নিজস্ব প্রতিবেদক:
বরিশালের বানারীপাড়ায় চিকিৎসকের অনিয়ম ও দুর্নীতির তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে হামলার শিকার এবং মারধর ও প্রাণনাশের হুমকির মুখে পড়ার অভিযোগে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইএনটি (ENT) বহির্বিভাগের মেডিকেল অফিসার ডা. হাফিজুর রহমান শাকিলের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বরিশাল বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী
জাতীয় ‘দৈনিক নিরপেক্ষ’ পত্রিকার বানারীপাড়া থানা প্রতিনিধি মো. আছিবুল ইসলাম বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন। মামলায় শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নাক-কান গলা ইএনটি (ENT) বহির্বিভাগের মেডিকেল অফিসার ডা. হাফিজুর রহমান শাকিলকে (৩৮) প্রধান আসামি এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১ জনকে আসামি করা হয়েছে। মামলায় দণ্ডবিধির ৩৪২, ৩২৩, ৫০৬(২) ও ১০৯ ধারায় অভিযোগ আনা হয়। মামলার আরজিসূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত চিকিৎসক ডা. হাফিজুর রহমান শাকিল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি বানারীপাড়ার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রধান ফটকের সামনে অবস্থিত ‘মডার্ন ডায়াগনস্টিক সেন্টার’ ও ‘হামিদ মেমোরিয়াল ডায়াগনস্টিক সেন্টার এন্ড হাসপাতাল’-এ নিয়মিত রোগী দেখেন এবং বিভিন্ন অস্ত্রোপচার (সার্জারি) ও অ্যানেস্থেসিয়া পরিচালনা করেন। তবে তাঁর সার্জারি ও
অ্যানেস্থেসিয়ার কোনো বৈধ সার্টিফিকেট নেই বলে অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া ডায়াগনস্টিক সেন্টারে বেনামে স্বজনদের শেয়ার রেখে এবং নির্দিষ্ট ফার্মেসি থেকে কমিশন গ্রহণের মাধ্যমে চিকিৎসাসেবার নামে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। এই অভিযোগের বিষয়ে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের লক্ষ্যে সাংবাদিক মো. আছিবুল ইসলাম গত ২৪ আগস্ট (রবিবার) রাত আনুমানিক ৯:১৫ ঘটিকার সময় বানারীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে অবস্থিত হামিদ মেমোরিয়াল হাসপাতালে গেলে সেখান থেকে একজন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি তাকে ডা. শাকিল মডার্ন ডায়াগনস্টিক সেন্টারের এক্স-রে রুমে আছে বলে এক্স-রে রুমের সামনে নিয়ে যান। আরজিতে উল্লেখ করা হয়, সেখানে পৌছানোর কয়েক মিনিটের মধ্যেই অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি একপর্যায়ে সাংবাদিককে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। এছাড়াও ক্লিনিক ও ডা. শাকিলের বিষয়ে পরবর্তীতে আবার কখনো তথ্য সংগ্রহে আসলে প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করেন। ঘটনার পর স্থানীয়ভাবে বিষয়টি নিষ্পত্তির চেষ্টা করা হলেও কোনো সুরাহা না হওয়ায় মামলা দায়ের করতে বিলম্ব হয়েছে বলে নালিশী দরখাস্তে উল্লেখ করা হয়েছে। ঘটনার সত্যতা প্রমাণের জন্য ঘটনাস্থলের সিসিটিভি (CCTV) ফুটেজ সংগ্রহের আর্জি জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে আদালত নালিশী দরখাস্তটি গ্রহণ করে আসামিদের বিরুদ্ধে
আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু করেছেন। এ অভিযোগ অস্বীকার করে ডাঃ হাফিজুর রহমান শাকিল বলেন ওই সাংবাদিকের সঙ্গে ফোনে কথা হলেও সরাসরি তার দেখা হয়নি। সে মামলা করে থাকলে আইনীভাবে মোকাবেলা করা হবে। রাহাদ সুমন,বারিশাল তারিখঃ ২৭-০৮-২০২৬ইং
