নিজস্ব প্রতিবেদক
কুমিল্লা-নোয়াখালী আঞ্চলিক মহাসড়কের লাকসাম বাইপাস এলাকায় বৃহস্পতিবার গভীর রাতে একটি এক্সকাভেটরবাহী লরি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে কুমিল্লা-চাঁদপুর রেলগেট-সংলগ্ন ‘মেজ্জান’ নামের একটি হোটেলে ঢুকে পড়ে। এতে রেলপথে অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে উদ্ধারকারী দল এসে নিজস্ব প্রতিবেদক প্রায় তিন ঘণ্টা চেষ্টার পর উদ্ধারকাজ সম্পন্ন করলে সকাল সাড়ে ৬টায় স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে আসে।
স্থানীয় ও রেলওয়ে সূত্রে জানা যায়, অবৈধভাবে গড়ে ওঠা ‘মেজ্জান’ নামের হোটেলটিতে রাত আনুমানিক ৩টা ২০ মিনিটে এক্সকাভেটরবাহী লরিটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ঢুকে পড়ে। এ সময় বিকট শব্দে আশপাশের মানুষের ঘুম ভেঙে যায়। প্রত্যক্ষদর্শীদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন তখন ছুটে এসে লাকসাম রেলওয়ে জংশন স্টেশনসহ থানায় খবর পাঠালে স্থানীয় রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ ও পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে উদ্ধারকাজ চালায়। প্রায় তিন ঘণ্টা চেষ্টার পর উদ্ধারকাজ শেষ হলে সকাল সাড়ে ৬টায় রেলপথ স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে।
পরে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা হোটেলটি সম্পূর্ণ ভেঙে ফেলা হয়। রাতে হোটেলটি বন্ধ থাকায় ভেতরে কোনো কর্মচারী ছিল না। তাই এতে কোনো হতাহতের ঘটনাও ঘটেনি। লাকসাম রেলওয়ে জংশন স্টেশনের মাস্টার ওমর ফারুক ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন।
কুমিল্লা-নোয়াখালী আঞ্চলিক মহাসড়কের লাকসাম বাইপাস এলাকায় বৃহস্পতিবার গভীর রাতে একটি এক্সকাভেটরবাহী লরি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে কুমিল্লা-চাঁদপুর রেলগেট-সংলগ্ন ‘মেজ্জান’ নামের একটি হোটেলে ঢুকে পড়ে। এতে রেলপথে অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে উদ্ধারকারী দল এসে নিজস্ব প্রতিবেদক প্রায় তিন ঘণ্টা চেষ্টার পর উদ্ধারকাজ সম্পন্ন করলে সকাল সাড়ে ৬টায় স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে আসে।
স্থানীয় ও রেলওয়ে সূত্রে জানা যায়, অবৈধভাবে গড়ে ওঠা ‘মেজ্জান’ নামের হোটেলটিতে রাত আনুমানিক ৩টা ২০ মিনিটে এক্সকাভেটরবাহী লরিটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ঢুকে পড়ে। এ সময় বিকট শব্দে আশপাশের মানুষের ঘুম ভেঙে যায়। প্রত্যক্ষদর্শীদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন তখন ছুটে এসে লাকসাম রেলওয়ে জংশন স্টেশনসহ থানায় খবর পাঠালে স্থানীয় রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ ও পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে উদ্ধারকাজ চালায়। প্রায় তিন ঘণ্টা চেষ্টার পর উদ্ধারকাজ শেষ হলে সকাল সাড়ে ৬টায় রেলপথ স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে।
পরে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা হোটেলটি সম্পূর্ণ ভেঙে ফেলা হয়। রাতে হোটেলটি বন্ধ থাকায় ভেতরে কোনো কর্মচারী ছিল না। তাই এতে কোনো হতাহতের ঘটনাও ঘটেনি। লাকসাম রেলওয়ে জংশন স্টেশনের মাস্টার ওমর ফারুক ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন।