ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাফে মোহাম্মদ ছড়াকে বদলি করেছে সরকার। সম্প্রতি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ নিয়োগ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে তাকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সিনিয়র সহকারী সচিব হিসেবে সংযুক্ত করা হয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, জনস্বার্থে এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে। তবে বদলির কারণ সম্পর্কে কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।
এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ২০২৪ সালের জুলাই মাসের একটি ভিডিও ভাইরাল করা হয়। সেখানে দাবি করা হয়, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের আন্দোলনের সময় রাজধানীর রামপুরা এলাকায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি আন্দোলনকারীদের ওপর গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন। একই অভিযোগকে কেন্দ্র করে একটি জাতীয় দৈনিকেও প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। তবে ইউএনও রাফে মোহাম্মদ ছড়ার দাবি, অভিযোগটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
তিনি বলেন, ভাইরাল ভিডিওটি ১৭ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় বিজিবির সঙ্গে দায়িত্ব পালনের সময় ধারণ করা হয়েছিল। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ওই দিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় গুলি বা হত্যার কোনো ঘটনা ঘটেনি, যা সে সময়ের ঢাকা জেলা প্রশাসনের দায়িত্ব বণ্টন ও ঘটনাপঞ্জিতেও প্রতিফলিত হয়েছে।
এছাড়া ভিডিওর শেষাংশে সম্পাদনার মাধ্যমে বিজিবির গুলিবর্ষণের একটি পৃথক দৃশ্য যুক্ত করা হয়েছে, যেখানে তার কোনো উপস্থিতি ছিল না। তিনি আরও দাবি করেন, ঘটনার সময় তিনি ঢাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে কর্মরত ছিলেন এবং দায়িত্ব পালনের বিষয়ে সেনাবাহিনীর একাধিক কর্মকর্তা ও এনসিপির একজন কেন্দ্রীয় নেতা সাক্ষ্য দিতে পারবেন। এদিকে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভৈরবের একটি প্রভাবশালী বালু উত্তোলনকারী সিন্ডিকেট দীর্ঘদিন ধরে শর্ত লঙ্ঘন করে মেঘনা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছে। এর প্রভাবে আশুগঞ্জের চর-সোনারামপুর এলাকায় তীব্র নদীভাঙন দেখা দিয়েছে এবং প্রতিদিনই নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে বসতভিটা। স্থানীয়দের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে কয়েক মাস আগে ইউএনও রাফে মোহাম্মদ ছড়ার নেতৃত্বে অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালিত হয়। সম্প্রতি ওই অভিযানের একটি মামলায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত প্রতিবেদন (চার্জশিট) দাখিলের পর থেকেই একটি স্বার্থান্বেষী মহল তার বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
ইউএনও রাফে মোহাম্মদ ছড়া বলেন, “মেঘনা নদী থেকে অবৈধ বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত একটি মহল আমার বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে গুজব ছড়াচ্ছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেওয়ার পর থেকেই এই অপপ্রচার শুরু হয়েছে।” অন্যদিকে ইউএনওর বদলির খবরে হতাশা প্রকাশ করেছেন নদীভাঙনকবলিত চর-সোনারামপুরসহ আশপাশের এলাকার বাসিন্দারা। তাদের দাবি, অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপের ফলে তারা আশার আলো দেখেছিলেন। তাই তারা সরকারের কাছে বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়েছেন।
তবে ইউএনওর বদলির সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো অভিযোগ বা অবৈধ বালু উত্তোলনবিরোধী অভিযানের কোনো সম্পর্ক রয়েছে কি না, সে বিষয়ে সরকারিভাবে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে বদলির কারণ হিসেবে কেবল ‘জনস্বার্থ’ উল্লেখ করা হয়েছে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাফে মোহাম্মদ ছড়াকে বদলি করেছে সরকার। সম্প্রতি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ নিয়োগ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে তাকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সিনিয়র সহকারী সচিব হিসেবে সংযুক্ত করা হয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, জনস্বার্থে এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে। তবে বদলির কারণ সম্পর্কে কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।
এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ২০২৪ সালের জুলাই মাসের একটি ভিডিও ভাইরাল করা হয়। সেখানে দাবি করা হয়, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের আন্দোলনের সময় রাজধানীর রামপুরা এলাকায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি আন্দোলনকারীদের ওপর গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন। একই অভিযোগকে কেন্দ্র করে একটি জাতীয় দৈনিকেও প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। তবে ইউএনও রাফে মোহাম্মদ ছড়ার দাবি, অভিযোগটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
তিনি বলেন, ভাইরাল ভিডিওটি ১৭ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় বিজিবির সঙ্গে দায়িত্ব পালনের সময় ধারণ করা হয়েছিল। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ওই দিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় গুলি বা হত্যার কোনো ঘটনা ঘটেনি, যা সে সময়ের ঢাকা জেলা প্রশাসনের দায়িত্ব বণ্টন ও ঘটনাপঞ্জিতেও প্রতিফলিত হয়েছে।
এছাড়া ভিডিওর শেষাংশে সম্পাদনার মাধ্যমে বিজিবির গুলিবর্ষণের একটি পৃথক দৃশ্য যুক্ত করা হয়েছে, যেখানে তার কোনো উপস্থিতি ছিল না। তিনি আরও দাবি করেন, ঘটনার সময় তিনি ঢাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে কর্মরত ছিলেন এবং দায়িত্ব পালনের বিষয়ে সেনাবাহিনীর একাধিক কর্মকর্তা ও এনসিপির একজন কেন্দ্রীয় নেতা সাক্ষ্য দিতে পারবেন। এদিকে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভৈরবের একটি প্রভাবশালী বালু উত্তোলনকারী সিন্ডিকেট দীর্ঘদিন ধরে শর্ত লঙ্ঘন করে মেঘনা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছে। এর প্রভাবে আশুগঞ্জের চর-সোনারামপুর এলাকায় তীব্র নদীভাঙন দেখা দিয়েছে এবং প্রতিদিনই নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে বসতভিটা। স্থানীয়দের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে কয়েক মাস আগে ইউএনও রাফে মোহাম্মদ ছড়ার নেতৃত্বে অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালিত হয়। সম্প্রতি ওই অভিযানের একটি মামলায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত প্রতিবেদন (চার্জশিট) দাখিলের পর থেকেই একটি স্বার্থান্বেষী মহল তার বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
ইউএনও রাফে মোহাম্মদ ছড়া বলেন, “মেঘনা নদী থেকে অবৈধ বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত একটি মহল আমার বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে গুজব ছড়াচ্ছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেওয়ার পর থেকেই এই অপপ্রচার শুরু হয়েছে।” অন্যদিকে ইউএনওর বদলির খবরে হতাশা প্রকাশ করেছেন নদীভাঙনকবলিত চর-সোনারামপুরসহ আশপাশের এলাকার বাসিন্দারা। তাদের দাবি, অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপের ফলে তারা আশার আলো দেখেছিলেন। তাই তারা সরকারের কাছে বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়েছেন।
তবে ইউএনওর বদলির সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো অভিযোগ বা অবৈধ বালু উত্তোলনবিরোধী অভিযানের কোনো সম্পর্ক রয়েছে কি না, সে বিষয়ে সরকারিভাবে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে বদলির কারণ হিসেবে কেবল ‘জনস্বার্থ’ উল্লেখ করা হয়েছে।