বরিশালের বানারীপাড়ায় চিকিৎসকের অনিয়ম ও দুর্নীতির তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে হামলার শিকার এবং মারধর ও প্রাণনাশের হুমকির মুখে পড়ার অভিযোগে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইএনটি (ENT) বহির্বিভাগের মেডিকেল অফিসার ডা. হাফিজুর রহমান শাকিলের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বরিশাল বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী
জাতীয় ‘দৈনিক নিরপেক্ষ’ পত্রিকার বানারীপাড়া থানা প্রতিনিধি মো. আছিবুল ইসলাম বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন। মামলায় শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নাক-কান গলা ইএনটি (ENT) বহির্বিভাগের মেডিকেল অফিসার ডা. হাফিজুর রহমান শাকিলকে (৩৮) প্রধান আসামি এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১ জনকে আসামি করা হয়েছে। মামলায় দণ্ডবিধির ৩৪২, ৩২৩, ৫০৬(২) ও ১০৯ ধারায় অভিযোগ আনা হয়। মামলার আরজিসূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত চিকিৎসক ডা. হাফিজুর রহমান শাকিল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি বানারীপাড়ার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রধান ফটকের সামনে অবস্থিত ‘মডার্ন ডায়াগনস্টিক সেন্টার’ ও ‘হামিদ মেমোরিয়াল ডায়াগনস্টিক সেন্টার এন্ড হাসপাতাল’-এ নিয়মিত রোগী দেখেন এবং বিভিন্ন অস্ত্রোপচার (সার্জারি) ও অ্যানেস্থেসিয়া পরিচালনা করেন। তবে তাঁর সার্জারি ও
অ্যানেস্থেসিয়ার কোনো বৈধ সার্টিফিকেট নেই বলে অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া ডায়াগনস্টিক সেন্টারে বেনামে স্বজনদের শেয়ার রেখে এবং নির্দিষ্ট ফার্মেসি থেকে কমিশন গ্রহণের মাধ্যমে চিকিৎসাসেবার নামে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। এই অভিযোগের বিষয়ে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের লক্ষ্যে সাংবাদিক মো. আছিবুল ইসলাম গত ২৪ আগস্ট (রবিবার) রাত আনুমানিক ৯:১৫ ঘটিকার সময় বানারীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে অবস্থিত হামিদ মেমোরিয়াল হাসপাতালে গেলে সেখান থেকে একজন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি তাকে ডা. শাকিল মডার্ন ডায়াগনস্টিক সেন্টারের এক্স-রে রুমে আছে বলে এক্স-রে রুমের সামনে নিয়ে যান। আরজিতে উল্লেখ করা হয়, সেখানে পৌছানোর কয়েক মিনিটের মধ্যেই অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি একপর্যায়ে সাংবাদিককে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। এছাড়াও ক্লিনিক ও ডা. শাকিলের বিষয়ে পরবর্তীতে আবার কখনো তথ্য সংগ্রহে আসলে প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করেন। ঘটনার পর স্থানীয়ভাবে বিষয়টি নিষ্পত্তির চেষ্টা করা হলেও কোনো সুরাহা না হওয়ায় মামলা দায়ের করতে বিলম্ব হয়েছে বলে নালিশী দরখাস্তে উল্লেখ করা হয়েছে। ঘটনার সত্যতা প্রমাণের জন্য ঘটনাস্থলের সিসিটিভি (CCTV) ফুটেজ সংগ্রহের আর্জি জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে আদালত নালিশী দরখাস্তটি গ্রহণ করে আসামিদের বিরুদ্ধে
আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু করেছেন। এ অভিযোগ অস্বীকার করে ডাঃ হাফিজুর রহমান শাকিল বলেন ওই সাংবাদিকের সঙ্গে ফোনে কথা হলেও সরাসরি তার দেখা হয়নি। সে মামলা করে থাকলে আইনীভাবে মোকাবেলা করা হবে। রাহাদ সুমন,বারিশাল তারিখঃ ২৭-০৮-২০২৬ইং