ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কাউতুলি এলাকায় মেইন সড়কের পাশে দীর্ঘদিন ধরে এক অজ্ঞাত পরিচয়ের অসহায় নারী মানবেতর জীবনযাপন করছিলেন। স্থানীয়রা জানান, তার সারা শরীরে পোকা ধরেছিল এবং মাথা ও নাকের কিছু অংশে পচন দেখা দিয়েছিল। বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপ ও পেজে একাধিক পোস্ট প্রকাশিত হলে তা ব্যাপকভাবে মানুষের নজরে আসে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদের প্রশাসক সিরাজুল ইসলাম (সিরাজ)-কে মেনশন করে বিষয়টি অবহিত করেন। খবরটি নজরে আসার পর তিনি দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান এবং স্বশরীরে উপস্থিত হয়ে অসহায় নারীকে উদ্ধার করেন। পরে তাৎক্ষণিকভাবে তাকে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতাল-এ ভর্তি করানো হয়। এ সময় তিনি নিজেই চিকিৎসার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেন এবং রোগীর জন্য প্রয়োজনীয় কাপড়-চোপড়সহ অন্যান্য সামগ্রীর দায়িত্ব নেন।
পাশাপাশি চিকিৎসক ও নার্সদের সঙ্গে কথা বলে নারীটির সর্বোচ্চ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার অনুরোধ জানান। জেলা পরিষদ প্রশাসকের এমন মানবিক উদ্যোগ স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে।
অনেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার এই মানবিকতা ও দায়িত্বশীল ভূমিকার প্রশংসা করে মন্তব্য করছেন। মানবতার সেবায় এমন উদ্যোগ সমাজের জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কাউতুলি এলাকায় মেইন সড়কের পাশে দীর্ঘদিন ধরে এক অজ্ঞাত পরিচয়ের অসহায় নারী মানবেতর জীবনযাপন করছিলেন। স্থানীয়রা জানান, তার সারা শরীরে পোকা ধরেছিল এবং মাথা ও নাকের কিছু অংশে পচন দেখা দিয়েছিল। বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপ ও পেজে একাধিক পোস্ট প্রকাশিত হলে তা ব্যাপকভাবে মানুষের নজরে আসে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদের প্রশাসক সিরাজুল ইসলাম (সিরাজ)-কে মেনশন করে বিষয়টি অবহিত করেন। খবরটি নজরে আসার পর তিনি দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান এবং স্বশরীরে উপস্থিত হয়ে অসহায় নারীকে উদ্ধার করেন। পরে তাৎক্ষণিকভাবে তাকে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতাল-এ ভর্তি করানো হয়। এ সময় তিনি নিজেই চিকিৎসার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেন এবং রোগীর জন্য প্রয়োজনীয় কাপড়-চোপড়সহ অন্যান্য সামগ্রীর দায়িত্ব নেন।
পাশাপাশি চিকিৎসক ও নার্সদের সঙ্গে কথা বলে নারীটির সর্বোচ্চ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার অনুরোধ জানান। জেলা পরিষদ প্রশাসকের এমন মানবিক উদ্যোগ স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে।
অনেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার এই মানবিকতা ও দায়িত্বশীল ভূমিকার প্রশংসা করে মন্তব্য করছেন। মানবতার সেবায় এমন উদ্যোগ সমাজের জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।