নিজস্ব প্রতিবেদক
অতিরিক্ত কমিশন, নানা ধরনের চার্জ ও ব্যবসায়িক নীতিমালার বিরোধে অনলাইন ফুড ডেলিভারি প্ল্যাটফর্ম ফুডপান্ডার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে গেছেন চট্টগ্রামের রেস্তোরাঁ মালিকেরা। তাদের অভিযোগ, ফুডপান্ডার কমিশন ও বিভিন্ন খাতে অর্থ কেটে নেওয়ার কারণে ব্যবসায়িক ব্যয় অস্বাভাবিক হারে বাড়ছে, ফলে প্রকৃত লাভ তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। এই পরিস্থিতির প্রতিবাদে ফুডপান্ডার সেবা বন্ধ রাখার কর্মসূচি আরও কঠোরভাবে বাস্তবায়নের ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতি, চট্টগ্রাম মহানগর।
সমিতির জরুরি ঘোষণায় বলা হয়েছে, রেস্তোরাঁ ব্যবসায়ীদের ন্যায্য দাবি আদায়ের লক্ষ্যে ৬ অক্টোবর থেকে ফুডপান্ডার কার্যক্রম বন্ধ রাখার সম্মিলিত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট রেস্তোরাঁগুলোকে ফুডপান্ডার ট্যাব বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর আগে, গত ২ অক্টোবর সমিতি জানিয়েছিল, ফুডপান্ডার অতিরিক্ত কমিশন ও বিভিন্ন চার্জের প্রতিবাদে ৫ অক্টোবর থেকে চট্টগ্রাম শহরের ছোট-বড় রেস্তোরাঁয় প্ল্যাটফর্মটির সেবা বন্ধ রাখা হবে। সংগঠনটির দাবি, পরিচালন ব্যয় বৃদ্ধি ও কমিশন-চার্জের চাপের প্রভাব শেষ পর্যন্ত খাবারের দামেও পড়ছে। স্বচ্ছ হিসাব ও ন্যায্যতার দাবি রেস্তোরাঁ মালিকদের অভিযোগ, ফুডপান্ডার মাধ্যমে একটি অর্ডার নেওয়ার পর কমিশন, সার্ভিস বা অন্যান্য চার্জ কেটে নেওয়া হয়। এর সঙ্গে বিভিন্ন অফার ও ডিসকাউন্টে অংশ নেওয়ার বিষয় থাকায় একটি খাবার বিক্রির পর প্রকৃতপক্ষে রেস্তোরাঁর হাতে কত টাকা থাকে, তা নিয়ে ব্যবসায়ীদের মধ্যে অসন্তোষ রয়েছে। মালিকদের একটি অংশের দাবি, প্ল্যাটফর্মে অর্ডার ও দৃশ্যমানতা বাড়াতে বিভিন্ন প্রচারণা, অফার ও ডিসকাউন্টে অংশ নেওয়ার প্রয়োজন হয়। এতে ক্রেতার কাছে খাবারের মূল্য আকর্ষণীয় হলেও কমিশন, ডিসকাউন্ট ও অন্যান্য কর্তন বাদ দেওয়ার পর রেস্তোরাঁর আয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়। তাদের আরও অভিযোগ, রেস্তোরাঁর নিজস্ব বিক্রয়মূল্য, ফুডপান্ডায় প্রদর্শিত মূল্য, কমিশন এবং অন্যান্য চার্জের হিসাব অনেক সময় জটিল হয়ে দাঁড়ায়। কোন খাতে কত টাকা কাটা হচ্ছে, এ বিষয়ে আরও স্বচ্ছ হিসাব চান তারা। এ ছাড়া অর্ডার বাতিল, পণ্য বা খাবার নষ্ট হওয়া, রিফান্ড এবং সংশ্লিষ্ট ক্ষতির দায় কার– এসব বিষয়েও রেস্তোরাঁ মালিকদের মধ্যে অসন্তোষ রয়েছে বলে জানা গেছে। ১৫ অক্টোবরের মধ্যে সিদ্ধান্তের অপেক্ষা রেস্তোরাঁ মালিক সমিতি জানিয়েছে, কমিশন ও বিভিন্ন চার্জ নিয়ে তাদের দাবিগুলো লিখিতভাবে ফুডপান্ডা কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে। সংগঠনটির দাবি, বিষয়গুলো নিয়ে ঊর্ধ্বতন পর্যায়ে আলোচনা করে আগামী ১৫ অক্টোবরের মধ্যে সিদ্ধান্ত জানানোর কথা জানিয়েছে ফুডপান্ডা। তবে সমিতির অভিযোগ, কর্মসূচি ঘোষণার পরও চট্টগ্রামের কিছু রেস্তোরাঁ ফুডপান্ডার ট্যাব চালু রেখে অর্ডার নিচ্ছে। এতে সম্মিলিত কর্মসূচি দুর্বল হচ্ছে দাবি করে এসব প্রতিষ্ঠানকে ট্যাব বন্ধ রাখার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি। সমিতি বলছে, সিদ্ধান্ত অমান্য করে কেউ সম্মিলিত কর্মসূচিকে দুর্বল করার চেষ্টা করলে সংগঠনের বিধি ও সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শীর্ষ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মামলা এদিকে ফুডপান্ডা বাংলাদেশের কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কয়েক কোটি টাকার পণ্য নিয়ে অর্থ পরিশোধ না করা, পণ্য নষ্টের অজুহাতে ভুয়া ফেরত চালান তৈরি এবং চুক্তির বাইরে বিভিন্ন খাতে অর্থ কেটে নেওয়ার অভিযোগে মামলা হয়েছে বলে জানা গেছে।
