মোঃ অপু খান চৌধুরী।।
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার শফিকুল ইসলাম (৪৫) নামের এক ব্যক্তির নিখোঁজের ১০ দিন পর পার্শ্ববর্তী ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলা থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। উপজেলার পাইকপাড়া বড় ব্রিজ সংলগ্ন একটি বিল থেকে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে। নিহত শফিকুল ইসলাম ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার ভাড়ানী উত্তরপাড়া গ্রামের মালন মিয়ার ছেলে। তিনি পাঁচ ভাইয়ের মধ্যে সবার বড় ছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, তিন মেয়ে ও এক ছেলে রেখে গেছেন।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, শফিকুল প্রায় চার বছর কুয়েতে কর্মরত ছিলেন। সেখানে প্রতারণার শিকার হয়ে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর দেশে ফেরেন এবং মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেন। এর পর থেকে তিনি প্রায়ই বাড়ি থেকে বের হয়ে বিভিন্ন স্থানে ঘুরে বেড়াতেন। গত ১০ দিন আগে তিনি একইভাবে বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেননি। নিহতের ছোট ভাই মো. রফিকুল ইসলাম ও মামাতো ভাই সারোয়ার হোসেন জানান, গত ২৮ জুলাই বিজয়নগর থানা-পুলিশ পাইকপাড়া বড় ব্রিজের পাশের বিল থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করে। তাৎক্ষণিকভাবে পরিচয় না পাওয়ায় সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি শেষে মরদেহ ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবি দেখে স্বজনেরা নিশ্চিত হন মরদেহটি শফিকুল ইসলামের। বিজয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আহসানউল্লাহ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে। লাশের কপাল ও বাম হাতে সামান্য আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, কয়েক দিন আগে কোনো যানবাহনের ধাক্কায় এসব আঘাত পেয়ে থাকতে পারেন তিনি।
তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে ময়নাতদন্ত করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়া গেলে বিস্তারিত জানা যাবে। ওসি আরও জানান, লাশ উদ্ধারের সময় তাৎক্ষণিকভাবে পরিচয় শনাক্ত না হওয়ায় এবং স্বজনেরা না থাকায় স্থানীয় একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘বাতিঘর’-এর সহযোগিতায় মরদেহটি অজ্ঞাতনামা হিসেবে দাফন সম্পন্ন করা হয়েছিল। মানসিক ভারসাম্যহীন শফিকুলের এই অকাল মৃত্যুতে তাঁর পরিবার ও নিজ এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার শফিকুল ইসলাম (৪৫) নামের এক ব্যক্তির নিখোঁজের ১০ দিন পর পার্শ্ববর্তী ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলা থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। উপজেলার পাইকপাড়া বড় ব্রিজ সংলগ্ন একটি বিল থেকে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে। নিহত শফিকুল ইসলাম ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার ভাড়ানী উত্তরপাড়া গ্রামের মালন মিয়ার ছেলে। তিনি পাঁচ ভাইয়ের মধ্যে সবার বড় ছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, তিন মেয়ে ও এক ছেলে রেখে গেছেন।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, শফিকুল প্রায় চার বছর কুয়েতে কর্মরত ছিলেন। সেখানে প্রতারণার শিকার হয়ে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর দেশে ফেরেন এবং মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেন। এর পর থেকে তিনি প্রায়ই বাড়ি থেকে বের হয়ে বিভিন্ন স্থানে ঘুরে বেড়াতেন। গত ১০ দিন আগে তিনি একইভাবে বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেননি। নিহতের ছোট ভাই মো. রফিকুল ইসলাম ও মামাতো ভাই সারোয়ার হোসেন জানান, গত ২৮ জুলাই বিজয়নগর থানা-পুলিশ পাইকপাড়া বড় ব্রিজের পাশের বিল থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করে। তাৎক্ষণিকভাবে পরিচয় না পাওয়ায় সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি শেষে মরদেহ ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবি দেখে স্বজনেরা নিশ্চিত হন মরদেহটি শফিকুল ইসলামের। বিজয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আহসানউল্লাহ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে। লাশের কপাল ও বাম হাতে সামান্য আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, কয়েক দিন আগে কোনো যানবাহনের ধাক্কায় এসব আঘাত পেয়ে থাকতে পারেন তিনি।
তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে ময়নাতদন্ত করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়া গেলে বিস্তারিত জানা যাবে। ওসি আরও জানান, লাশ উদ্ধারের সময় তাৎক্ষণিকভাবে পরিচয় শনাক্ত না হওয়ায় এবং স্বজনেরা না থাকায় স্থানীয় একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘বাতিঘর’-এর সহযোগিতায় মরদেহটি অজ্ঞাতনামা হিসেবে দাফন সম্পন্ন করা হয়েছিল। মানসিক ভারসাম্যহীন শফিকুলের এই অকাল মৃত্যুতে তাঁর পরিবার ও নিজ এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।