মোঃ ওসমান গনি শেরপুর প্রতিনিধি,
মুহাম্মদ আবু হেলাল, শেরপুর প্রতিনিধি:
শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার বনগাঁও জিগাতলা গ্রামে পৈতৃক ও ক্রয়কৃত রেকর্ডভুক্ত জমি অবৈধভাবে দখল ও আত্মসাতের চেষ্টার অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন একটি ভুক্তভোগী পরিবার। বুধবার (৭ অক্টোবর) দুপুরে বনগাঁও জিগাতলা গ্রামে ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন মৃত আলিমুদ্দিনের ছেলে আব্দুল হানিফ ও বাচ্চু মিয়া। সংবাদ সম্মেলনে পরিবারের পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মমতা খাতুন।
লিখিত বক্তব্যে তিনি দাবি করেন, বনগাঁও মৌজার খতিয়ান নম্বর ১০৭-এর অন্তর্ভুক্ত ১৮৪৮, ১৮৪৯, ১৮৫০, ১৮৫১, ১৮৫২, ১৮৫৩, ১৮৫৪, ১৮৫৫, ১৮৫৬, ১৮৫৭, ২০০৭, ২০০৮, ২০০৯, ১৮২৫ ও ১৮২৬ নম্বর দাগে মোট ১২ একর ২৮ শতাংশ আবাদি ও বসতজমি রয়েছে। এর মধ্যে ২ একর ৪৫ শতাংশ জমি মৃত আলিমুদ্দিনের ছেলে আব্দুল হামিদ, আব্দুর রশিদ, হানিফ উদ্দিন, বাচ্চু মিয়া ও আহিলা খাতুন ওয়ারিশ সূত্রে এবং সাফ-কবলা দলিলের মাধ্যমে পেয়েছেন। তারা আরএস রেকর্ড অনুযায়ী দীর্ঘদিন ধরে ওই জমি ভোগদখল করে আসছেন বলেও দাবি করা হয়। লিখিত বক্তব্যে আরও অভিযোগ করা হয়, পূর্ববিরোধের জের ধরে প্রতিবেশী মৃত আব্দুস ছাত্তারের ছেলে মো. ইসমাইল হোসেন (৬৫), আলমাস হোসেন (৪৫), মৃত আব্দুল হামিদের ছেলে মিজান মিয়া (৪৮), মৃত আব্দুল বারিকের ছেলে কাদির মিয়া (৪৫), আবু বক্কর এবং মৃত আইজ উদ্দিনের ছেলে আমির উদ্দিন মাস্টার (৬৫)সহ কয়েকজন দীর্ঘদিন ধরে তাদের হয়রানি করে আসছেন। ভুক্তভোগীদের দাবি, জমি নিয়ে বিরোধের সূত্রপাত হয় ১৯৮৯ সালে। ওই বছর বাচ্চু মিয়ার বাবা আলিমুদ্দিন বাটোয়ারা মামলা করেন। পরে ২০০০ সালের ১৪ নভেম্বর আদালত রায় এবং ২১ নভেম্বর ডিক্রি প্রদান করেন।
বিবাদীপক্ষ ২০০১ সালে আপিল করলে আদালত পূর্বের ডিক্রি বহাল রাখেন বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়। পরবর্তীতে ২০০৬ সালে পুনরায় আপিল করা হয় এবং বর্তমানে বিষয়টি উচ্চ আদালতে বিচারাধীন রয়েছে বলে দাবি করেন তারা। সংবাদ সম্মেলনে আরও অভিযোগ করা হয়, সম্প্রতি প্রতিপক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে তাদের বসতবাড়িতে প্রবেশ করে গালিগালাজ ও হুমকি দিয়েছেন। এছাড়া রাস্তায় চলাচলে বাধা, গবাদিপশুর ক্ষতি করা এবং পুকুরের মাছ নিয়ে যাওয়াসহ বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তারা। এসব ঘটনায় স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদে একাধিকবার সালিশ-বৈঠক হলেও সমস্যার সমাধান হয়নি বলে দাবি করেন ভুক্তভোগীরা। ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, দীর্ঘদিনের বিরোধের কারণে তারা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। ভবিষ্যতে এ বিরোধকে কেন্দ্র করে বড় ধরনের সংঘর্ষের আশঙ্কাও করছেন তারা। সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগীরা তাদের দাবি করা ২ একর ৪৫ শতাংশ জমির দখল ও মালিকানা সুরক্ষা, বসতবাড়িসহ পরিবারের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্তরা বলেন, তাদের আনিত অভিযোগগুলো পুরোপুরি সঠিক নয়। তারা তর্কিত জমিতে ঘর নির্মাণের উদ্যোগ নেয়ায় আমরা বাঁধা প্রদান করেছি মাত্র। তবে এলাকাবাসী বলছেন, দীর্ঘ ৩৭ বছর ধরে জমি সংক্রান্ত এসব মামলা-মোকদ্দমার মামলা-মোকদ্দমা আর দ্বন্ধ শান্তিপূর্ণ ভাবে সমাধান হওয়া প্রয়োজন।
