বিজয় (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর গত ১ আগস্ট হামদু মিয়া হত্যার আসামীদের বিচারের দাবীতে এলাকাবাসী মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে।
সোমবার (৪ আগস্ট) উপজেলার হরষপুর ইউনিয়নের মির্জাপুর থেকে হরষপুর রাস্তার উপর পাইকপাড়া বাজারে বিকাল ৪ টায় এই মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে দ্রুত আসামীদের গ্রেফতার করে ফাঁসির দাবী জানান। এসময় নিহত হামদু মিয়ার দুই ছেলে ইয়াসিন ও আহত হাসান, একাধিক বোন সাবিনা বেগম, শামীমা বেগম ও দুলাল মিয়া, অলি আহাদ, আরজু মিয়া, হাসান আলী, রহমত আলী সহ এলাকাবাসী বক্তব্য রাখেন।
বক্তব্য বলেন, কোন বড় ধরণের কারন ছাড়া, আগের দিনের তুচ্ছ গঠনার রেশ ধরে পরের দিন খাবার খাওয়া অবস্থায় হামদু মিয়াকে নিজ ঘরে ওবায়দুল্লাহ ও আবুখাঁ নেতৃত্বে ২০০-৩০০ লোক বাড়িতে উঠে অতর্কিত হামলা করে জায়গায় নিহত করা হয়। এসময় হামদু মিয়াকে বাঁচতে এগিয়ে আসলে তাহার স্ত্রী, সন্তান সহ ৫/৬ জন গুরুতর আহত হয়েছে বলে বক্তব্যে জানান। উল্লেখ, গত ১ আগস্ট সকাল ৯ টার দিকে তুচ্ছ ঘটনার রেশ ধরে ২০০-৩০০ লোক অতর্কিত হামলা করে মোঃ হামদু মিয়াকে নিজ বাড়িতে নিহত করেন। এসময় হামদু মিয়ার স্ত্রী, সন্তান সহ আরো ৫-৬ জন আহত হয়।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর গত ১ আগস্ট হামদু মিয়া হত্যার আসামীদের বিচারের দাবীতে এলাকাবাসী মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে।
সোমবার (৪ আগস্ট) উপজেলার হরষপুর ইউনিয়নের মির্জাপুর থেকে হরষপুর রাস্তার উপর পাইকপাড়া বাজারে বিকাল ৪ টায় এই মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে দ্রুত আসামীদের গ্রেফতার করে ফাঁসির দাবী জানান। এসময় নিহত হামদু মিয়ার দুই ছেলে ইয়াসিন ও আহত হাসান, একাধিক বোন সাবিনা বেগম, শামীমা বেগম ও দুলাল মিয়া, অলি আহাদ, আরজু মিয়া, হাসান আলী, রহমত আলী সহ এলাকাবাসী বক্তব্য রাখেন।
বক্তব্য বলেন, কোন বড় ধরণের কারন ছাড়া, আগের দিনের তুচ্ছ গঠনার রেশ ধরে পরের দিন খাবার খাওয়া অবস্থায় হামদু মিয়াকে নিজ ঘরে ওবায়দুল্লাহ ও আবুখাঁ নেতৃত্বে ২০০-৩০০ লোক বাড়িতে উঠে অতর্কিত হামলা করে জায়গায় নিহত করা হয়। এসময় হামদু মিয়াকে বাঁচতে এগিয়ে আসলে তাহার স্ত্রী, সন্তান সহ ৫/৬ জন গুরুতর আহত হয়েছে বলে বক্তব্যে জানান। উল্লেখ, গত ১ আগস্ট সকাল ৯ টার দিকে তুচ্ছ ঘটনার রেশ ধরে ২০০-৩০০ লোক অতর্কিত হামলা করে মোঃ হামদু মিয়াকে নিজ বাড়িতে নিহত করেন। এসময় হামদু মিয়ার স্ত্রী, সন্তান সহ আরো ৫-৬ জন আহত হয়।