নিজস্ব প্রতিবেদক
মোবাইল ফোনে প্রেমের সম্পর্কের পর বিয়ে। বিয়ের মাত্র তিন দিনের ব্যবধানে একই যুবক দ্বিতীয় বিয়ে করায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। দ্বিতীয় বিয়ের খবর পেয়ে প্রথম স্ত্রী স্বামীর বাড়িতে এসে অবস্থান নিয়ে অনশন শুরু করেছেন। এদিকে প্রথম স্ত্রী বাড়িতে আসার পর স্বামী পালিয়ে গেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
ঘটনাটি ঘটেছে নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার সান্দিকোনা ইউনিয়নের ডাউকী গ্রামে।
স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, উপজেলার মাসকা ইউনিয়নের পানগাঁও গ্রামের মুখলেছ মিয়ার মেয়ে তাছলিমা আক্তারের সঙ্গে মোবাইল ফোনে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে সান্দিকোনা ইউনিয়নের ডাউকী গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে সাজন মিয়ার। প্রেমের সম্পর্কের পর গত ১ অক্টোবর তাদের বিয়ে হয়। প্রথমে নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে এবং পরে রেজিস্ট্রি কাবিননামা সম্পাদনের মাধ্যমে বিয়ে সম্পন্ন হয়। বিয়ের পর দুই দিন তারা স্বামী-স্ত্রী হিসেবে একসঙ্গে বসবাস করেন।
এদিকে ছেলের বিয়ের খবর জানতে পেরে সাজনের মা ফাতেমা তাকে ফোন করে বাড়িতে ডেকে আনেন। পরে ছেলেকে দ্বিতীয় বিয়ের জন্য চাপ দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। একপর্যায়ে মায়ের চাপের মুখে একই উপজেলার গড়াডোবা ইউনিয়নের ওয়াই গ্রামের আবুল মিয়ার মেয়ে তামান্নাকে গত ৪ অক্টোবর বিয়ে করেন সাজন।
দ্বিতীয় বিয়ের খবর পেয়ে তাছলিমা স্বামীর বাড়িতে গিয়ে অবস্থান নেন। তবে সেখানে যাওয়ার পর সাজন পালিয়ে যান বলে জানান তাছলিমা। তিনি স্বামীর বাড়িতে অবস্থান করে অনশন শুরু করেছেন।
তাছলিমা অভিযোগ করে বলেন, আমার শাশুড়ি আমাকে নানাভাবে নির্যাতন করছেন। বাড়ি থেকে বের হয়ে যেতে বলছেন। কিন্তু আমি স্বামীর বাড়ি থেকে যাব কেন? আমি আমার স্বামীর অধিকার চাই।
এ বিষয়ে সাজনের মা ফাতেমা বলেন, আমার ছেলে দুই বিয়ে করেছে। দুই বউ নিয়েই সে ঘর-সংসার করবে।
সান্দিকোনা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত নিন্দাজনক। বিষয়টি গ্রাম্য সালিশের মাধ্যমে নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেওয়া হবে। সালিশের মাধ্যমে সমাধান না হলে প্রশাসনের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ তরিকুল ইসলাম বলেন, এ বিষয়ে এখনো থানায় কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মোবাইল ফোনে প্রেমের সম্পর্কের পর বিয়ে। বিয়ের মাত্র তিন দিনের ব্যবধানে একই যুবক দ্বিতীয় বিয়ে করায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। দ্বিতীয় বিয়ের খবর পেয়ে প্রথম স্ত্রী স্বামীর বাড়িতে এসে অবস্থান নিয়ে অনশন শুরু করেছেন। এদিকে প্রথম স্ত্রী বাড়িতে আসার পর স্বামী পালিয়ে গেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
ঘটনাটি ঘটেছে নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার সান্দিকোনা ইউনিয়নের ডাউকী গ্রামে।
স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, উপজেলার মাসকা ইউনিয়নের পানগাঁও গ্রামের মুখলেছ মিয়ার মেয়ে তাছলিমা আক্তারের সঙ্গে মোবাইল ফোনে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে সান্দিকোনা ইউনিয়নের ডাউকী গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে সাজন মিয়ার। প্রেমের সম্পর্কের পর গত ১ অক্টোবর তাদের বিয়ে হয়। প্রথমে নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে এবং পরে রেজিস্ট্রি কাবিননামা সম্পাদনের মাধ্যমে বিয়ে সম্পন্ন হয়। বিয়ের পর দুই দিন তারা স্বামী-স্ত্রী হিসেবে একসঙ্গে বসবাস করেন।
এদিকে ছেলের বিয়ের খবর জানতে পেরে সাজনের মা ফাতেমা তাকে ফোন করে বাড়িতে ডেকে আনেন। পরে ছেলেকে দ্বিতীয় বিয়ের জন্য চাপ দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। একপর্যায়ে মায়ের চাপের মুখে একই উপজেলার গড়াডোবা ইউনিয়নের ওয়াই গ্রামের আবুল মিয়ার মেয়ে তামান্নাকে গত ৪ অক্টোবর বিয়ে করেন সাজন।
দ্বিতীয় বিয়ের খবর পেয়ে তাছলিমা স্বামীর বাড়িতে গিয়ে অবস্থান নেন। তবে সেখানে যাওয়ার পর সাজন পালিয়ে যান বলে জানান তাছলিমা। তিনি স্বামীর বাড়িতে অবস্থান করে অনশন শুরু করেছেন।
তাছলিমা অভিযোগ করে বলেন, আমার শাশুড়ি আমাকে নানাভাবে নির্যাতন করছেন। বাড়ি থেকে বের হয়ে যেতে বলছেন। কিন্তু আমি স্বামীর বাড়ি থেকে যাব কেন? আমি আমার স্বামীর অধিকার চাই।
এ বিষয়ে সাজনের মা ফাতেমা বলেন, আমার ছেলে দুই বিয়ে করেছে। দুই বউ নিয়েই সে ঘর-সংসার করবে।
সান্দিকোনা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত নিন্দাজনক। বিষয়টি গ্রাম্য সালিশের মাধ্যমে নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেওয়া হবে। সালিশের মাধ্যমে সমাধান না হলে প্রশাসনের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ তরিকুল ইসলাম বলেন, এ বিষয়ে এখনো থানায় কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।