মোঃ আকতারুল ইসলাম আক্তার, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:
ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার ৭ নং রাতোর ইউনিয়নের প্রয়াগপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জুয়েল রানাকে নিয়ে গুরুত্বর অভিযোগ উঠেছে। গত ২০ জুন জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের অধীনে আয়োজিত জারিকারক পদে লিখিত পরীক্ষায় অন্য লোকের প্রক্সি দিতে গিয়ে তিনি ঢাকায় আটক হন। জনাব আরিফুর রহমান স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সংক্ষিপ্ত বিচার লালবাগ বিভাগ ডিএমপি ঢাকা আদালতের মাধ্যমে ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত দিয়েছে বলে জানা গেছে।
নথিতে দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির নাম মোঃ জুয়েল রানা, পিতা আঃ রশীদ, ঠিকানা গন্ডগ্রাম থানা রাণীশংকৈল এবং জেলা ঠাকুরগাঁও হিসেবে উল্লেখ রয়েছে।
তবে এ ঘটনার বিষয়ে প্রয়াগপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ, রাণীশংকৈল উপজেলা শিক্ষা অফিস এবং ঠাকুরগাঁও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অবগত ছিলেন কি না-তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
একজন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পরীক্ষায় অন্যের প্রক্সি দিতে গিয়ে কারাদণ্ডপ্রাপ্ত হওয়ার পরও সংশ্লিষ্ট শিক্ষা কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে কি না, জানানো হয়ে থাকলে শিক্ষকটির বিরুদ্ধে প্রশাসনিকভাবে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে-এসব প্রশ্নের উত্তর জানতে চায় সচেতন মহল।
ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার ৭ নং রাতোর ইউনিয়নের প্রয়াগপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জুয়েল রানাকে নিয়ে গুরুত্বর অভিযোগ উঠেছে। গত ২০ জুন জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের অধীনে আয়োজিত জারিকারক পদে লিখিত পরীক্ষায় অন্য লোকের প্রক্সি দিতে গিয়ে তিনি ঢাকায় আটক হন। জনাব আরিফুর রহমান স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সংক্ষিপ্ত বিচার লালবাগ বিভাগ ডিএমপি ঢাকা আদালতের মাধ্যমে ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত দিয়েছে বলে জানা গেছে।
নথিতে দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির নাম মোঃ জুয়েল রানা, পিতা আঃ রশীদ, ঠিকানা গন্ডগ্রাম থানা রাণীশংকৈল এবং জেলা ঠাকুরগাঁও হিসেবে উল্লেখ রয়েছে।
তবে এ ঘটনার বিষয়ে প্রয়াগপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ, রাণীশংকৈল উপজেলা শিক্ষা অফিস এবং ঠাকুরগাঁও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অবগত ছিলেন কি না-তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
একজন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পরীক্ষায় অন্যের প্রক্সি দিতে গিয়ে কারাদণ্ডপ্রাপ্ত হওয়ার পরও সংশ্লিষ্ট শিক্ষা কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে কি না, জানানো হয়ে থাকলে শিক্ষকটির বিরুদ্ধে প্রশাসনিকভাবে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে-এসব প্রশ্নের উত্তর জানতে চায় সচেতন মহল।