মোঃ অপু খান চৌধুরী।।
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার দুলালপুর ইউনিয়নের গোপালনগর ফকির বাড়িতে অগ্নিকাণ্ডে এক কৃষকের বসতঘর ও রান্নাঘর সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। শুক্রবার (৭ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে গোপালনগর ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মজিদ মিয়ার ছেলে কৃষক খোকন মিয়ার বাড়িতে এই দুর্ঘটনা ঘটে। স্থানীয় ওয়ার্ড মেম্বার সাইফুল ইসলাম ভুট্টু জানান, সকালে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন বসতঘর ও পাশের রান্নাঘরে ছড়িয়ে পড়ে। পরে এলাকাবাসীর প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও খোকন মিয়ার বসতঘর ও রান্নাঘর সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়। এতে তাঁর প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানান তিনি। দুলালপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আনিসুর রহমান ভূঁইয়া রিপন বলেন, খোকন মিয়া একজন সাধারণ কৃষক, তাঁর এই বড় ক্ষতি সহজে মানিয়ে নেওয়ার মতো নয়। ছেলেকে বিদেশ পাঠানোর জন্য রাখা টাকাসহ তাঁর সর্বস্ব আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
ইউপি পরিষদের পক্ষ থেকে তাঁর নাম উপজেলা প্রশাসনে পাঠানো হবে এবং পরিষদ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে। দুর্ঘটনাকবলিত স্থান পরিদর্শন করেছেন ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মুন্নী ইসলাম। তিনি জানান, ঘটনার পরপরই উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে তাৎক্ষণিকভাবে শুকনো খাবার ও কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। এই ক্ষতি অত্যন্ত মর্মান্তিক এবং ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক পরিবারটিকে সার্বিক সহায়তা প্রদান করা হবে।
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার দুলালপুর ইউনিয়নের গোপালনগর ফকির বাড়িতে অগ্নিকাণ্ডে এক কৃষকের বসতঘর ও রান্নাঘর সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। শুক্রবার (৭ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে গোপালনগর ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মজিদ মিয়ার ছেলে কৃষক খোকন মিয়ার বাড়িতে এই দুর্ঘটনা ঘটে। স্থানীয় ওয়ার্ড মেম্বার সাইফুল ইসলাম ভুট্টু জানান, সকালে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন বসতঘর ও পাশের রান্নাঘরে ছড়িয়ে পড়ে। পরে এলাকাবাসীর প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও খোকন মিয়ার বসতঘর ও রান্নাঘর সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়। এতে তাঁর প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানান তিনি। দুলালপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আনিসুর রহমান ভূঁইয়া রিপন বলেন, খোকন মিয়া একজন সাধারণ কৃষক, তাঁর এই বড় ক্ষতি সহজে মানিয়ে নেওয়ার মতো নয়। ছেলেকে বিদেশ পাঠানোর জন্য রাখা টাকাসহ তাঁর সর্বস্ব আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
ইউপি পরিষদের পক্ষ থেকে তাঁর নাম উপজেলা প্রশাসনে পাঠানো হবে এবং পরিষদ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে। দুর্ঘটনাকবলিত স্থান পরিদর্শন করেছেন ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মুন্নী ইসলাম। তিনি জানান, ঘটনার পরপরই উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে তাৎক্ষণিকভাবে শুকনো খাবার ও কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। এই ক্ষতি অত্যন্ত মর্মান্তিক এবং ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক পরিবারটিকে সার্বিক সহায়তা প্রদান করা হবে।