নিজস্ব প্রতিবেদক
ভারতের আসামের গুয়াহাটিতে বাংলাদেশি দাবি করে ১৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পৃথক অভিযানে গত দুই দিনে তাদের গ্রেপ্তার করে আসাম পুলিশ। ভারতে অবৈধভাবে প্রবেশের অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে দাবি করেন গুয়াহাটির পুলিশের ডেপুটি কমিশনার (অপারেশনস) কুলেন্দ্র নাথ ডেকা।
সাংবাদিকদের তিনি জানান, মঙ্গলবার নিয়মিত তল্লাশির সময় পল্টন বাজার রেলস্টেশনের কাছে লোকমান্য তিলক টার্মিনাস এক্সপ্রেসের সাধারণ কামরা থেকে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশের দাবি, তারা মেঘালয়ের ডাউকি সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশ করে গত ৫ অক্টোবর গুয়াহাটিতে পৌঁছান। পরে তারা শহরের একটি হোটেলে অবস্থান করেন বলে অভিযোগ করে পুলিশ। পুলিশের সূত্র জানায়, জিজ্ঞাসাবাদের সময় গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের একজন তারা যে হোটেলে ছিলেন, সেটির তথ্য দেন। পরে তার দেখানো তথ্য অনুযায়ী পুলিশ সেখানে অভিযান চালায়। সিসিটিভি ফুটেজ ও অন্যান্য তথ্যপ্রমাণ যাচাইয়ের পর পানবাজার থানায় একটি মামলা করা হয়। বাংলাদেশি নাগরিকদের অবৈধভাবে আশ্রয় দেওয়া এবং আসাম থেকে ভারতের অন্যান্য এলাকায় যাওয়ার ক্ষেত্রে সহযোগিতা করার অভিযোগে আরো চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।
এদিকে, বুধবার আরো একটি অভিযানে ১৩ ‘বাংলাদেশি নাগরিককে’ গ্রেপ্তার করার দাবি করা হয়। পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা গত ১০ থেকে ১৫ বছর ধরে শ্রীনগরে অবস্থান করছিলেন। পরে তারা গুয়াহাটিতে ফিরে আসেন। আসাম থেকে বেরিয়ে বাংলাদেশে ফেরার জন্য তারা একটি সহযোগী চক্রের সন্ধান করছিলেন বলে পুলিশের দাবি। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গুয়াহাটির একটি হোটেলে অভিযান চালিয়ে ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ডিসিপি ডেকা জানান, ইমিগ্র্যান্টস (এক্সপালশন ফ্রম আসাম) অ্যাক্টের আওতায় তাদের আসাম থেকে বহিষ্কারের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
ভারতের আসামের গুয়াহাটিতে বাংলাদেশি দাবি করে ১৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পৃথক অভিযানে গত দুই দিনে তাদের গ্রেপ্তার করে আসাম পুলিশ। ভারতে অবৈধভাবে প্রবেশের অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে দাবি করেন গুয়াহাটির পুলিশের ডেপুটি কমিশনার (অপারেশনস) কুলেন্দ্র নাথ ডেকা।
সাংবাদিকদের তিনি জানান, মঙ্গলবার নিয়মিত তল্লাশির সময় পল্টন বাজার রেলস্টেশনের কাছে লোকমান্য তিলক টার্মিনাস এক্সপ্রেসের সাধারণ কামরা থেকে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশের দাবি, তারা মেঘালয়ের ডাউকি সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশ করে গত ৫ অক্টোবর গুয়াহাটিতে পৌঁছান। পরে তারা শহরের একটি হোটেলে অবস্থান করেন বলে অভিযোগ করে পুলিশ। পুলিশের সূত্র জানায়, জিজ্ঞাসাবাদের সময় গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের একজন তারা যে হোটেলে ছিলেন, সেটির তথ্য দেন। পরে তার দেখানো তথ্য অনুযায়ী পুলিশ সেখানে অভিযান চালায়। সিসিটিভি ফুটেজ ও অন্যান্য তথ্যপ্রমাণ যাচাইয়ের পর পানবাজার থানায় একটি মামলা করা হয়। বাংলাদেশি নাগরিকদের অবৈধভাবে আশ্রয় দেওয়া এবং আসাম থেকে ভারতের অন্যান্য এলাকায় যাওয়ার ক্ষেত্রে সহযোগিতা করার অভিযোগে আরো চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।
এদিকে, বুধবার আরো একটি অভিযানে ১৩ ‘বাংলাদেশি নাগরিককে’ গ্রেপ্তার করার দাবি করা হয়। পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা গত ১০ থেকে ১৫ বছর ধরে শ্রীনগরে অবস্থান করছিলেন। পরে তারা গুয়াহাটিতে ফিরে আসেন। আসাম থেকে বেরিয়ে বাংলাদেশে ফেরার জন্য তারা একটি সহযোগী চক্রের সন্ধান করছিলেন বলে পুলিশের দাবি। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গুয়াহাটির একটি হোটেলে অভিযান চালিয়ে ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ডিসিপি ডেকা জানান, ইমিগ্র্যান্টস (এক্সপালশন ফ্রম আসাম) অ্যাক্টের আওতায় তাদের আসাম থেকে বহিষ্কারের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।