মোঃ আবদুল্লাহ বুড়িচং কুমিল্লা।।
সৌদি আরবের জুবাইল শহরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় মো. সজিব (২৫) নামে এক বাংলাদেশি যুবক নিহত হয়েছেন। রোববার (৪ অক্টোবর) স্থানীয় সময় রাতে এ হামলার ঘটনা ঘটে। হামলায় ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয় বলে পরিবার ও স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে। নিহত সজিব কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার শশীদল ইউনিয়নের বাগড়া গ্রামের ছোটন মিয়ার ছেলে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি সৌদি আরবের জুবাইল শহরের একটি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, সংসারের অভাব-অনটন দূর করে পরিবারের ভবিষ্যৎ স্বচ্ছল করার আশায় কয়েক বছর আগে সৌদি আরবে পাড়ি জমান সজিব। প্রবাসে কঠোর পরিশ্রম করে পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখছিলেন তিনি। তবে আকস্মিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় তার সেই স্বপ্ন থেমে গেল। সজিবের মৃত্যুর খবর দেশে থাকা পরিবারের কাছে পৌঁছে দেন সৌদি আরবে একই প্রতিষ্ঠানে কর্মরত তার সহকর্মী আল আমিন। খবরটি পাওয়ার পর বাগড়া গ্রামে নেমে আসে শোকের ছায়া। সন্তানকে হারিয়ে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন তার বাবা-মা। স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে পুরো এলাকার পরিবেশ। এদিকে সজিবের মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে এনে পরিবারের কাছে হস্তান্তরের দাবি জানিয়েছেন স্বজনরা। তারা সরকারি উদ্যোগে প্রয়োজনীয়
প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করার আহ্বান জানিয়েছেন, যাতে নিজ গ্রামের মাটিতে তাকে দাফন করা যায়। শশীদল ইউনিয়নের ইউপি সদস্য মোহাম্মদ মামুন বলেন, সজিবের অকাল মৃত্যু পুরো এলাকার মানুষের জন্য অত্যন্ত বেদনাদায়ক। শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হচ্ছে।
সৌদি আরবের জুবাইল শহরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় মো. সজিব (২৫) নামে এক বাংলাদেশি যুবক নিহত হয়েছেন। রোববার (৪ অক্টোবর) স্থানীয় সময় রাতে এ হামলার ঘটনা ঘটে। হামলায় ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয় বলে পরিবার ও স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে। নিহত সজিব কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার শশীদল ইউনিয়নের বাগড়া গ্রামের ছোটন মিয়ার ছেলে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি সৌদি আরবের জুবাইল শহরের একটি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, সংসারের অভাব-অনটন দূর করে পরিবারের ভবিষ্যৎ স্বচ্ছল করার আশায় কয়েক বছর আগে সৌদি আরবে পাড়ি জমান সজিব। প্রবাসে কঠোর পরিশ্রম করে পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখছিলেন তিনি। তবে আকস্মিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় তার সেই স্বপ্ন থেমে গেল। সজিবের মৃত্যুর খবর দেশে থাকা পরিবারের কাছে পৌঁছে দেন সৌদি আরবে একই প্রতিষ্ঠানে কর্মরত তার সহকর্মী আল আমিন। খবরটি পাওয়ার পর বাগড়া গ্রামে নেমে আসে শোকের ছায়া। সন্তানকে হারিয়ে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন তার বাবা-মা। স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে পুরো এলাকার পরিবেশ। এদিকে সজিবের মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে এনে পরিবারের কাছে হস্তান্তরের দাবি জানিয়েছেন স্বজনরা। তারা সরকারি উদ্যোগে প্রয়োজনীয়
প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করার আহ্বান জানিয়েছেন, যাতে নিজ গ্রামের মাটিতে তাকে দাফন করা যায়। শশীদল ইউনিয়নের ইউপি সদস্য মোহাম্মদ মামুন বলেন, সজিবের অকাল মৃত্যু পুরো এলাকার মানুষের জন্য অত্যন্ত বেদনাদায়ক। শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হচ্ছে।