আনোয়ার সাঈদ তিতু, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:-
কুড়িগ্রাম জেলার রাজারহাট উপজেলার ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউনিয়নের গতিয়াশাম গ্রামে একটি কালভার্ট নির্মাণের জন্য প্রায় সাড়ে ১৯ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। তবে প্রকল্পের কাজ শুরুর দুই বছর পেরিয়ে গেলেও কালভার্টটির নির্মাণকাজ শুরু হয়নি। এর মধ্যে পুরোনো কালভার্টটি ভেঙে ফেলায় স্থানীয় বাসিন্দাদের চলাচলের ভরসা এখন বাঁশের সাঁকো। কালভার্টটি নির্মিত হলে গতিয়াশাম গ্রামের সঙ্গে আশপাশের আরও চার গ্রামের যোগাযোগ সহজ হতো।
কিন্তু কাজ আটকে থাকায় পাঁচ গ্রামের প্রায় ছয় হাজার মানুষ এবং তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রায় ৬০০ শিক্ষার্থী দুর্ভোগে পড়েছেন। কুড়িগ্রাম জেলার রাজারহাট উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কার্যালয় সূত্র জানায়, গতিয়াশাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় ১০০ মিটার দক্ষিণে ৪ দশমিক ২৬ মিটার দীর্ঘ আরসিসি কালভার্ট নির্মাণে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ১৯ লাখ ৪৩ হাজার ৭৭০ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। সূত্র আরও জানায়, ২০২৪ সালের ১৮ মার্চ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের একটি প্রকল্পের আওতায় রাজারহাট উপজেলায় নয়টি সেতু ও কালভার্ট নির্মাণের জন্য দরপত্র আহ্বান করা হয়। পরে ঠিকাদার নূর আলম মিয়ার সঙ্গে দুই কোটি দুই লাখ ২৩ হাজার ৩৩৮ টাকার চুক্তি হয়। প্রকল্পের কাজ শুরু হয় ওই বছরের ১৪ মে। তবে নয়টি সেতু ও কালভার্টের মধ্যে অন্যগুলোর কাজ এগোলেও গতিয়াশামের কালভার্টটির নির্মাণকাজ শুরু হয়নি। রাজারহাট উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ
আসাদুজ্জামান বলেন, প্রকল্পের নয়টি সেতু-কালভার্টের জন্য এ পর্যন্ত এক কোটি ৮২ লাখ ৮০ হাজার ১০০ টাকা অর্থ ছাড় হয়েছে। স্থানীয়দের ভাষ্য, প্রায় দেড় বছর আগে পুরোনো কালভার্টটি ভেঙে ফেলা হয়। এরপর নতুন কালভার্ট নির্মাণের কাজ আর এগোয়নি। ঠিকাদারের পক্ষ থেকে বিকল্প সড়ক বা সাঁকো করে দেওয়ার কথা থাকলেও তা করা হয়নি। পরে স্থানীয়রা নিজেদের উদ্যোগে বাঁশের সাঁকো তৈরি করেন। এই বাঁশের সাঁকো দিয়েই গতিয়াশাম, চর গতিয়াশাম, নীরব বাজার ও নকীর পুল এলাকায় যাতায়াতের একমাত্র পথ হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। কুড়িগ্রাম জেলার রাজারহাট উপজেলার ঘরিয়ালডাঙ্গা ইউনিয়নের গতিয়াশামের স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ আমিনুল ইসলাম বলেন, এটি আমাদের চলাচলের একমাত্র পথ। রাস্তার ওপারে আমাদের জমি। জমিতে যেতে হলে এই পথ ব্যবহার করতে হয়। কালভার্ট না থাকায় খুব কষ্ট হচ্ছে। আরেক স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ আজিজুল ইসলাম বলেন, প্রতিদিন পাঁচ গ্রামের মানুষ এই পথ দিয়ে চলাচল করেন। তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরাও এই পথ ব্যবহার করে। বাঁশের সাঁকো পার হতে গিয়ে শিশু ও বয়স্কদের ঝুঁকি নিতে হচ্ছে। স্থানীয় দিনমজুর মোঃ আলম মিয়া ও মোঃ ফজলু মিয়া বলেন, কালভার্ট না থাকায় ভ্যান চলাচল করতে পারে না। অন্য পথ দিয়ে ঘুরে যেতে হয়। এতে সময় ও খরচ দুটোই বাড়ছে।
ওই এলাকার মোঃ শাহজালাল মিয়া বলেন, তাঁর এক ভাতিজা সাঁকো দিয়ে পার হওয়ার সময় পানিতে পড়ে গিয়েছিল। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করেন। শিক্ষার্থী মোঃ মাছুম বিল্লা জানায়, দেড় বছর ধরে তারা ঝুঁকি নিয়ে বাঁশের সাঁকো পার হয়ে বিদ্যালয় ও মাদরাসায় যাচ্ছে। বর্ষার সময় পানি বাড়লে ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়। ঠিকাদার মোঃ নূর আলম বলেন, ওই এলাকায় বিদ্যুৎ সমস্যা, বৃষ্টি ও বন্যার কারণে কাজ শুরু করতে দেরি হয়েছে। চলতি বছরের নভেম্বরের মধ্যে কালভার্টটির কাজ শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে। রাজারহাট উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মোঃ আসাদুজ্জামান বলেন, ঠিকাদারকে তাগিদ দেওয়া হয়েছে। দ্রুত কাজটি শেষ করার চেষ্টা করছি।
