মোঃ আকতারুল ইসলাম আক্তার, ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি:
ঠাকুরগাঁওয়ে মাদক, অস্ত্র, ডাকাতি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক অভিযান চালিয়ে উল্লেখযোগ্য সাফল্য পেয়েছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ। জেলা পুলিশ সুপার মোঃ বেলাল হোসেনের দিকনির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে এবং ডিবি পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এটিএম গোলাম রসুলের নেতৃত্বে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত এসব অভিযান পরিচালিত হয়।
ডিবি পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এ সময়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ৪৮টি মামলা দায়ের করে ৫৫ জন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদক ও অস্ত্র উদ্ধারের পাশাপাশি শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী, সন্ত্রাসী ও আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের সদস্যদের আইনের আওতায় আনা হয়েছে। অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার বালিয়াডাঙ্গী থানাধীন বালিয়া পুকুর গ্রামের একটি কবরস্থান থেকে অভিযান চালিয়ে একটি বিদেশি ৭ এমএম পিস্তল, একটি ৭.৬৫ পিস্তল, চারটি ম্যাগাজিন ও ১৭ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করে ডিবি পুলিশ। অস্ত্র উদ্ধারের এ অভিযান জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডিবির গোয়েন্দা তৎপরতার গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার ডিবির ধারাবাহিক অভিযানে ২৭ বোতল বিদেশি মদ, ৫০ বোতল ফেনসিডিল, ১ হাজার ৮০০ পিস ইয়াবা, ৩০০ পিস ট্যাপেনটাডল ও ১ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে।
একই সঙ্গে মাদক বিক্রির ১ লাখ ৩২ হাজার টাকা জব্দ করা হয়। এছাড়া ক্যাসিনো-সংক্রান্ত অভিযানে ১৫টি মোবাইল ফোন ও ৮৯টি সিম এবং ২৮৪ লিটার পেট্রোল উদ্ধার করা হয়েছে। প্রত্নসম্পদও উদ্ধার অভিযানের সময় গোপাল ঠাকুরের ছয়টি মূর্তি, পাঁচটি সাদা রঙের কয়েন ও একটি পিতলের কলস উদ্ধার করা হয়। তিন শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ডিবির অভিযানে জেলার তিন শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তারা হলেন—বালিয়াডাঙ্গীর মো. মোজাম্মেল হক ওরফে মোজাম (৪৯), পীরগঞ্জের মো. ফারুক হোসেন (৪২) এবং পীরগঞ্জের মো. মোস্তফা আলী ওরফে আকাশ আহম্মেদ (৩৫)। ডিবির তথ্য অনুযায়ী, মোজাম্মেলের বিরুদ্ধে ৩২টি, ফারুক হোসেনের বিরুদ্ধে ৩০টি এবং মোস্তফা আলী ওরফে আকাশের বিরুদ্ধে ২৭টি মামলা রয়েছে। আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের সদস্য গ্রেফতার অভিযানে একটি আন্তঃজেলা সংঘবদ্ধ ডাকাত চক্রের চার সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ডিবির দাবি, এই অভিযানের ফলে ঠাকুরগাঁওয়ে ডাকাতি প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হয়েছে। শীর্ষ সন্ত্রাসী মেরীল সুমন গ্রেফতার এ সময় শীর্ষ সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত মেরীল সুমনকেও গ্রেফতার করা হয়। ডিবির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, রংপুর থেকে ঠাকুরগাঁওয়ে এসে গোপন স্থানে অবস্থান করে নির্বাচনী নাশকতা সৃষ্টি করতে পারে—এমন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাকে গ্রেফতার করা হয়। বিকট শব্দের মোটরসাইকেলের বিরুদ্ধেও অভিযান ঠাকুরগাঁও সদর থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে বিকট শব্দ সৃষ্টিকারী দুটি মোটরসাইকেল আটক করা হয়। পরে ট্রাফিক সার্জেন্টের সহায়তায় একটিকে ৩২ হাজার টাকা এবং অপরটিকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। মাদকসেবীদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা সদর থানা এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে মাদকসেবীদের গ্রেফতার করা হয়। পরে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে এক নারীকে তিন মাস এবং এক পুরুষকে দুই মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। গোয়েন্দা তৎপরতায় প্রশংসিত ওসি গোলাম রসুল ঠাকুরগাঁও ডিবির ধারাবাহিক সাফল্যের পেছনে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, অপরাধীদের ওপর নিয়মিত নজরদারি, দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং মাঠপর্যায়ে কার্যকর অভিযান পরিচালনাকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। দায়িত্বশীলতা, পেশাদারিত্ব ও সাহসিকতার সঙ্গে অপরাধ দমনে ধারাবাহিক তৎপরতা চালিয়ে যাওয়ায় ডিবি পুলিশের ওসি এটিএম গোলাম রসুলের নেতৃত্ব প্রশংসিত হচ্ছে। তাঁর নেতৃত্বে ডিবির সদস্যরা গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে দ্রুত অভিযান পরিচালনা করে মাদক ব্যবসায়ী, সন্ত্রাসী ও অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে সক্ষম হচ্ছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। স্থানীয়দের মতে, মাদক ও অপরাধ দমনে ওসি গোলাম রসুলের নেতৃত্বে ডিবির সক্রিয় ভূমিকা সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাবোধ বাড়িয়েছে। বিশেষ করে শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী ও সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার এবং অস্ত্র-মাদক উদ্ধারের ঘটনায় ডিবির কার্যক্রমে সাধারণ মানুষের আস্থা আরও বাড়ছে।
জেলা পুলিশ সুপার মোঃ বেলাল হোসেনের দিকনির্দেশনায় ওসি গোলাম রসুলের নেতৃত্বে ঠাকুরগাঁও ডিবির এ ধরনের ধারাবাহিক অভিযান অপরাধ দমনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান আরও জোরদার করা হলে মাদক, অস্ত্র, ডাকাতি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে ঠাকুরগাঁওয়ে আরও ইতিবাচক ফলাফল পাওয়া সম্ভব হবে।
ঠাকুরগাঁওয়ে মাদক, অস্ত্র, ডাকাতি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক অভিযান চালিয়ে উল্লেখযোগ্য সাফল্য পেয়েছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ। জেলা পুলিশ সুপার মোঃ বেলাল হোসেনের দিকনির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে এবং ডিবি পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এটিএম গোলাম রসুলের নেতৃত্বে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত এসব অভিযান পরিচালিত হয়।
ডিবি পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এ সময়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ৪৮টি মামলা দায়ের করে ৫৫ জন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদক ও অস্ত্র উদ্ধারের পাশাপাশি শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী, সন্ত্রাসী ও আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের সদস্যদের আইনের আওতায় আনা হয়েছে। অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার বালিয়াডাঙ্গী থানাধীন বালিয়া পুকুর গ্রামের একটি কবরস্থান থেকে অভিযান চালিয়ে একটি বিদেশি ৭ এমএম পিস্তল, একটি ৭.৬৫ পিস্তল, চারটি ম্যাগাজিন ও ১৭ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করে ডিবি পুলিশ। অস্ত্র উদ্ধারের এ অভিযান জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডিবির গোয়েন্দা তৎপরতার গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার ডিবির ধারাবাহিক অভিযানে ২৭ বোতল বিদেশি মদ, ৫০ বোতল ফেনসিডিল, ১ হাজার ৮০০ পিস ইয়াবা, ৩০০ পিস ট্যাপেনটাডল ও ১ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে।
