করা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করা এবং কৃষকের দুর্ভোগ লাঘবে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা তার পরিকল্পনা রয়েছে। একটি আধুনিক, মানবিক ও বৈষম্যহীন সমাজ গড়তে আগামী ২৯ অক্টোবর দাঁড়িপাল্লা মার্কায় ভোট দিতে তিনি ঠাকুরগাঁও-১ আসনের জনগণের প্রতি আহ্বান জানান। ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের তরবিয়াত সেক্রেটারি মাওলানা সোলোমান হোসেনের সভাপতিত্বে এবং সালন্দর ইউনিয়ন আমীর মাওলানা নুরুজ্জামানের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন জেলা সেক্রেটারি মোহাম্মদ আলমগীর। এসময় জেলা শ্রমিক কল্যাণ বিভাগের দপ্তর সম্পাদক আব্দুল হালিমসহ ১১ দলীয় ঐক্যের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এর আগে গতকাল রাতে ঠাকুরগাঁও পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ড সরকারপাড়া এলাকায় নির্বাচনী উঠান বৈঠকে দেলাওয়ার হোসেন বলেন, যারা নিজেরা মাদকের সঙ্গে সম্পৃক্ত তাদের দ্বারা মাদকমুক্ত সমাজ গঠন সম্ভব নয়। যুব সমাজকে যারা অস্ত্র ও মাদকের ভয়াল থাবার দিকে ঠেলে দিয়ে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে তাদেরকে ব্যালটের মাধ্যমে প্রতিহত করতে হবে। সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ, দখলবাজ, মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে তিনি স্থানীয়দের দাঁড়িপাল্লা মার্কায় ভোট
দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, দাঁড়িপাল্লা বিজয়ী হলে দেলাওয়ার হোসেন এমপি হবে না, এমপি হবে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের প্রতিটি জনগণ; যারা অন্যায়, অনিয়ম, দুর্নীতির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবে। দলীয়করণ বন্ধ হবে এবং সকল নাগরিক রাষ্ট্রীয় কার্যে অংশগ্রহণের সমান সুযোগ পাবে।