মামলায় জালিয়াতি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। গত ২৩ সেপ্টেম্বর ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম মামলার পাঁচ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন বলে বাদীপক্ষের আইনজীবী জানিয়েছেন। তদন্ত শেষে আদালতে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়। প্রতিবেদনে আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়। পরে আদালত প্রতিবেদন গ্রহণ করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। মামলার আসামিরা হলেন– ফুডপান্ডা বাংলাদেশের সহপ্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দা আম্বারিন রেজা, সহপ্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক জুবায়ের সিদ্দিকী, পান্ডামার্টের পরিচালক মো. তাবরেজ খান, শ্রেণি ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রধান দিলারা ফারুক এবং জ্যেষ্ঠ ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সাজেদুল হক। সমাধান না হলে কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির নেতারা বলছেন, তাদের কর্মসূচি কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বিরোধ তৈরির উদ্দেশ্যে নয়। কমিশন, চার্জ ও ব্যবসায়িক নীতিমালা নিয়ে একটি ন্যায্য ও স্বচ্ছ পরিবেশ নিশ্চিত করাই তাদের মূল লক্ষ্য। তাদের ভাষ্য, ফুড ডেলিভারি প্ল্যাটফর্ম বর্তমানে রেস্তোরাঁ ব্যবসার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাই প্ল্যাটফর্ম, রেস্তোরাঁ
ও ভোক্তা– তিন পক্ষের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়ে কমিশন ও অন্যান্য চার্জের কাঠামো পুনর্বিবেচনা করা প্রয়োজন। রেস্তোরাঁ মালিকদের দাবি, ফুডপান্ডার সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত সমস্যার সমাধান না হলে চট্টগ্রামে তাদের কর্মসূচি আরও কঠোর হতে পারে।
অতিরিক্ত কমিশন, নানা ধরনের চার্জ ও ব্যবসায়িক নীতিমালার বিরোধে অনলাইন ফুড ডেলিভারি প্ল্যাটফর্ম ফুডপান্ডার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে গেছেন চট্টগ্রামের রেস্তোরাঁ মালিকেরা। তাদের অভিযোগ, ফুডপান্ডার কমিশন ও বিভিন্ন খাতে অর্থ কেটে নেওয়ার কারণে ব্যবসায়িক ব্যয় অস্বাভাবিক হারে বাড়ছে, ফলে প্রকৃত লাভ তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। এই পরিস্থিতির প্রতিবাদে ফুডপান্ডার সেবা বন্ধ রাখার কর্মসূচি আরও কঠোরভাবে বাস্তবায়নের ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতি, চট্টগ্রাম মহানগর।
সমিতির জরুরি ঘোষণায় বলা হয়েছে, রেস্তোরাঁ ব্যবসায়ীদের ন্যায্য দাবি আদায়ের লক্ষ্যে ৬ অক্টোবর থেকে ফুডপান্ডার কার্যক্রম বন্ধ রাখার সম্মিলিত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট রেস্তোরাঁগুলোকে ফুডপান্ডার ট্যাব বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর আগে, গত ২ অক্টোবর সমিতি জানিয়েছিল, ফুডপান্ডার অতিরিক্ত কমিশন ও বিভিন্ন চার্জের প্রতিবাদে ৫ অক্টোবর থেকে চট্টগ্রাম শহরের ছোট-বড় রেস্তোরাঁয় প্ল্যাটফর্মটির সেবা বন্ধ রাখা হবে। সংগঠনটির দাবি, পরিচালন ব্যয় বৃদ্ধি ও কমিশন-চার্জের চাপের প্রভাব শেষ পর্যন্ত খাবারের দামেও পড়ছে। স্বচ্ছ হিসাব ও ন্যায্যতার দাবি রেস্তোরাঁ মালিকদের অভিযোগ, ফুডপান্ডার মাধ্যমে একটি অর্ডার নেওয়ার পর কমিশন, সার্ভিস বা অন্যান্য চার্জ কেটে নেওয়া হয়। এর সঙ্গে বিভিন্ন অফার ও ডিসকাউন্টে অংশ নেওয়ার বিষয় থাকায় একটি খাবার বিক্রির পর প্রকৃতপক্ষে রেস্তোরাঁর হাতে কত টাকা থাকে, তা নিয়ে ব্যবসায়ীদের মধ্যে অসন্তোষ রয়েছে। মালিকদের একটি অংশের দাবি, প্ল্যাটফর্মে অর্ডার ও দৃশ্যমানতা বাড়াতে বিভিন্ন প্রচারণা, অফার ও ডিসকাউন্টে অংশ নেওয়ার প্রয়োজন হয়। এতে