স্টাফ রিপোর্টারঃ
নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলার মাসকা ইউনিয়নের রায়পুর পাছপাড়া এলাকায় রাতের আঁধারে শত শত মানুষের চলাচলের একটি রাস্তা কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। এতে কৃষক, শিক্ষার্থীসহ স্থানীয় বাসিন্দাদের চলাচলে দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে এ অভিযোগের বিষয়টি জানা যায়। স্থানীয়রা
এলাকাবাসীষ্ট জানান, প্রায় দেড় বছর আগে গ্রামবাসীর সম্মিলিত উদ্যোগে রায়পুর জিপিএস থেকে চুচিয়া বিল পর্যন্ত রাস্তাটি তৈরি করা হয়। পরে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে কাবিখা প্রকল্পের আওতায় সরকারি বরাদ্দের ২ লাখ ২০ হাজার টাকা ব্যয়ে রাস্তাটির উন্নয়ন করা হয়। ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সোহেল চৌধুরী বলেন, বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। তিনি রাস্তা কাটার ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান এবং সেইসাথে যথাযথ কতৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেন। কেন্দুয়া পৌর বিএনপির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক ও উক্ত এলাকার বাসিন্দা মোঃ মোজাম্মেল হক রনি বলেন, প্রথমে স্বেচ্ছাশ্রমে ও পরে সরকারি বরাদ্দ অর্থে রাস্তাটি তৈরি করা হয়েছিলো । বর্তমানে যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক রাস্তাটি পাকাকরণের আশ্বাস দেয়া হয়েছে৷
রাস্তাটি কেটে ফেলায় ভোগান্তিতে পড়েেছে এলাকার বহু পরিবার। তদন্ত স্বাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার জন্য মিডিয়া কর্মীদের মাধ্যমে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি। তবে রাস্তা কাটার অভিযোগ অস্বীকার করে মোঃ শরীফ হাসান ভূঞা বলেন, তাঁদের ব্যক্তিমালিকানাধীন জমির ওপর সাময়িক চলাচলের জন্য রাস্তাটি তৈরি করা হয়েছিল। পাশের সরকারি হালট একসময় ব্যক্তি দখলে থাকায় সাময়িকভাবে ওই পথ দিয়ে চলাচলের সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। সম্প্রতি হালট উদ্ধার হওয়ায় এলাকার
লোকজনকে সঙ্গে নিয়ে দিনের বেলায় রাস্তাটি কাটা হয়েছে। তাঁর দাবি, কাটা রাস্তাটির কোনো আইডি নম্বর নেই এবং এটি সম্পূর্ণ ব্যক্তিমালিকানাধীন জায়গা। স্থানীয় ইউপি সদস্য বাবুল চৌধুরী বলেন, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে কাবিখার মাধ্যমে ২ লাখ ২০ হাজার টাকা সরকারি বরাদ্দে রাস্তাটি নির্মাণ করা হয়েছিল। অথচ এভাবে রাস্তাটি কেটে ফেলা হয়েছে। তাঁকে পর্যন্ত বিষয়টি জানানো হয়নি। ফলে এলাকাবাসীর দুর্ভোগ বেড়েছে। এ বিষয়ে কেন্দুয়া থানার ওসি (তদন্ত) স্বজল সরকার মুঠোফোনে বলেন, বিষয়টি তাঁর জানা নেই। খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার
নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলার মাসকা ইউনিয়নের রায়পুর পাছপাড়া এলাকায় রাতের আঁধারে শত শত মানুষের চলাচলের একটি রাস্তা কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। এতে কৃষক, শিক্ষার্থীসহ স্থানীয় বাসিন্দাদের চলাচলে দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে এ অভিযোগের বিষয়টি জানা যায়। স্থানীয়রা
এলাকাবাসীষ্ট জানান, প্রায় দেড় বছর আগে গ্রামবাসীর সম্মিলিত উদ্যোগে রায়পুর জিপিএস থেকে চুচিয়া বিল পর্যন্ত রাস্তাটি তৈরি করা হয়। পরে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে কাবিখা প্রকল্পের আওতায় সরকারি বরাদ্দের ২ লাখ ২০ হাজার টাকা ব্যয়ে রাস্তাটির উন্নয়ন করা হয়। ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সোহেল চৌধুরী বলেন, বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। তিনি রাস্তা কাটার ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান এবং সেইসাথে যথাযথ কতৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেন। কেন্দুয়া পৌর বিএনপির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক ও উক্ত এলাকার বাসিন্দা মোঃ মোজাম্মেল হক রনি বলেন, প্রথমে স্বেচ্ছাশ্রমে ও পরে সরকারি বরাদ্দ অর্থে রাস্তাটি তৈরি করা হয়েছিলো । বর্তমানে যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক রাস্তাটি পাকাকরণের আশ্বাস দেয়া হয়েছে৷
রাস্তাটি কেটে ফেলায় ভোগান্তিতে পড়েেছে এলাকার বহু পরিবার। তদন্ত স্বাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার জন্য মিডিয়া কর্মীদের মাধ্যমে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি। তবে রাস্তা কাটার অভিযোগ অস্বীকার করে মোঃ শরীফ হাসান ভূঞা বলেন, তাঁদের ব্যক্তিমালিকানাধীন জমির ওপর সাময়িক চলাচলের জন্য রাস্তাটি তৈরি করা হয়েছিল। পাশের সরকারি হালট একসময় ব্যক্তি দখলে থাকায় সাময়িকভাবে ওই পথ দিয়ে চলাচলের সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। সম্প্রতি হালট উদ্ধার হওয়ায় এলাকার
লোকজনকে সঙ্গে নিয়ে দিনের বেলায় রাস্তাটি কাটা হয়েছে। তাঁর দাবি, কাটা রাস্তাটির কোনো আইডি নম্বর নেই এবং এটি সম্পূর্ণ ব্যক্তিমালিকানাধীন জায়গা। স্থানীয় ইউপি সদস্য বাবুল চৌধুরী বলেন, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে কাবিখার মাধ্যমে ২ লাখ ২০ হাজার টাকা সরকারি বরাদ্দে রাস্তাটি নির্মাণ করা হয়েছিল। অথচ এভাবে রাস্তাটি কেটে ফেলা হয়েছে। তাঁকে পর্যন্ত বিষয়টি জানানো হয়নি। ফলে এলাকাবাসীর দুর্ভোগ বেড়েছে। এ বিষয়ে কেন্দুয়া থানার ওসি (তদন্ত) স্বজল সরকার মুঠোফোনে বলেন, বিষয়টি তাঁর জানা নেই। খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার