আনোয়ার সাঈদ তিতু, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:-
ব্রহ্মপুত্র নদের তীব্র ভাঙনে কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর উপজেলার দুর্গম চরাঞ্চলের কঁচাবাঁচা জাহাজের আলগা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি এখন বিলীনের পথে। ইতোমধ্যে বিদ্যালয়ের আশপাশের অর্ধশতাধিক বসতবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। ভাঙন অব্যাহত থাকায় ঝুঁকিতে পড়েছে চরটির একমাত্র কমিউনিটি ক্লিনিকও। এতে শিক্ষা ও চিকিৎসাসেবা-দুই ক্ষেত্রেই চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছেন চরাঞ্চলের বাসিন্দারা।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, গত এক মাসে ব্রহ্মপুত্রের ভাঙনে জাহাজের আলগা এলাকার অর্ধশতাধিক বসতবাড়ি এবং প্রায় ৪০ একর ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। ভাঙন অব্যাহত থাকায় পুরো গ্রামের দুই শতাধিক বসতবাড়ি হুমকির মুখে পড়েছে। ঝুঁকিতে রয়েছে এলাকার ল্যাম্ব হাসপাতাল, একটি কমিউনিটি ক্লিনিক, নূরানী মাদরাসা, জামে মসজিদ, নতুন বাজার এবং দই খাওয়ার চর নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়সহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর উপজেলার সাহেবের আলগা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য মোঃ আব্দুল বাতেন বলেন, এটি চরের একমাত্র সরকারি বিদ্যালয়। আমরা বেশি কিছু চাই না, শুধু আমাদের সন্তানদের পড়াশোনার এই শেষ আশ্রয়টুকু বাঁচাতে চাই। স্কুলটি নদীতে চলে গেলে এই চরাঞ্চলের শিশুদের ভবিষ্যৎ কোথায় যাবে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও বিদ্যালয়টির সাবেক শিক্ষার্থী আইনজীবী মোঃ নুরুজ্জামান বলেন, একটি বিদ্যালয় হারিয়ে যাওয়া মানে শুধু একটি ভবন বিলীন হওয়া নয়। এর সঙ্গে পুরো একটি এলাকার প্রজন্মের স্বপ্ন ও ভবিষ্যৎও অনিশ্চয়তার মুখে পড়ে। ভাঙন মোকাবেলায় পানি উন্নয়ন বোর্ড ও সরকারের সহযোগিতা চাই। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ ফিরোজা বেগম বলেন, ব্রহ্মপুত্রের তীব্র স্রোতে বিদ্যালয়টি এখন চরম ঝুঁকিতে রয়েছে। যে কোনো মুহূর্তে নদীগর্ভে বিলীন হতে পারে। বর্তমান বিদ্যালয়টি জরুরি ভিত্তিতে নিরাপদ স্থানে স্থানান্তর করা প্রয়োজন। তিনি আরও বলেন, বিদ্যালয়টি রক্ষায় কিংবা প্রয়োজনে দ্রুত নিরাপদ স্থানে স্থানান্তরের জন্য জেলা ও উপজেলা প্রশাসন, পানি উন্নয়ন বোর্ড এবং শিক্ষা বিভাগের দ্রুত হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। এ বিষয়ে বাংলাদেশ জেলার পানি উন্নয়ন বোর্ডের কুড়িগ্রামের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ রাকিবুল হাসান বলেন, ব্রহ্মপুত্র চরের ভাঙনের বিষয়টি অবগত হয়েছি। দ্বীপচরের মাঝে হওয়ায় সেখানে কাজ করার সুযোগ নেই। তবুও আমরা কীভাবে ভাঙন মোকাবিলা করা যায় সেই চেষ্টা করছি।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে কুড়িগ্রাম জেলার ৭২টি পয়েন্টে ভাঙন চলমান আছে। এরমধ্যে ৫২টি পয়েন্টে ভাঙন মোকাবেলায় কাজ চলমান রয়েছে।
