মোঃ অপু খান চৌধুরী।।
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় স্থানীয়দের হাতে ধরা পড়েছে একাধিক মামলার আসামি ও অপরাধ জগতের পরিচিত মুখ মো. লোকমান হোসেন খাঁন (৪০)। শনিবার (২২ আগস্ট) রাত পৌনে ১০টার দিকে উপজেলার চান্দলা ইউনিয়নের দক্ষিণ
চান্দলা এলাকার টানা ব্রিজ এলাকা থেকে তাকে আটক করে স্থানীয় জনতা। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে হেফাজতে নেয়। আটক লোকমান হোসেন দক্ষিণ চান্দলা (রামচন্দ্রপুর) এলাকার মৃত জামাল আহম্মেদ খাঁনের ছেলে। তিনি চান্দলা ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, লোকমান এলাকায় আধিপত্য বিস্তার, মাদক কারবার এবং ড্রেজার ব্যবসার একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ চালিয়ে আসছিলেন। তার ভয়ে এতদিন এলাকার সাধারণ মানুষ মুখ খুলতে সাহস পেত না। শনিবার রাতে তিনি টানা ব্রিজ এলাকায় এলে স্থানীয় বাসিন্দারা তাকে ঘেরাও করে আটক করে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আটক লোকমানের বিরুদ্ধে কুমিল্লা ও রাজধানীর খিলগাঁও থানাসহ বিভিন্ন থানায় অন্তত ১১টি মামলা রয়েছে।
এর মধ্যে ডাকাতির প্রস্তুতি, অস্ত্র মামলা, চুরি, চাঁদাবাজি, নারী ও শিশু নির্যাতন, মাদক এবং সরকারি কাজে বাধা প্রদান ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ রয়েছে। মামলাগুলোর বিচার কার্যক্রম বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন। লোকমানের বিরুদ্ধে উল্লেখযোগ্য মামলাসমূহ: অস্ত্র ও হামলা সংক্রান্ত: অস্ত্র আইনের (১৮৭৮) অধীনে ব্রাহ্মণপাড়া থানায় ১টি এবং সরকারি কর্মচারীদের ওপর হামলা ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে পেনাল কোডের বিভিন্ন ধারায় ৩টি মামলা। ডাকাতি ও চুরি: ডাকাতির প্রস্তুতি এবং চুরির অভিযোগে ব্রাহ্মণপাড়া থানায় ৩টি মামলা। মাদক ও চাঁদাবাজি: মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ও চাঁদাবাজির অভিযোগে ব্রাহ্মণপাড়া থানায় ২টি মামলা। নারী নির্যাতন ও অপহরণ: রাজধানীর খিলগাঁও থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনসহ পেনাল কোডের ধারায় ১টি মামলা।
অন্যান্য: এ ছাড়া কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় ১টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করে ব্রাহ্মণপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. ফারুক হোসেন জানান, লোকমান হোসেনের বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অপরাধের মামলা রয়েছে। এলাকাবাসী তাকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে। তার বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় স্থানীয়দের হাতে ধরা পড়েছে একাধিক মামলার আসামি ও অপরাধ জগতের পরিচিত মুখ মো. লোকমান হোসেন খাঁন (৪০)। শনিবার (২২ আগস্ট) রাত পৌনে ১০টার দিকে উপজেলার চান্দলা ইউনিয়নের দক্ষিণ
চান্দলা এলাকার টানা ব্রিজ এলাকা থেকে তাকে আটক করে স্থানীয় জনতা। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে হেফাজতে নেয়। আটক লোকমান হোসেন দক্ষিণ চান্দলা (রামচন্দ্রপুর) এলাকার মৃত জামাল আহম্মেদ খাঁনের ছেলে। তিনি চান্দলা ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, লোকমান এলাকায় আধিপত্য বিস্তার, মাদক কারবার এবং ড্রেজার ব্যবসার একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ চালিয়ে আসছিলেন। তার ভয়ে এতদিন এলাকার সাধারণ মানুষ মুখ খুলতে সাহস পেত না। শনিবার রাতে তিনি টানা ব্রিজ এলাকায় এলে স্থানীয় বাসিন্দারা তাকে ঘেরাও করে আটক করে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আটক লোকমানের বিরুদ্ধে কুমিল্লা ও রাজধানীর খিলগাঁও থানাসহ বিভিন্ন থানায় অন্তত ১১টি মামলা রয়েছে।
এর মধ্যে ডাকাতির প্রস্তুতি, অস্ত্র মামলা, চুরি, চাঁদাবাজি, নারী ও শিশু নির্যাতন, মাদক এবং সরকারি কাজে বাধা প্রদান ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ রয়েছে। মামলাগুলোর বিচার কার্যক্রম বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন। লোকমানের বিরুদ্ধে উল্লেখযোগ্য মামলাসমূহ: অস্ত্র ও হামলা সংক্রান্ত: অস্ত্র আইনের (১৮৭৮) অধীনে ব্রাহ্মণপাড়া থানায় ১টি এবং সরকারি কর্মচারীদের ওপর হামলা ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে পেনাল কোডের বিভিন্ন ধারায় ৩টি মামলা। ডাকাতি ও চুরি: ডাকাতির প্রস্তুতি এবং চুরির অভিযোগে ব্রাহ্মণপাড়া থানায় ৩টি মামলা। মাদক ও চাঁদাবাজি: মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ও চাঁদাবাজির অভিযোগে ব্রাহ্মণপাড়া থানায় ২টি মামলা। নারী নির্যাতন ও অপহরণ: রাজধানীর খিলগাঁও থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনসহ পেনাল কোডের ধারায় ১টি মামলা।
অন্যান্য: এ ছাড়া কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় ১টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করে ব্রাহ্মণপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. ফারুক হোসেন জানান, লোকমান হোসেনের বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অপরাধের মামলা রয়েছে। এলাকাবাসী তাকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে। তার বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।