কালীগঞ্জ (গাজীপুর) প্রতিনিধি
ক্রেতার হাতে মাংস তুলে দেওয়ার আগে বিক্রেতাকে মানতে হয় বেশ কিছু আইন ও বিধি। সেই নিয়মের ব্যত্যয়ের অভিযোগে গাজীপুরের কালীগঞ্জের দোলান বাজারে দুই ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
অভিযানে তাদের কাছ থেকে আদায় করা হয়েছে মোট ২০ হাজার টাকা জরিমানা। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সকালে উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের দোলান বাজারে অভিযান পরিচালনা করেন কালীগঞ্জের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আল-আমিন হালদার। অভিযান চলাকালে মাংস বিক্রির ক্ষেত্রে আইনগত অনিয়মের অভিযোগে পশু জবাই ও মাংসের মান নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১১-এর ২৪ ধারায় পৃথক দুটি মামলা করা হয়। পরে আদালত দুই মামলায় ১০ হাজার টাকা করে মোট ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেন। জরিমানাপ্রাপ্ত দুই ব্যবসায়ী হলেন দোলান বাজারের ইব্রাহিম খলিলুল্লাহর ছেলে ইকবাল সরকার (৩০) ও আমির উদ্দিনের ছেলে আজিজুল ইসলাম (৪৪)। প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। অভিযানে কোনো ব্যবসায়ীকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়নি। এ সময় প্রসিকিউটরের দায়িত্ব পালন করেন
কালীগঞ্জ উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. মাহমুদুল হাসান। বেঞ্চ সহকারী হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন মাহবুবুল ইসলাম। ভ্রাম্যমাণ
আদালতের বিচারক আল-আমিন হালদার বলেন, মাংস বিক্রির ক্ষেত্রে আইন মানার পাশাপাশি জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়টিও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিরাপদ ও মানসম্মত মাংস নিশ্চিত করতে নিয়মিতভাবে এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করা হবে।
ক্রেতার হাতে মাংস তুলে দেওয়ার আগে বিক্রেতাকে মানতে হয় বেশ কিছু আইন ও বিধি। সেই নিয়মের ব্যত্যয়ের অভিযোগে গাজীপুরের কালীগঞ্জের দোলান বাজারে দুই ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
অভিযানে তাদের কাছ থেকে আদায় করা হয়েছে মোট ২০ হাজার টাকা জরিমানা। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সকালে উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের দোলান বাজারে অভিযান পরিচালনা করেন কালীগঞ্জের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আল-আমিন হালদার। অভিযান চলাকালে মাংস বিক্রির ক্ষেত্রে আইনগত অনিয়মের অভিযোগে পশু জবাই ও মাংসের মান নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১১-এর ২৪ ধারায় পৃথক দুটি মামলা করা হয়। পরে আদালত দুই মামলায় ১০ হাজার টাকা করে মোট ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেন। জরিমানাপ্রাপ্ত দুই ব্যবসায়ী হলেন দোলান বাজারের ইব্রাহিম খলিলুল্লাহর ছেলে ইকবাল সরকার (৩০) ও আমির উদ্দিনের ছেলে আজিজুল ইসলাম (৪৪)। প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। অভিযানে কোনো ব্যবসায়ীকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়নি। এ সময় প্রসিকিউটরের দায়িত্ব পালন করেন
কালীগঞ্জ উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. মাহমুদুল হাসান। বেঞ্চ সহকারী হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন মাহবুবুল ইসলাম। ভ্রাম্যমাণ
আদালতের বিচারক আল-আমিন হালদার বলেন, মাংস বিক্রির ক্ষেত্রে আইন মানার পাশাপাশি জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়টিও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিরাপদ ও মানসম্মত মাংস নিশ্চিত করতে নিয়মিতভাবে এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করা হবে।