ক্রেতার কাছে খাবারের মূল্য আকর্ষণীয় হলেও কমিশন, ডিসকাউন্ট ও অন্যান্য কর্তন বাদ দেওয়ার পর রেস্তোরাঁর আয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়। তাদের আরও অভিযোগ, রেস্তোরাঁর নিজস্ব বিক্রয়মূল্য, ফুডপান্ডায় প্রদর্শিত মূল্য, কমিশন এবং অন্যান্য চার্জের হিসাব অনেক সময় জটিল হয়ে দাঁড়ায়। কোন খাতে কত টাকা কাটা হচ্ছে, এ বিষয়ে আরও স্বচ্ছ হিসাব চান তারা। এ ছাড়া অর্ডার বাতিল, পণ্য বা খাবার নষ্ট হওয়া, রিফান্ড এবং সংশ্লিষ্ট ক্ষতির দায় কার– এসব বিষয়েও রেস্তোরাঁ মালিকদের মধ্যে অসন্তোষ রয়েছে বলে জানা গেছে। ১৫ অক্টোবরের মধ্যে সিদ্ধান্তের অপেক্ষা রেস্তোরাঁ মালিক সমিতি জানিয়েছে, কমিশন ও বিভিন্ন চার্জ নিয়ে তাদের দাবিগুলো লিখিতভাবে ফুডপান্ডা কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে। সংগঠনটির দাবি, বিষয়গুলো নিয়ে ঊর্ধ্বতন পর্যায়ে আলোচনা করে আগামী ১৫ অক্টোবরের মধ্যে সিদ্ধান্ত জানানোর কথা জানিয়েছে ফুডপান্ডা। তবে সমিতির অভিযোগ, কর্মসূচি ঘোষণার পরও চট্টগ্রামের কিছু রেস্তোরাঁ ফুডপান্ডার ট্যাব চালু রেখে অর্ডার নিচ্ছে। এতে সম্মিলিত কর্মসূচি দুর্বল হচ্ছে দাবি করে এসব প্রতিষ্ঠানকে ট্যাব বন্ধ রাখার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি। সমিতি বলছে, সিদ্ধান্ত অমান্য করে কেউ সম্মিলিত কর্মসূচিকে দুর্বল করার চেষ্টা করলে সংগঠনের বিধি ও সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শীর্ষ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মামলা এদিকে ফুডপান্ডা বাংলাদেশের কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কয়েক কোটি টাকার পণ্য নিয়ে অর্থ পরিশোধ না করা, পণ্য নষ্টের অজুহাতে ভুয়া ফেরত চালান তৈরি এবং চুক্তির বাইরে বিভিন্ন খাতে অর্থ কেটে নেওয়ার অভিযোগে মামলা হয়েছে বলে জানা গেছে।
মামলায় জালিয়াতি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। গত ২৩ সেপ্টেম্বর ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম মামলার পাঁচ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন বলে বাদীপক্ষের আইনজীবী জানিয়েছেন। তদন্ত শেষে আদালতে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়। প্রতিবেদনে আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়। পরে আদালত প্রতিবেদন গ্রহণ করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। মামলার আসামিরা হলেন– ফুডপান্ডা বাংলাদেশের সহপ্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দা আম্বারিন রেজা, সহপ্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক জুবায়ের সিদ্দিকী, পান্ডামার্টের পরিচালক মো. তাবরেজ খান, শ্রেণি ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রধান দিলারা ফারুক এবং জ্যেষ্ঠ ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সাজেদুল হক। সমাধান না হলে কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির নেতারা বলছেন, তাদের কর্মসূচি কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বিরোধ তৈরির উদ্দেশ্যে নয়। কমিশন, চার্জ ও ব্যবসায়িক নীতিমালা নিয়ে একটি ন্যায্য ও স্বচ্ছ পরিবেশ নিশ্চিত করাই তাদের মূল লক্ষ্য। তাদের ভাষ্য, ফুড ডেলিভারি প্ল্যাটফর্ম বর্তমানে রেস্তোরাঁ ব্যবসার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাই প্ল্যাটফর্ম, রেস্তোরাঁ
ও ভোক্তা– তিন পক্ষের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়ে কমিশন ও অন্যান্য চার্জের কাঠামো পুনর্বিবেচনা করা প্রয়োজন। রেস্তোরাঁ মালিকদের দাবি, ফুডপান্ডার সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত সমস্যার সমাধান না হলে চট্টগ্রামে তাদের কর্মসূচি আরও কঠোর হতে পারে।