রানা ইসলাম বদরগঞ্জ রংপুর
রংপুরে বদরগঞ্জে বিষ্ণুপুর ইউনিয়ন খাদ্য বান্ধব কর্মসূচী এক ডিলার বিরুদ্ধে চাল কম দেওয়া, বস্তাসহ চাল বিতরন না করা,নতুন কার্ড করতে টাকা নেওয়া বিষয়ের কার্ডধারীরা অভিযোগ তুললেন। বুধবার ২ সেপ্টেম্বর বিষ্ণুপুর কচুবাড়ি এলাকায় ডিলার আবু সাঈদ বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেন ভুক্তভোগী কয়েকজন কার্ডধারী।আবু সাঈদ ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামী আমির কাজি মাবুদ ছেলে। সরজমিনে যেয়ে দেখা যায় সরকারি নিয়ম অনুযায়ী বস্তাসহ চাল বিতরন নিয়ম। কিন্তু ডিলার বস্তা রেখে দিয়ে কার্ডধারীরা সঙ্গে আনা বস্তাতে চাল দিচ্ছে। পরে সেই বস্তা প্রতিটি ৩০
টাকা করে বাজারে বিক্রি করে বাড়তি আয় করেন ডিলার।নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন খাদ্য বান্ধব কর্মসূচী চাল নিতে আসা কার্ডধারী বলেন,আমাদের কোন সময় এই ডিলার বস্তা সহ চাল দেয়না।আবার ৩০ কেজি চালের মধ্যে ১ থেকে ২ কেজি কম হয়।আবার নতুন কার্ড করতে গেলে ডিলার ২০০ টাকা আগে নেন।তার পর নতুন কার্ড করে দেন। এবিষয়ে ডিলার আবু সাঈদ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন,আমার এখানে ডিজিটাল পাল্লায় চাল ওজন করে ৩০ কেজি দেই।কম হওয়ার প্রশ্নই আসে না। বস্তা যারা চায় তাদের দেই।আর নতুন কার্ড নবায়ন করতে অফিসে খরচ লাগে তাই নেই। বদরগঞ্জ বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মিজান আলী বলেন, ৩০ কেজি চালের মধ্যে ডিলার ৩০ কেজি চাল দিবে।এখানে কম কেনো দিবে।নতুন কার্ড করতে টাকা নেওয়ার বিষয়ে মিজান আলী বলেন,নতুন কার্ড দিবে খাদ্য অধিদপ্তর। এখানে টাকা কেন নেবেন ডিলার।
তারপরও ভুক্তভোগীদের অভিযোগ পেলে বিষয়টি গুরত্বসহকারে দেখা হবে। বদরগঞ্জ উপজেলা খাদ্য কর্মকতা বিপ্লব কুমার সিং বলেন,চাল কম দেওয়া, বস্তাসহ চাল না দেওয়া,নুতন কার্ড করতে টাকা চাওয়া বিষয়গুলো আমি জানিনা।তবে ভুক্তভোগীরা লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে ডিলার বিরুদ্ধে ব্যবস্হা নেওয়া হবে।
রংপুরে বদরগঞ্জে বিষ্ণুপুর ইউনিয়ন খাদ্য বান্ধব কর্মসূচী এক ডিলার বিরুদ্ধে চাল কম দেওয়া, বস্তাসহ চাল বিতরন না করা,নতুন কার্ড করতে টাকা নেওয়া বিষয়ের কার্ডধারীরা অভিযোগ তুললেন। বুধবার ২ সেপ্টেম্বর বিষ্ণুপুর কচুবাড়ি এলাকায় ডিলার আবু সাঈদ বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেন ভুক্তভোগী কয়েকজন কার্ডধারী।আবু সাঈদ ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামী আমির কাজি মাবুদ ছেলে। সরজমিনে যেয়ে দেখা যায় সরকারি নিয়ম অনুযায়ী বস্তাসহ চাল বিতরন নিয়ম। কিন্তু ডিলার বস্তা রেখে দিয়ে কার্ডধারীরা সঙ্গে আনা বস্তাতে চাল দিচ্ছে। পরে সেই বস্তা প্রতিটি ৩০
টাকা করে বাজারে বিক্রি করে বাড়তি আয় করেন ডিলার।নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন খাদ্য বান্ধব কর্মসূচী চাল নিতে আসা কার্ডধারী বলেন,আমাদের কোন সময় এই ডিলার বস্তা সহ চাল দেয়না।আবার ৩০ কেজি চালের মধ্যে ১ থেকে ২ কেজি কম হয়।আবার নতুন কার্ড করতে গেলে ডিলার ২০০ টাকা আগে নেন।তার পর নতুন কার্ড করে দেন। এবিষয়ে ডিলার আবু সাঈদ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন,আমার এখানে ডিজিটাল পাল্লায় চাল ওজন করে ৩০ কেজি দেই।কম হওয়ার প্রশ্নই আসে না। বস্তা যারা চায় তাদের দেই।আর নতুন কার্ড নবায়ন করতে অফিসে খরচ লাগে তাই নেই। বদরগঞ্জ বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মিজান আলী বলেন, ৩০ কেজি চালের মধ্যে ডিলার ৩০ কেজি চাল দিবে।এখানে কম কেনো দিবে।নতুন কার্ড করতে টাকা নেওয়ার বিষয়ে মিজান আলী বলেন,নতুন কার্ড দিবে খাদ্য অধিদপ্তর। এখানে টাকা কেন নেবেন ডিলার।
তারপরও ভুক্তভোগীদের অভিযোগ পেলে বিষয়টি গুরত্বসহকারে দেখা হবে। বদরগঞ্জ উপজেলা খাদ্য কর্মকতা বিপ্লব কুমার সিং বলেন,চাল কম দেওয়া, বস্তাসহ চাল না দেওয়া,নুতন কার্ড করতে টাকা চাওয়া বিষয়গুলো আমি জানিনা।তবে ভুক্তভোগীরা লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে ডিলার বিরুদ্ধে ব্যবস্হা নেওয়া হবে।