রাহাদ সুমন,বরিশাল ব্যুরো :
বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসাসেবা দিতে বিলম্ব এবং দক্ষ টেকনিশিয়ান ছাড়া আউটসোর্সিংয়ের ট্রলিম্যানকে দিয়ে ইসিজি করানোর অভিযোগে হট্টগোল ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটের দিকে এ ঘটনা ঘটেছে। ভুক্তভোগী সূত্রে জানা গেছে, বাকেরগঞ্জ উপজেলার নুলুয়া গ্রামের চাঁন মিয়ার স্ত্রী ইতি বেগম (২০) গত ৩০ আগস্ট নগরীর কালীবাড়ি রোডস্থ বরিশাল মেট্রোপলিটন হাসপাতালে সিজারিয়ান
অপারেশনের মাধ্যমে যমজ সন্তান প্রসব করেন। পরবর্তীতে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে স্বজনরা বৃহস্পতিবার সকালে তাকে দ্রুত শেবাচিম হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসেন। রোগীর স্বজন মো. শাহাবুদ্দিন অভিযোগ করে জানান, জরুরি বিভাগে নিয়ে আসার পর ১৫ থেকে ২০ মিনিট পার হয়ে গেলেও তারা কোনো প্রাথমিক চিকিৎসা পাননি। একপর্যায়ে ইসিজি করার প্রয়োজন হলে সেখানে দায়িত্বপ্রাপ্ত কোনো টেকনিশিয়ান না থাকায় আউটসোর্সিংয়ে নিয়োজিত ইব্রাহিম নামের এক ট্রলিম্যানকে দিয়ে ইসিজি করানো হয় এবং তিনিই রিপোর্ট তৈরি করেন। ডিউটিরত ডাক্তার ও নার্সের (ব্রাদার) কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তারা ইসিজি টেকনিশিয়ান অনুপস্থিত থাকার অজুহাত দিয়ে দায় এড়িয়ে যান। দক্ষ টেকনিশিয়ান ব্যতীত একজন অনভিজ্ঞ ট্রলিম্যান দিয়ে স্পর্শকাতর পরীক্ষা করানোর প্রতিবাদ জানালে একপর্যায়ে রোগীর স্বজনদের সাথে আউটসোর্সিং ট্রলিম্যান ইব্রাহিম ও ব্রাদারদের হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরবর্তীতে ডিউটিরত আনসার সদস্য মো. আবু মুসা ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি শান্ত করেন। ঘটনার বিষয়ে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত
চিকিৎসকেরা বলেছেন, টেকনিশিয়ান ব্যতীত অন্য কোনো কর্মচারীকে দিয়ে ইসিজি করানো ঠিক হয়নি। রোগীর স্বজনরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, জরুরি বিভাগে ডাক্তার ও ব্রাদার উপস্থিত থাকার পরেও চিকিৎসাসেবা প্রদানে অনাকাঙ্ক্ষিত বিলম্ব করা হয়েছে। ইমার্জেন্সিতে রোগী নিয়ে এলে সার্বক্ষণিক এভাবে অবমূল্যায়ন ও প্রতারণার শিকার হতে হয়। এ বিষয়ে অবহেলা ও অনিয়মের প্রতিকার চেয়ে শেবাচিম হাসপাতালের পরিচালক বরাবর লিখিত অভিযোগ দাখিল করবেন বলে জানিয়েছেন রোগীর স্বজন ইব্রাহিম। রাহাদ সুমন,বরিশাল
বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসাসেবা দিতে বিলম্ব এবং দক্ষ টেকনিশিয়ান ছাড়া আউটসোর্সিংয়ের ট্রলিম্যানকে দিয়ে ইসিজি করানোর অভিযোগে হট্টগোল ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটের দিকে এ ঘটনা ঘটেছে। ভুক্তভোগী সূত্রে জানা গেছে, বাকেরগঞ্জ উপজেলার নুলুয়া গ্রামের চাঁন মিয়ার স্ত্রী ইতি বেগম (২০) গত ৩০ আগস্ট নগরীর কালীবাড়ি রোডস্থ বরিশাল মেট্রোপলিটন হাসপাতালে সিজারিয়ান
অপারেশনের মাধ্যমে যমজ সন্তান প্রসব করেন। পরবর্তীতে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে স্বজনরা বৃহস্পতিবার সকালে তাকে দ্রুত শেবাচিম হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসেন। রোগীর স্বজন মো. শাহাবুদ্দিন অভিযোগ করে জানান, জরুরি বিভাগে নিয়ে আসার পর ১৫ থেকে ২০ মিনিট পার হয়ে গেলেও তারা কোনো প্রাথমিক চিকিৎসা পাননি। একপর্যায়ে ইসিজি করার প্রয়োজন হলে সেখানে দায়িত্বপ্রাপ্ত কোনো টেকনিশিয়ান না থাকায় আউটসোর্সিংয়ে নিয়োজিত ইব্রাহিম নামের এক ট্রলিম্যানকে দিয়ে ইসিজি করানো হয় এবং তিনিই রিপোর্ট তৈরি করেন। ডিউটিরত ডাক্তার ও নার্সের (ব্রাদার) কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তারা ইসিজি টেকনিশিয়ান অনুপস্থিত থাকার অজুহাত দিয়ে দায় এড়িয়ে যান। দক্ষ টেকনিশিয়ান ব্যতীত একজন অনভিজ্ঞ ট্রলিম্যান দিয়ে স্পর্শকাতর পরীক্ষা করানোর প্রতিবাদ জানালে একপর্যায়ে রোগীর স্বজনদের সাথে আউটসোর্সিং ট্রলিম্যান ইব্রাহিম ও ব্রাদারদের হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরবর্তীতে ডিউটিরত আনসার সদস্য মো. আবু মুসা ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি শান্ত করেন। ঘটনার বিষয়ে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত
চিকিৎসকেরা বলেছেন, টেকনিশিয়ান ব্যতীত অন্য কোনো কর্মচারীকে দিয়ে ইসিজি করানো ঠিক হয়নি। রোগীর স্বজনরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, জরুরি বিভাগে ডাক্তার ও ব্রাদার উপস্থিত থাকার পরেও চিকিৎসাসেবা প্রদানে অনাকাঙ্ক্ষিত বিলম্ব করা হয়েছে। ইমার্জেন্সিতে রোগী নিয়ে এলে সার্বক্ষণিক এভাবে অবমূল্যায়ন ও প্রতারণার শিকার হতে হয়। এ বিষয়ে অবহেলা ও অনিয়মের প্রতিকার চেয়ে শেবাচিম হাসপাতালের পরিচালক বরাবর লিখিত অভিযোগ দাখিল করবেন বলে জানিয়েছেন রোগীর স্বজন ইব্রাহিম। রাহাদ সুমন,বরিশাল