অপহরণ-ধ'র্ষণ মা'মলায় ১১ মাস পর সহযোগী গ্রে'প্তার, কিশোরী উ'দ্ধার

আপলোড সময় : ২৩-০৮-২০২৬ ০৬:৩৫:২৭ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ২৩-০৮-২০২৬ ০৮:৪০:৩৬ অপরাহ্ন
স্টাফ রিপোর্টারঃ



নেত্রকোণার কেন্দুয়ায় স্কুলছাত্রীকে অপহরণের পর ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় জনি মিয়া (১৮) নামে এক সহযোগীকে প্রায় ১১ মাস পর গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব-১। একই অভিযানে অপহৃত কিশোরীকেও উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার (২৩ আগস্ট) বিষয়টি নিশ্চিত করেন কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ তরিকুল ইসলাম। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী। প্রধান আসামি রনি (২২) তাকে বিয়ের প্রস্তাব দিলে নাবালিকা হওয়ায় পরিবার তা প্রত্যাখ্যান করে।


পরে রনি ও তার সহযোগীরা তাকে অপহরণের পরিকল্পনা করে। গত বছরের ১০ সেপ্টেম্বর কোচিংয়ে যাওয়ার পথে তাকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে অজ্ঞাত স্থানে আটকে রাখার পর ধর্ষণ করা হয় বলে এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর ভাই বাদী হয়ে কেন্দুয়া থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। মামলার পর থেকেই র‍্যাব আসামিদের গ্রেপ্তারে


নজরদারি চালিয়ে আসছিল। এর ধারাবাহিকতায় শনিবার (২২ আগস্ট) রাত ৯টার দিকে ঢাকার ভাটারা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ধর্ষণে সহযোগিতার অভিযোগে জনি মিয়াকে গ্রেপ্তার এবং কিশোরীকে উদ্ধার করে র‍্যাব-১-এর সদর কোম্পানি, উত্তরা। গ্রেপ্তার জনি মিয়া কেন্দুয়ার চিথোলিয়া গ্রামের মৃত মজিবুর রহমানের ছেলে। এ মামলায় এর আগে শামীম ও ঝর্ণা নামে আরও দুজন গ্রেপ্তার হয়েছেন। তবে প্রধান আসামি রনি ও অপর আসামি রানা পলাতক রয়েছেন। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।


কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ তরিকুল ইসলাম বলেন, র‍্যাব এর সহযোগীতায় আসামি গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার জনিকে আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। মাজহারুল ইসলাম উজ্জ্বল নেত্রকোণা

সম্পাদকীয় :

প্রকাশক ও সম্পাদক

মোঃ গোলাম মাওলা শাওন

মোবাইল : ০১৭১১-০০৬২১৪

অফিস :

প্রধান কার্যালয়


৩১/১ শরীফ কমপ্লেক্স ৬ষ্ট তলা পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০

মোবাইল : ০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০

ই-মেইল : banglaralonewsbd@gmail.com