মোঃ অপু খান চৌধুরী।।
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলায় গেজেটভুক্ত ২১৭টি সড়কের অবস্থা মারাত্মক বেহাল। ২০২৪ সালের ভয়াবহ বন্যার পর থেকে এসব সড়কে চলাচলে চরম ভোগান্তি পোহাচ্ছেন এলাকার সাধারণ মানুষ। উপজেলা প্রকৌশল দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বন্যার পর প্রায় ৩৮১ কিলোমিটার সড়কই চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছিল। পরবর্তী সময়ে কিছু সড়ক সংস্কার করা হলেও এখনো বেশিরভাগ রাস্তার অবস্থা করুণ।
উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সূত্রে জানা গেছে, ৮টি ইউনিয়নের আওতাধীন গেজেটভুক্ত সড়কগুলোর মধ্যে ২১০ কিলোমিটার কাঁচা এবং ১৭১ কিলোমিটার পাকা। বন্যার পর অধিকাংশ সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এর মধ্যে বেশ কিছু সড়কের সংস্কারকাজ শেষ হয়েছে এবং বাকিগুলোর দরপত্র (টেন্ডার) প্রক্রিয়া সম্পন্ন কিংবা চলমান রয়েছে। সরেজমিনে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, যোগাযোগের মূল মাধ্যম এসব সড়ক দিয়ে যাতায়াত করতে গিয়ে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার শিকার হতে হচ্ছে। সিদলাই গ্রামের বাসিন্দা মনু মিয়া ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "সিদলাই থেকে ব্রাহ্মণপাড়া গেলে শরীর ব্যথার ওষুধ খাওয়া লাগে। রাতের বেলা এই সড়ক দিয়ে মানুষ তো দূরের কথা, পশুপাখির চলাচল করাও কঠিন।" একই চিত্র দেখা গেছে বড়ধুশিয়া-নাগাইশ-শশীদল সড়কে। এই সড়কের নিয়মিত যাত্রী হেলাল উদ্দিন বলেন, "সড়ক কাকে বলে আর কত প্রকার, তা এই রাস্তায় না চললে বোঝার উপায় নেই। ২৪-এর বন্যার পর আমরা নাগাইশবাসী মিলে নিজ খরচে রাস্তাটি চলাচলের উপযোগী করেছিলাম। আড়াই বছর পার হলেও দৃশ্যমান পরিবর্তন হয়নি। সম্প্রতি টেন্ডার হলেও কাজ চলছে অত্যন্ত ধীরগতিতে।" দক্ষিণ চান্দলা হয়ে মন্দবাগ দেউস সড়কের অবস্থাও বেশ নাজুক। চাকুরিসূত্রে প্রতিদিন ব্রাহ্মণপাড়া সদরে যাতায়াত করা আব্দুল খালেক জানান, এই রাস্তায় রিকশা বা সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালানো অসম্ভব। এমনকি হেঁটে চলাই দুষ্কর হয়ে পড়েছে। উপজেলার সবচেয়ে খারাপ অবস্থায় থাকা
অন্যান্য সড়কগুলোর মধ্যে রয়েছে—দুলালপুর-বালিনা সড়ক, ব্রাহ্মণপাড়া-সিদলাই সড়ক, সিদলাই-কান্দুঘর সড়ক, হরিমঙ্গল-বাগড়া সড়ক, উত্তর চান্দলা-বলাকিয়া সড়ক, সিদলাই-বেড়াখোলা সড়ক, বারেশ্বর-জিরুইন সড়ক, জিরুইন-রামনগর সড়ক এবং ব্রাহ্মণপাড়া-দুলালপুর সড়ক। এ বিষয়ে জানতে চাইলে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী মো. গোলাপ হোসেন ভূঁইয়া বলেন, উপজেলার ক্ষতিগ্রস্ত কাঁচা ও পাকা অধিকাংশ রাস্তার টেন্ডার প্রক্রিয়া শেষ কিংবা চলমান। ইতিমধ্যে কিছু সড়কের কাজ শুরু হয়েছে, বাকিগুলোর কাজও শিগগিরই শুরু হবে। আশা করছি আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই দৃশ্যমান উন্নয়ন দেখা যাবে এবং রাস্তাগুলোর কাজ সম্পন্ন হবে।