মুহাম্মদ আবু হেলাল, শেরপুর প্রতিনিধি:
শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার বনগাঁও জিগাতলা গ্রামে পৈতৃক ও ক্রয়কৃত রেকর্ডভুক্ত জমি অবৈধভাবে দখল ও আত্মসাতের চেষ্টার অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন একটি ভুক্তভোগী পরিবার। বুধবার (৭ অক্টোবর) দুপুরে বনগাঁও জিগাতলা গ্রামে ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন মৃত আলিমুদ্দিনের ছেলে আব্দুল হানিফ ও বাচ্চু মিয়া। সংবাদ সম্মেলনে পরিবারের পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মমতা খাতুন।
লিখিত বক্তব্যে তিনি দাবি করেন, বনগাঁও মৌজার খতিয়ান নম্বর ১০৭-এর অন্তর্ভুক্ত ১৮৪৮, ১৮৪৯, ১৮৫০, ১৮৫১, ১৮৫২, ১৮৫৩, ১৮৫৪, ১৮৫৫, ১৮৫৬, ১৮৫৭, ২০০৭, ২০০৮, ২০০৯, ১৮২৫ ও ১৮২৬ নম্বর দাগে মোট ১২ একর ২৮ শতাংশ আবাদি ও বসতজমি রয়েছে। এর মধ্যে ২ একর ৪৫ শতাংশ জমি মৃত আলিমুদ্দিনের ছেলে আব্দুল হামিদ, আব্দুর রশিদ, হানিফ উদ্দিন, বাচ্চু মিয়া ও আহিলা খাতুন ওয়ারিশ সূত্রে এবং সাফ-কবলা দলিলের মাধ্যমে পেয়েছেন। তারা আরএস রেকর্ড অনুযায়ী দীর্ঘদিন ধরে ওই জমি ভোগদখল করে আসছেন বলেও দাবি করা হয়। লিখিত বক্তব্যে আরও অভিযোগ করা হয়, পূর্ববিরোধের জের ধরে প্রতিবেশী মৃত আব্দুস ছাত্তারের ছেলে মো. ইসমাইল হোসেন (৬৫), আলমাস হোসেন (৪৫), মৃত আব্দুল হামিদের ছেলে মিজান মিয়া (৪৮), মৃত আব্দুল বারিকের ছেলে কাদির মিয়া (৪৫), আবু বক্কর এবং মৃত আইজ উদ্দিনের ছেলে আমির উদ্দিন মাস্টার (৬৫)সহ কয়েকজন দীর্ঘদিন ধরে তাদের হয়রানি করে আসছেন। ভুক্তভোগীদের দাবি, জমি নিয়ে বিরোধের সূত্রপাত হয় ১৯৮৯ সালে। ওই বছর বাচ্চু মিয়ার বাবা আলিমুদ্দিন বাটোয়ারা মামলা করেন। পরে ২০০০ সালের ১৪ নভেম্বর আদালত রায় এবং ২১ নভেম্বর ডিক্রি প্রদান করেন।
বিবাদীপক্ষ ২০০১ সালে আপিল করলে আদালত পূর্বের ডিক্রি বহাল রাখেন বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়। পরবর্তীতে ২০০৬ সালে পুনরায় আপিল করা হয় এবং বর্তমানে বিষয়টি উচ্চ আদালতে বিচারাধীন রয়েছে বলে দাবি করেন তারা। সংবাদ সম্মেলনে আরও অভিযোগ করা হয়, সম্প্রতি প্রতিপক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে তাদের বসতবাড়িতে প্রবেশ করে গালিগালাজ ও হুমকি দিয়েছেন। এছাড়া রাস্তায় চলাচলে বাধা, গবাদিপশুর ক্ষতি করা এবং পুকুরের মাছ নিয়ে যাওয়াসহ বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তারা। এসব ঘটনায় স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদে একাধিকবার সালিশ-বৈঠক হলেও সমস্যার সমাধান হয়নি বলে দাবি করেন ভুক্তভোগীরা। ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, দীর্ঘদিনের বিরোধের কারণে তারা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। ভবিষ্যতে এ বিরোধকে কেন্দ্র করে বড় ধরনের সংঘর্ষের আশঙ্কাও করছেন তারা। সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগীরা তাদের দাবি করা ২ একর ৪৫ শতাংশ জমির দখল ও মালিকানা সুরক্ষা, বসতবাড়িসহ পরিবারের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্তরা বলেন, তাদের আনিত অভিযোগগুলো পুরোপুরি সঠিক নয়। তারা তর্কিত জমিতে ঘর নির্মাণের উদ্যোগ নেয়ায় আমরা বাঁধা প্রদান করেছি মাত্র। তবে এলাকাবাসী বলছেন, দীর্ঘ ৩৭ বছর ধরে জমি সংক্রান্ত এসব মামলা-মোকদ্দমার মামলা-মোকদ্দমা আর দ্বন্ধ শান্তিপূর্ণ ভাবে সমাধান হওয়া প্রয়োজন।