কাউখালী প্রতিনিধি:
পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলা শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কে অসংখ্য খানাখন্দের সৃষ্টি হওয়ায় যানবাহন ও সাধারণ মানুষের চলাচলে চরম দুর্ভোগ দেখা দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে সড়কগুলো সংস্কার না হওয়ায় অধিকাংশ গুরুত্বপূর্ণ সড়ক চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে উপজেলা শহরের ডাকবাংলা সড়ক, টেম্পু স্ট্যান্ড সড়ক, উপজেলা পরিষদ সড়ক এবং উজিয়ালখান বেইলি ব্রিজ সংলগ্ন সড়কের অবস্থা অত্যন্ত নাজুক। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতিদিন এসব সড়ক দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রিকশা, অটোরিকশা, ট্রাক, মোটরসাইকেল, সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের যানবাহনসহ নানা ধরনের যানবাহন চলাচল করছে। ভারী যানবাহনের চাপ এবং বর্ষার পানিতে সড়কের গর্তগুলো আরও বড় আকার ধারণ করায় দুর্ঘটনার আশঙ্কা বেড়ে গেছে। ইতোমধ্যে এসব সড়কে ছোট-বড় একাধিক দুর্ঘটনাও ঘটেছে। অটোরিকশা চালক মোঃ আবুল হোসেন জানান, প্রতিদিন এই রাস্তায় যাত্রী নিয়ে চলাচল করতে খুব কষ্ট হয়। অনেক সময় গর্তে চাকা পড়ে গাড়ির ক্ষতি হয়, আবার যাত্রীরাও ঝুঁকিতে থাকেন। দ্রুত সংস্কার না করলে বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
সাধারণ পথচারী রুহুল আমিন ও স্কুল ছাত্রী তামান্না আক্তার বলেন, হেঁটে চলাচল করাও কষ্টকর হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে বৃষ্টি হলে গর্তে পানি জমে থাকে, বোঝা যায় না কোথায় গর্ত। এতে নারী, শিশু ও বয়স্ক মানুষ বেশি ভোগান্তিতে পড়ছেন। এ বিষয়ে কাউখালী উপজেলা প্রকৌশলী শেখ ইমতিয়াজ হোসাইন রাসেল বলেন, "সড়কগুলোর ক্ষতিগ্রস্ত অংশের তথ্য ইতোমধ্যে সংগ্রহ করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় বরাদ্দ পাওয়া সাপেক্ষে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সংস্কার কাজ শুরু করা হবে। আপাতত ঝুঁকিপূর্ণ অংশগুলো দ্রুত মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
কাউখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আসাদুজ্জামান বলেন, "জনগণের দুর্ভোগের বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে, যাতে মানুষ নিরাপদে চলাচল করতে পারেন।
পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলা শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কে অসংখ্য খানাখন্দের সৃষ্টি হওয়ায় যানবাহন ও সাধারণ মানুষের চলাচলে চরম দুর্ভোগ দেখা দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে সড়কগুলো সংস্কার না হওয়ায় অধিকাংশ গুরুত্বপূর্ণ সড়ক চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে উপজেলা শহরের ডাকবাংলা সড়ক, টেম্পু স্ট্যান্ড সড়ক, উপজেলা পরিষদ সড়ক এবং উজিয়ালখান বেইলি ব্রিজ সংলগ্ন সড়কের অবস্থা অত্যন্ত নাজুক। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতিদিন এসব সড়ক দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রিকশা, অটোরিকশা, ট্রাক, মোটরসাইকেল, সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের যানবাহনসহ নানা ধরনের যানবাহন চলাচল করছে। ভারী যানবাহনের চাপ এবং বর্ষার পানিতে সড়কের গর্তগুলো আরও বড় আকার ধারণ করায় দুর্ঘটনার আশঙ্কা বেড়ে গেছে। ইতোমধ্যে এসব সড়কে ছোট-বড় একাধিক দুর্ঘটনাও ঘটেছে। অটোরিকশা চালক মোঃ আবুল হোসেন জানান, প্রতিদিন এই রাস্তায় যাত্রী নিয়ে চলাচল করতে খুব কষ্ট হয়। অনেক সময় গর্তে চাকা পড়ে গাড়ির ক্ষতি হয়, আবার যাত্রীরাও ঝুঁকিতে থাকেন। দ্রুত সংস্কার না করলে বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
সাধারণ পথচারী রুহুল আমিন ও স্কুল ছাত্রী তামান্না আক্তার বলেন, হেঁটে চলাচল করাও কষ্টকর হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে বৃষ্টি হলে গর্তে পানি জমে থাকে, বোঝা যায় না কোথায় গর্ত। এতে নারী, শিশু ও বয়স্ক মানুষ বেশি ভোগান্তিতে পড়ছেন। এ বিষয়ে কাউখালী উপজেলা প্রকৌশলী শেখ ইমতিয়াজ হোসাইন রাসেল বলেন, "সড়কগুলোর ক্ষতিগ্রস্ত অংশের তথ্য ইতোমধ্যে সংগ্রহ করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় বরাদ্দ পাওয়া সাপেক্ষে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সংস্কার কাজ শুরু করা হবে। আপাতত ঝুঁকিপূর্ণ অংশগুলো দ্রুত মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
কাউখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আসাদুজ্জামান বলেন, "জনগণের দুর্ভোগের বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে, যাতে মানুষ নিরাপদে চলাচল করতে পারেন।