নিজস্ব প্রতিবেদক
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়রপ্রার্থী ও নগর উন্নয়ন ফোরামের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিনের উদ্যোগে শেরেবাংলা নগরে ‘ডেঙ্গু সচেতনতা ক্যাম্প ২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। নগর উন্নয়ন ফোরাম ঢাকার উদ্যোগে বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকালে এ ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়।
ক্যাম্পে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নগর উন্নয়ন ফোরামের চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য, ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমীর এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র প্রার্থী মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন।
থানা আমীর আবু সাঈদ মন্ডলের সভাপতিত্বে এবং থানা সেক্রেটারি তারিফুল ইসলামের সঞ্চালনায় এতে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য হেমায়েত হোসেন,২৭ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন বলেন, ডেঙ্গু আমাদের জন্য এখন এক বড় উদ্বেগের বিষয়। সরকার ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমে দেখা যাচ্ছে। আমরা চাই, এসব উদ্যোগ যথাযথভাবে তদারকি করা হোক।
তিনি বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, হাসপাতালগুলোতে বেডের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে, চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে এবং ডেঙ্গু কর্নার করা হয়েছে। আমরা চাই, বাস্তবে এসব উদ্যোগের সক্ষমতা কতটুকু বেড়েছে, তা যথাযথভাবে তদারকি করা হোক। মানুষ যেন সঠিকভাবে চিকিৎসা পায়, সেটি নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, ডেঙ্গু আমাদের আশপাশেই রয়েছে। সুতরাং শুধু সরকার একা ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে না। আমাদেরও দায়িত্ব নিতে হবে। আমাদের আশপাশ পরিষ্কার রাখতে হবে, যেন কোনোভাবেই পানি জমে থাকতে না পারে। এই কাজ শুরু করতে হবে আমাদের নিজ নিজ ঘর থেকেই।
বাংলাদেশের চিকিৎসাব্যবস্থার উন্নয়নের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে সেলিম উদ্দিন বলেন, পৃথিবীর অন্যান্য দেশের চিকিৎসাব্যবস্থা অনেক উন্নত। তুরস্ক সফরের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, সেখানে হাসপাতালগুলোর চিকিৎসাব্যবস্থা দেখে তিনি মুগ্ধ হয়েছেন। বাংলাদেশের চিকিৎসাব্যবস্থাও ভবিষ্যতে এমন উন্নত ও জনবান্ধব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
তিনি বলেন, আমাদের নেতৃত্ব এমনভাবে ঠিক করতে হবে, যারা আগামী দিনে আমাদের জন্য সুন্দর একটি দেশ গঠনে ভূমিকা রাখতে পারেন।
মিরপুরে জামায়াতের ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও মশক নিধন কর্মসূচি
দেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ সপ্তাহের অংশ হিসেবে রাজধানীর মিরপুরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে মশক নিধন ও জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মিরপুর পাইকপাড়া এলাকায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ১১ নম্বর ওয়ার্ড ও মিরপুর দক্ষিণ থানার ব্যবস্থাপনায় এবং ১১ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদপ্রার্থী এ কে এম কামরুল আহছান মুরাদের সৌজন্যে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন মহানগরী মজলিশে শূরা সদস্য ও মিরপুর দক্ষিণ থানার আমীর অ্যাডভোকেট আলাউদ্দিন সোহেল। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা মাহফুজুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ১১ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদপ্রার্থী এ কে এম কামরুল আহছান মুরাদ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন মহানগর মজলিশে শূরা সদস্য ও মিরপুর দক্ষিণ থানা সেক্রেটারি মো. রাকিবুল ইসলাম, থানা কর্মপরিষদ সদস্য রবিউল ইসলাম, শরিফুল ইসলাম, শাহাবুল আলম, আমীর হোসেন বাবলু এবং স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ।
সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা শেষে মধ্য পাইকপাড়া ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় মশক নিধন ওষুধ ছিটানো হয়। একই সঙ্গে স্থানীয় পথচারী ও বাসিন্দাদের মধ্যে ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় বিষয়ে সচেতনতামূলক দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়রপ্রার্থী ও নগর উন্নয়ন ফোরামের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিনের উদ্যোগে শেরেবাংলা নগরে ‘ডেঙ্গু সচেতনতা ক্যাম্প ২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। নগর উন্নয়ন ফোরাম ঢাকার উদ্যোগে বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকালে এ ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়।
ক্যাম্পে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নগর উন্নয়ন ফোরামের চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য, ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমীর এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র প্রার্থী মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন।
থানা আমীর আবু সাঈদ মন্ডলের সভাপতিত্বে এবং থানা সেক্রেটারি তারিফুল ইসলামের সঞ্চালনায় এতে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য হেমায়েত হোসেন,২৭ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন বলেন, ডেঙ্গু আমাদের জন্য এখন এক বড় উদ্বেগের বিষয়। সরকার ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমে দেখা যাচ্ছে। আমরা চাই, এসব উদ্যোগ যথাযথভাবে তদারকি করা হোক।
তিনি বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, হাসপাতালগুলোতে বেডের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে, চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে এবং ডেঙ্গু কর্নার করা হয়েছে। আমরা চাই, বাস্তবে এসব উদ্যোগের সক্ষমতা কতটুকু বেড়েছে, তা যথাযথভাবে তদারকি করা হোক। মানুষ যেন সঠিকভাবে চিকিৎসা পায়, সেটি নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, ডেঙ্গু আমাদের আশপাশেই রয়েছে। সুতরাং শুধু সরকার একা ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে না। আমাদেরও দায়িত্ব নিতে হবে। আমাদের আশপাশ পরিষ্কার রাখতে হবে, যেন কোনোভাবেই পানি জমে থাকতে না পারে। এই কাজ শুরু করতে হবে আমাদের নিজ নিজ ঘর থেকেই।
বাংলাদেশের চিকিৎসাব্যবস্থার উন্নয়নের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে সেলিম উদ্দিন বলেন, পৃথিবীর অন্যান্য দেশের চিকিৎসাব্যবস্থা অনেক উন্নত। তুরস্ক সফরের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, সেখানে হাসপাতালগুলোর চিকিৎসাব্যবস্থা দেখে তিনি মুগ্ধ হয়েছেন। বাংলাদেশের চিকিৎসাব্যবস্থাও ভবিষ্যতে এমন উন্নত ও জনবান্ধব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
তিনি বলেন, আমাদের নেতৃত্ব এমনভাবে ঠিক করতে হবে, যারা আগামী দিনে আমাদের জন্য সুন্দর একটি দেশ গঠনে ভূমিকা রাখতে পারেন।
মিরপুরে জামায়াতের ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও মশক নিধন কর্মসূচি
দেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ সপ্তাহের অংশ হিসেবে রাজধানীর মিরপুরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে মশক নিধন ও জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মিরপুর পাইকপাড়া এলাকায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ১১ নম্বর ওয়ার্ড ও মিরপুর দক্ষিণ থানার ব্যবস্থাপনায় এবং ১১ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদপ্রার্থী এ কে এম কামরুল আহছান মুরাদের সৌজন্যে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন মহানগরী মজলিশে শূরা সদস্য ও মিরপুর দক্ষিণ থানার আমীর অ্যাডভোকেট আলাউদ্দিন সোহেল। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা মাহফুজুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ১১ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদপ্রার্থী এ কে এম কামরুল আহছান মুরাদ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন মহানগর মজলিশে শূরা সদস্য ও মিরপুর দক্ষিণ থানা সেক্রেটারি মো. রাকিবুল ইসলাম, থানা কর্মপরিষদ সদস্য রবিউল ইসলাম, শরিফুল ইসলাম, শাহাবুল আলম, আমীর হোসেন বাবলু এবং স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ।
সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা শেষে মধ্য পাইকপাড়া ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় মশক নিধন ওষুধ ছিটানো হয়। একই সঙ্গে স্থানীয় পথচারী ও বাসিন্দাদের মধ্যে ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় বিষয়ে সচেতনতামূলক দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।