রাজস্থলী (রাঙ্গামাটি)প্রতিনিধিঃ
রাঙ্গামাটির রাজস্থলী উপজেলার বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়নের এক যুবলীগ নেতাকে মাদক সংক্রান্ত অভিযোগে আটক করেছে চন্দ্রঘোনা থানা পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রোববার (২ আগস্ট) সন্ধ্যা আনুমানিক ৬টার দিকে চন্দ্রঘোনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাকের আহম্মদের নেতৃত্বে পরিচালিত এক অভিযানে বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়নের শফিপুর এলাকা থেকে বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মাসুম তালুকদার (৪০)-কে নিজ বাড়ি থেকে আটক করা হয়। তিনি শফিপুর গ্রামের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের শাহাদাৎ তালুকদারের ছেলে। পুলিশ জানায়, আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে ইয়াবাসহ মাদক সংশ্লিষ্ট অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত চলছে এবং এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে। তবে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত তার কাছ থেকে কী পরিমাণ মাদক উদ্ধার হয়েছে কিংবা কোন ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়নি। স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা, যারা পরিচয় প্রকাশ করতে চাননি, অভিযোগ করেন যে মাসুম তালুকদার দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা ব্যবসার সঙ্গে জড়িত বলে এলাকায় প্রচলিত অভিযোগ রয়েছে।
তারা বলেন, এলাকায় মাদকের বিস্তারের কারণে কিশোর-তরুণসহ বিভিন্ন বয়সের মানুষ মাদকাসক্ত হয়ে পড়ছে। মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত সকলের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান তারা। চন্দ্রঘোনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাকের আহম্মদ বলেন, আটক মাসুম তালুকদারের বিরুদ্ধে প্রাপ্ত অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। তদন্ত শেষে আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
রাঙ্গামাটির রাজস্থলী উপজেলার বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়নের এক যুবলীগ নেতাকে মাদক সংক্রান্ত অভিযোগে আটক করেছে চন্দ্রঘোনা থানা পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রোববার (২ আগস্ট) সন্ধ্যা আনুমানিক ৬টার দিকে চন্দ্রঘোনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাকের আহম্মদের নেতৃত্বে পরিচালিত এক অভিযানে বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়নের শফিপুর এলাকা থেকে বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মাসুম তালুকদার (৪০)-কে নিজ বাড়ি থেকে আটক করা হয়। তিনি শফিপুর গ্রামের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের শাহাদাৎ তালুকদারের ছেলে। পুলিশ জানায়, আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে ইয়াবাসহ মাদক সংশ্লিষ্ট অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত চলছে এবং এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে। তবে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত তার কাছ থেকে কী পরিমাণ মাদক উদ্ধার হয়েছে কিংবা কোন ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়নি। স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা, যারা পরিচয় প্রকাশ করতে চাননি, অভিযোগ করেন যে মাসুম তালুকদার দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা ব্যবসার সঙ্গে জড়িত বলে এলাকায় প্রচলিত অভিযোগ রয়েছে।
তারা বলেন, এলাকায় মাদকের বিস্তারের কারণে কিশোর-তরুণসহ বিভিন্ন বয়সের মানুষ মাদকাসক্ত হয়ে পড়ছে। মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত সকলের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান তারা। চন্দ্রঘোনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাকের আহম্মদ বলেন, আটক মাসুম তালুকদারের বিরুদ্ধে প্রাপ্ত অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। তদন্ত শেষে আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।