ব্রহ্মপুত্র নদের তীব্র ভাঙনে কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর উপজেলার দুর্গম চরাঞ্চলের কঁচাবাঁচা জাহাজের আলগা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি এখন বিলীনের পথে। ইতোমধ্যে বিদ্যালয়ের আশপাশের অর্ধশতাধিক বসতবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। ভাঙন অব্যাহত থাকায় ঝুঁকিতে পড়েছে চরটির একমাত্র কমিউনিটি ক্লিনিকও। এতে শিক্ষা ও চিকিৎসাসেবা-দুই ক্ষেত্রেই চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছেন চরাঞ্চলের বাসিন্দারা।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, গত এক মাসে ব্রহ্মপুত্রের ভাঙনে জাহাজের আলগা এলাকার অর্ধশতাধিক বসতবাড়ি এবং প্রায় ৪০ একর ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। ভাঙন অব্যাহত থাকায় পুরো গ্রামের দুই শতাধিক বসতবাড়ি হুমকির মুখে পড়েছে। ঝুঁকিতে রয়েছে এলাকার ল্যাম্ব হাসপাতাল, একটি কমিউনিটি ক্লিনিক, নূরানী মাদরাসা, জামে মসজিদ, নতুন বাজার এবং দই খাওয়ার চর নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়সহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর উপজেলার সাহেবের আলগা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য মোঃ আব্দুল বাতেন বলেন, এটি চরের একমাত্র সরকারি বিদ্যালয়। আমরা বেশি কিছু চাই না, শুধু আমাদের সন্তানদের পড়াশোনার এই শেষ আশ্রয়টুকু বাঁচাতে চাই। স্কুলটি নদীতে চলে গেলে এই চরাঞ্চলের শিশুদের ভবিষ্যৎ কোথায় যাবে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও বিদ্যালয়টির সাবেক শিক্ষার্থী আইনজীবী মোঃ নুরুজ্জামান বলেন, একটি বিদ্যালয় হারিয়ে যাওয়া মানে শুধু একটি ভবন বিলীন হওয়া নয়। এর সঙ্গে পুরো একটি এলাকার প্রজন্মের স্বপ্ন ও ভবিষ্যৎও অনিশ্চয়তার মুখে পড়ে। ভাঙন মোকাবেলায় পানি উন্নয়ন বোর্ড ও সরকারের সহযোগিতা চাই। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ ফিরোজা বেগম বলেন, ব্রহ্মপুত্রের তীব্র স্রোতে বিদ্যালয়টি এখন চরম ঝুঁকিতে রয়েছে। যে কোনো মুহূর্তে নদীগর্ভে বিলীন হতে পারে। বর্তমান বিদ্যালয়টি জরুরি ভিত্তিতে নিরাপদ স্থানে স্থানান্তর করা প্রয়োজন। তিনি আরও বলেন, বিদ্যালয়টি রক্ষায় কিংবা প্রয়োজনে দ্রুত নিরাপদ স্থানে স্থানান্তরের জন্য জেলা ও উপজেলা প্রশাসন, পানি উন্নয়ন বোর্ড এবং শিক্ষা বিভাগের দ্রুত হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। এ বিষয়ে বাংলাদেশ জেলার পানি উন্নয়ন বোর্ডের কুড়িগ্রামের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ রাকিবুল হাসান বলেন, ব্রহ্মপুত্র চরের ভাঙনের বিষয়টি অবগত হয়েছি। দ্বীপচরের মাঝে হওয়ায় সেখানে কাজ করার সুযোগ নেই। তবুও আমরা কীভাবে ভাঙন মোকাবিলা করা যায় সেই চেষ্টা করছি।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে কুড়িগ্রাম জেলার ৭২টি পয়েন্টে ভাঙন চলমান আছে। এরমধ্যে ৫২টি পয়েন্টে ভাঙন মোকাবেলায় কাজ চলমান রয়েছে।