একই সঙ্গে মাদক বিক্রির ১ লাখ ৩২ হাজার টাকা জব্দ করা হয়। এছাড়া ক্যাসিনো-সংক্রান্ত অভিযানে ১৫টি মোবাইল ফোন ও ৮৯টি সিম এবং ২৮৪ লিটার পেট্রোল উদ্ধার করা হয়েছে। প্রত্নসম্পদও উদ্ধার অভিযানের সময় গোপাল ঠাকুরের ছয়টি মূর্তি, পাঁচটি সাদা রঙের কয়েন ও একটি পিতলের কলস উদ্ধার করা হয়। তিন শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ডিবির অভিযানে জেলার তিন শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তারা হলেন—বালিয়াডাঙ্গীর মো. মোজাম্মেল হক ওরফে মোজাম (৪৯), পীরগঞ্জের মো. ফারুক হোসেন (৪২) এবং পীরগঞ্জের মো. মোস্তফা আলী ওরফে আকাশ আহম্মেদ (৩৫)। ডিবির তথ্য অনুযায়ী, মোজাম্মেলের বিরুদ্ধে ৩২টি, ফারুক হোসেনের বিরুদ্ধে ৩০টি এবং মোস্তফা আলী ওরফে আকাশের বিরুদ্ধে ২৭টি মামলা রয়েছে। আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের সদস্য গ্রেফতার অভিযানে একটি আন্তঃজেলা সংঘবদ্ধ ডাকাত চক্রের চার সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ডিবির দাবি, এই অভিযানের ফলে ঠাকুরগাঁওয়ে ডাকাতি প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হয়েছে। শীর্ষ সন্ত্রাসী মেরীল সুমন গ্রেফতার এ সময় শীর্ষ সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত মেরীল সুমনকেও গ্রেফতার করা হয়। ডিবির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, রংপুর থেকে ঠাকুরগাঁওয়ে এসে গোপন স্থানে অবস্থান করে নির্বাচনী নাশকতা সৃষ্টি করতে পারে—এমন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাকে গ্রেফতার করা হয়। বিকট শব্দের মোটরসাইকেলের বিরুদ্ধেও অভিযান ঠাকুরগাঁও সদর থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে বিকট শব্দ সৃষ্টিকারী দুটি মোটরসাইকেল আটক করা হয়। পরে ট্রাফিক সার্জেন্টের সহায়তায় একটিকে ৩২ হাজার টাকা এবং অপরটিকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। মাদকসেবীদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা সদর থানা এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে মাদকসেবীদের গ্রেফতার করা হয়। পরে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে এক নারীকে তিন মাস এবং এক পুরুষকে দুই মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। গোয়েন্দা তৎপরতায় প্রশংসিত ওসি গোলাম রসুল ঠাকুরগাঁও ডিবির ধারাবাহিক সাফল্যের পেছনে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, অপরাধীদের ওপর নিয়মিত নজরদারি, দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং মাঠপর্যায়ে কার্যকর অভিযান পরিচালনাকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। দায়িত্বশীলতা, পেশাদারিত্ব ও সাহসিকতার সঙ্গে অপরাধ দমনে ধারাবাহিক তৎপরতা চালিয়ে যাওয়ায় ডিবি পুলিশের ওসি এটিএম গোলাম রসুলের নেতৃত্ব প্রশংসিত হচ্ছে। তাঁর নেতৃত্বে ডিবির সদস্যরা গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে দ্রুত অভিযান পরিচালনা করে মাদক ব্যবসায়ী, সন্ত্রাসী ও অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে সক্ষম হচ্ছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। স্থানীয়দের মতে, মাদক ও অপরাধ দমনে ওসি গোলাম রসুলের নেতৃত্বে ডিবির সক্রিয় ভূমিকা সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাবোধ বাড়িয়েছে। বিশেষ করে শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী ও সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার এবং অস্ত্র-মাদক উদ্ধারের ঘটনায় ডিবির কার্যক্রমে সাধারণ মানুষের আস্থা আরও বাড়ছে।
জেলা পুলিশ সুপার মোঃ বেলাল হোসেনের দিকনির্দেশনায় ওসি গোলাম রসুলের নেতৃত্বে ঠাকুরগাঁও ডিবির এ ধরনের ধারাবাহিক অভিযান অপরাধ দমনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান আরও জোরদার করা হলে মাদক, অস্ত্র, ডাকাতি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে ঠাকুরগাঁওয়ে আরও ইতিবাচক ফলাফল পাওয়া সম্ভব হবে।