নেপালে লা'শে'র পা'হা'ড়: ম'র্গে জায়গা নেই, ব্যবহার হচ্ছে ড্রা'ই আইস-বৈ'দ্যু'তি'ক শ্ম'শা'ন

আপলোড সময় : ২৯-০৮-২০২৬ ০১:৪১:৪৫ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ২৯-০৮-২০২৬ ০১:৪১:৪৫ অপরাহ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক
ভোটেকোশী নদীর প্রলয়ঙ্করী বন্যায় একের পর এক লাশ উদ্ধারের পর নেপালের হাসপাতাল ও মর্গগুলোতে উপচে পড়া ভিড় তৈরি হয়েছে। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) টাইমস অফ ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

 

পরিস্থিতি সামাল দিতে ও পচন রোধ করতে কর্তৃপক্ষ এয়ার কন্ডিশনার, তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রিত কক্ষ এবং ড্রাই আইসের ব্যবহার শুরু করছে, এমনকি প্রয়োজনে দেবঘাটের বৈদ্যুতিক শ্মশান ব্যবহারেরও পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। রসুয়া ও নুয়াকোট থেকে ভেসে আসা লাশ চিতওয়ান, তানাহুন এবং নওয়ালপরাসি পর্যন্ত পাওয়া যাচ্ছে। চিতওয়ানের ত্রিশূলী ও নারায়ণী নদী থেকে ১৩৭টি মরদেহ উদ্ধারের পর ভরতপুরে ২৫০টি লাশ ধারণক্ষমতার একটি অস্থায়ী সংরক্ষণ কেন্দ্র গড়ে তোলা হচ্ছে। বহু পরিবার স্বজনদের ছবি নিয়ে শনাক্তকরণের জন্য হাসপাতালগুলোতে ভিড় জমাচ্ছে।

 

পোখরাতেও তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। কাস্কি জেলার হাসপাতালগুলোর ধারণক্ষমতা ৮৮টি লাশের হলেও সেখানে তানাহুন, গোর্খা, নওয়ালপরাসি পূর্ব এবং ধাদিং থেকে ইতোমধ্যে ৯৩টি মরদেহ নেওয়া হয়েছে। কাস্কি জেলার প্রধান জেলা কর্মকর্তা কুমান সিং গুরুং জানিয়েছেন, তাদের সক্ষমতার চেয়ে বেশি লাশ চলে এসেছে এবং আরও লাশ এলে পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোতে পাঠানো হতে পারে।

 

পোখরা একাডেমি অব হেলথ সায়েন্সে লাশগুলো ২ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় রাখা হচ্ছে, যা সর্বোচ্চ ১০ দিন থেকে দুই সপ্তাহ পচন রোধ করতে পারে। দীর্ঘমেয়াদী সংরক্ষণের জন্য হিমাগার না থাকায় চিকিৎসকরা চিন্তিত। পরিচয় নিশ্চিত করতে পুলিশ লাশগুলোর ছবি, আঙুলের ছাপ ও ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করছে এবং ময়নাতদন্ত শেষ করছে।

 

স্থানীয়ভাবে সংরক্ষণের জায়গা না থাকায় গোর্খা, নওয়ালপরাসি পূর্ব ও ধাদিং থেকেও লাশ কাঠমান্ডু ও পোখরায় স্থানান্তর করা হচ্ছে। যেসব লাশ শনাক্ত করা সম্ভব হবে না, সেগুলোকে নির্দিষ্ট স্থানে নম্বর ও রেকর্ড রেখে দাফন করার পরিকল্পনা করেছে স্থানীয় প্রশাসন।

সম্পাদকীয় :

প্রকাশক ও সম্পাদক

মোঃ গোলাম মাওলা শাওন

মোবাইল : ০১৭১১-০০৬২১৪

অফিস :

প্রধান কার্যালয়


৩১/১ শরীফ কমপ্লেক্স ৬ষ্ট তলা পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০

মোবাইল : ০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০

ই-মেইল : banglaralonewsbd@gmail.com