কুড়িগ্রাম জেলার রাজারহাট উপজেলার ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউনিয়নের গতিয়াশাম গ্রামে একটি কালভার্ট নির্মাণের জন্য প্রায় সাড়ে ১৯ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। তবে প্রকল্পের কাজ শুরুর দুই বছর পেরিয়ে গেলেও কালভার্টটির নির্মাণকাজ শুরু হয়নি। এর মধ্যে পুরোনো কালভার্টটি ভেঙে ফেলায় স্থানীয় বাসিন্দাদের চলাচলের ভরসা এখন বাঁশের সাঁকো। কালভার্টটি নির্মিত হলে গতিয়াশাম গ্রামের সঙ্গে আশপাশের আরও চার গ্রামের যোগাযোগ সহজ হতো।
কিন্তু কাজ আটকে থাকায় পাঁচ গ্রামের প্রায় ছয় হাজার মানুষ এবং তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রায় ৬০০ শিক্ষার্থী দুর্ভোগে পড়েছেন। কুড়িগ্রাম জেলার রাজারহাট উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কার্যালয় সূত্র জানায়, গতিয়াশাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় ১০০ মিটার দক্ষিণে ৪ দশমিক ২৬ মিটার দীর্ঘ আরসিসি কালভার্ট নির্মাণে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ১৯ লাখ ৪৩ হাজার ৭৭০ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। সূত্র আরও জানায়, ২০২৪ সালের ১৮ মার্চ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের একটি প্রকল্পের আওতায় রাজারহাট উপজেলায় নয়টি সেতু ও কালভার্ট নির্মাণের জন্য দরপত্র আহ্বান করা হয়। পরে ঠিকাদার নূর আলম মিয়ার সঙ্গে দুই কোটি দুই লাখ ২৩ হাজার ৩৩৮ টাকার চুক্তি হয়। প্রকল্পের কাজ শুরু হয় ওই বছরের ১৪ মে। তবে নয়টি সেতু ও কালভার্টের মধ্যে অন্যগুলোর কাজ এগোলেও গতিয়াশামের কালভার্টটির নির্মাণকাজ শুরু হয়নি। রাজারহাট উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ
আসাদুজ্জামান বলেন, প্রকল্পের নয়টি সেতু-কালভার্টের জন্য এ পর্যন্ত এক কোটি ৮২ লাখ ৮০ হাজার ১০০ টাকা অর্থ ছাড় হয়েছে। স্থানীয়দের ভাষ্য, প্রায় দেড় বছর আগে পুরোনো কালভার্টটি ভেঙে ফেলা হয়। এরপর নতুন কালভার্ট নির্মাণের কাজ আর এগোয়নি। ঠিকাদারের পক্ষ থেকে বিকল্প সড়ক বা সাঁকো করে দেওয়ার কথা থাকলেও তা করা হয়নি। পরে স্থানীয়রা নিজেদের উদ্যোগে বাঁশের সাঁকো তৈরি করেন। এই বাঁশের সাঁকো দিয়েই গতিয়াশাম, চর গতিয়াশাম, নীরব বাজার ও নকীর পুল এলাকায় যাতায়াতের একমাত্র পথ হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। কুড়িগ্রাম জেলার রাজারহাট উপজেলার ঘরিয়ালডাঙ্গা ইউনিয়নের গতিয়াশামের স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ আমিনুল ইসলাম বলেন, এটি আমাদের চলাচলের একমাত্র পথ। রাস্তার ওপারে আমাদের জমি। জমিতে যেতে হলে এই পথ ব্যবহার করতে হয়। কালভার্ট না থাকায় খুব কষ্ট হচ্ছে। আরেক স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ আজিজুল ইসলাম বলেন, প্রতিদিন পাঁচ গ্রামের মানুষ এই পথ দিয়ে চলাচল করেন। তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরাও এই পথ ব্যবহার করে। বাঁশের সাঁকো পার হতে গিয়ে শিশু ও বয়স্কদের ঝুঁকি নিতে হচ্ছে। স্থানীয় দিনমজুর মোঃ আলম মিয়া ও মোঃ ফজলু মিয়া বলেন, কালভার্ট না থাকায় ভ্যান চলাচল করতে পারে না। অন্য পথ দিয়ে ঘুরে যেতে হয়। এতে সময় ও খরচ দুটোই বাড়ছে।
ওই এলাকার মোঃ শাহজালাল মিয়া বলেন, তাঁর এক ভাতিজা সাঁকো দিয়ে পার হওয়ার সময় পানিতে পড়ে গিয়েছিল। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করেন। শিক্ষার্থী মোঃ মাছুম বিল্লা জানায়, দেড় বছর ধরে তারা ঝুঁকি নিয়ে বাঁশের সাঁকো পার হয়ে বিদ্যালয় ও মাদরাসায় যাচ্ছে। বর্ষার সময় পানি বাড়লে ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়। ঠিকাদার মোঃ নূর আলম বলেন, ওই এলাকায় বিদ্যুৎ সমস্যা, বৃষ্টি ও বন্যার কারণে কাজ শুরু করতে দেরি হয়েছে। চলতি বছরের নভেম্বরের মধ্যে কালভার্টটির কাজ শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে। রাজারহাট উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মোঃ আসাদুজ্জামান বলেন, ঠিকাদারকে তাগিদ দেওয়া হয়েছে। দ্রুত কাজটি শেষ করার চেষ্টা করছি।