ভরা মৌসুমেও হিজলার মেঘনায় ইলিশের আকাল, জালে মিলছে বড় বড় পাঙাশ

আপলোড সময় : ২২-০৭-২০২৬ ০৭:৪২:৫১ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ২২-০৭-২০২৬ ০৭:৪৫:০০ অপরাহ্ন
নিজস্ব প্রতিবেদক,


হিজলা (বরিশাল): আষাঢ় পেরিয়ে শ্রাবণ চললেও বরিশาลের হিজলা উপজেলার মেঘনা নদী ও এর আশপাশের নদ-নদীতে মিলছে না কাঙ্ক্ষিত রূপালি ইলিশ। ভরা মৌসুম হওয়া সত্ত্বেও জেলের জালে ইলিশ ধরা না পড়ায় চরম হতাশায় দিন কাটাচ্ছেন হিজলার হাজারো জেলে ও মৎস্য ব্যবসায়ীরা। তবে ইলিশের আকালের মাঝেও কিছুটা স্বস্তির খবর হলো, জেলেদের জালে বড় আকৃতির পাঙাশ ধরা পড়ছে। গত শনি ও রোববার হিজলার বিভিন্ন মাছঘাট ও মেঘনা নদী ঘুরে দেখা গেছে, দিনভর জাল ফেলেও অধিকাংশ জেলে প্রায় খালি হাতে ফিরছেন। দু-একটি জালে ইলিশের দেখা মিললেও তা সাধারণ ক্রেতার নাগালের বাইরে। ইলিশের সরবরাহ কম থাকায় স্থানীয় বাজারগুলোতেও এর প্রভাব পড়েছে। তবে এই সংকটের মধ্যে মেঘনায় বড় আকারের পাঙাশ ধরা পড়া কিছুটা হলেও স্বস্তি এনে দিয়েছে জেলে ও ব্যবসায়ীদের মনে।


গত কয়েকদিন হিজলার বিভিন্ন মাছঘাটে ৫ কেজি থেকে শুরু করে ১০ কেজি পর্যন্ত ওজনের পাঙাশ উঠতে দেখা গেছে। নদীর তাজা ও বড় পাঙাশ পাওয়ায় স্থানীয় সাধারণ ক্রেতারাও কিছুটা স্বস্তিতে ভিড় করছেন বাজারে। স্থানীয় জেলেরা জানান, টানা বৃষ্টি ও বর্ষার পানি বাড়ায় নদীতে পাঙাশ ধরা পড়া শুরু হয়েছে। ইলিশ না পেয়ে অনেক ক্রেতাই এখন তুলনামূলক কম দামে বা ভাগাভাগি করে বড় পাঙাশ কিনে নিচ্ছেন। হিজলার স্থানীয় মৎস্যজীবীরা জানান, ভরা মৌসুমেও কাঙ্ক্ষিত ইলিশ না পাওয়ায় তাদের নৌকা ও জাল নিয়ে নদী নামার খরচ তোলা মুশকিল হয়ে পড়েছে।


দাদনের ঋণ আর সংসারের খরচ মেটাতে গিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন তারা। মৎস্য সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নদীর গতিপ্রকৃতি পরিবর্তন এবং বিভিন্ন পরিবেশগত কারণে হিজলার মেঘনায় ইলিশের আনাগোনা কমে গেছে, যা দ্রুত খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

সম্পাদকীয় :

প্রকাশক ও সম্পাদক

মোঃ গোলাম মাওলা শাওন

মোবাইল : ০১৭১১-০০৬২১৪

অফিস :

প্রধান কার্যালয়


৩১/১ শরীফ কমপ্লেক্স ৬ষ্ট তলা পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০

মোবাইল : ০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০

ই-মেইল : banglaralonewsbd@gmail.com