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলায় গেজেটভুক্ত ২১৭টি সড়কের অবস্থা মারাত্মক বেহাল। ২০২৪ সালের ভয়াবহ বন্যার পর থেকে এসব সড়কে চলাচলে চরম ভোগান্তি পোহাচ্ছেন এলাকার সাধারণ মানুষ। উপজেলা প্রকৌশল দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বন্যার পর প্রায় ৩৮১ কিলোমিটার সড়কই চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছিল। পরবর্তী সময়ে কিছু সড়ক সংস্কার করা হলেও এখনো বেশিরভাগ রাস্তার অবস্থা করুণ।
উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সূত্রে জানা গেছে, ৮টি ইউনিয়নের আওতাধীন গেজেটভুক্ত সড়কগুলোর মধ্যে ২১০ কিলোমিটার কাঁচা এবং ১৭১ কিলোমিটার পাকা। বন্যার পর অধিকাংশ সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এর মধ্যে বেশ কিছু সড়কের সংস্কারকাজ শেষ হয়েছে এবং বাকিগুলোর দরপত্র (টেন্ডার) প্রক্রিয়া সম্পন্ন কিংবা চলমান রয়েছে। সরেজমিনে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, যোগাযোগের মূল মাধ্যম এসব সড়ক দিয়ে যাতায়াত করতে গিয়ে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার শিকার হতে হচ্ছে। সিদলাই গ্রামের বাসিন্দা মনু মিয়া ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "সিদলাই থেকে ব্রাহ্মণপাড়া গেলে শরীর ব্যথার ওষুধ খাওয়া লাগে। রাতের বেলা এই সড়ক দিয়ে মানুষ তো দূরের কথা, পশুপাখির চলাচল করাও কঠিন।" একই চিত্র দেখা গেছে বড়ধুশিয়া-নাগাইশ-শশীদল সড়কে। এই সড়কের নিয়মিত যাত্রী হেলাল উদ্দিন বলেন, "সড়ক কাকে বলে আর কত প্রকার, তা এই রাস্তায় না চললে বোঝার উপায় নেই। ২৪-এর বন্যার পর আমরা নাগাইশবাসী মিলে নিজ খরচে রাস্তাটি চলাচলের উপযোগী করেছিলাম। আড়াই বছর পার হলেও দৃশ্যমান পরিবর্তন হয়নি। সম্প্রতি টেন্ডার হলেও কাজ চলছে অত্যন্ত ধীরগতিতে।" দক্ষিণ চান্দলা হয়ে মন্দবাগ দেউস সড়কের অবস্থাও বেশ নাজুক। চাকুরিসূত্রে প্রতিদিন ব্রাহ্মণপাড়া সদরে যাতায়াত করা আব্দুল খালেক জানান, এই রাস্তায় রিকশা বা সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালানো অসম্ভব। এমনকি হেঁটে চলাই দুষ্কর হয়ে পড়েছে। উপজেলার সবচেয়ে খারাপ অবস্থায় থাকা
অন্যান্য সড়কগুলোর মধ্যে রয়েছে—দুলালপুর-বালিনা সড়ক, ব্রাহ্মণপাড়া-সিদলাই সড়ক, সিদলাই-কান্দুঘর সড়ক, হরিমঙ্গল-বাগড়া সড়ক, উত্তর চান্দলা-বলাকিয়া সড়ক, সিদলাই-বেড়াখোলা সড়ক, বারেশ্বর-জিরুইন সড়ক, জিরুইন-রামনগর সড়ক এবং ব্রাহ্মণপাড়া-দুলালপুর সড়ক। এ বিষয়ে জানতে চাইলে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী মো. গোলাপ হোসেন ভূঁইয়া বলেন, উপজেলার ক্ষতিগ্রস্ত কাঁচা ও পাকা অধিকাংশ রাস্তার টেন্ডার প্রক্রিয়া শেষ কিংবা চলমান। ইতিমধ্যে কিছু সড়কের কাজ শুরু হয়েছে, বাকিগুলোর কাজও শিগগিরই শুরু হবে। আশা করছি আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই দৃশ্যমান উন্নয়ন দেখা যাবে এবং রাস্তাগুলোর কাজ সম্পন্ন হবে।