লিটন পাঠান, হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি
হবিগঞ্জ জেলা কারাগার পরিদর্শন করেছেন হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ড. জি. এম. সরফরাজ। বুধবার (২৩-জুন) ২০২৬ সকালে হবিগঞ্জ কারাগার পরিদর্শনের শুরুতে তিনি কারাগার প্রাঙ্গণে একটি লুকলুকি গাছের চারা রোপণ করে সবুজায়ন কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেন।
পরে তিনি কারাগারের হাজতি ও কয়েদিদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের বিভিন্ন সমস্যা, চাহিদা ও কল্যাণসংক্রান্ত বিষয় সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। এ সময় তিনি বন্দিদের বক্তব্য মনোযোগ সহকারে শোনেন এবং প্রয়োজনীয় বিষয়ে জেল কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা প্রদান করেন। পরবর্তীতে জেলা প্রশাসক কারাগারের ডে-কেয়ার সেন্টার ও নারী প্রশিক্ষণ কক্ষ পরিদর্শন করেন।
সেখানে পরিচালিত বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত হন এবং সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এরপর তিনি কারাগারের রান্নাঘর পরিদর্শন করে খাদ্য প্রস্তুত প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করেন। পাশাপাশি বন্দিদের জন্য পরিবেশিত খাবারের মান ও গুণগত অবস্থা যাচাই করেন। পরিদর্শনের শেষ পর্যায়ে কারাগারের কয়েদিদের নিয়ে গঠিত সাংস্কৃতিক দলের পরিবেশিত সংগীতানুষ্ঠান উপভোগ করেন জেলা প্রশাসক।
এ সময় তিনি মানবিক মূল্যবোধ, সংশোধনমূলক পরিবেশ এবং পুনর্বাসন কার্যক্রম নিশ্চিতকরণে কারাগার প্রশাসনের গৃহীত বিভিন্ন উদ্যোগের প্রশংসা করেন। পাশাপাশি বন্দিদের দক্ষতা উন্নয়ন, কর্মমুখী প্রশিক্ষণ এবং পুনর্বাসন কার্যক্রম আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
হবিগঞ্জ জেলা কারাগার পরিদর্শন করেছেন হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ড. জি. এম. সরফরাজ। বুধবার (২৩-জুন) ২০২৬ সকালে হবিগঞ্জ কারাগার পরিদর্শনের শুরুতে তিনি কারাগার প্রাঙ্গণে একটি লুকলুকি গাছের চারা রোপণ করে সবুজায়ন কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেন।
পরে তিনি কারাগারের হাজতি ও কয়েদিদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের বিভিন্ন সমস্যা, চাহিদা ও কল্যাণসংক্রান্ত বিষয় সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। এ সময় তিনি বন্দিদের বক্তব্য মনোযোগ সহকারে শোনেন এবং প্রয়োজনীয় বিষয়ে জেল কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা প্রদান করেন। পরবর্তীতে জেলা প্রশাসক কারাগারের ডে-কেয়ার সেন্টার ও নারী প্রশিক্ষণ কক্ষ পরিদর্শন করেন।
সেখানে পরিচালিত বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত হন এবং সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এরপর তিনি কারাগারের রান্নাঘর পরিদর্শন করে খাদ্য প্রস্তুত প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করেন। পাশাপাশি বন্দিদের জন্য পরিবেশিত খাবারের মান ও গুণগত অবস্থা যাচাই করেন। পরিদর্শনের শেষ পর্যায়ে কারাগারের কয়েদিদের নিয়ে গঠিত সাংস্কৃতিক দলের পরিবেশিত সংগীতানুষ্ঠান উপভোগ করেন জেলা প্রশাসক।
এ সময় তিনি মানবিক মূল্যবোধ, সংশোধনমূলক পরিবেশ এবং পুনর্বাসন কার্যক্রম নিশ্চিতকরণে কারাগার প্রশাসনের গৃহীত বিভিন্ন উদ্যোগের প্রশংসা করেন। পাশাপাশি বন্দিদের দক্ষতা উন্নয়ন, কর্মমুখী প্রশিক্ষণ এবং পুনর্বাসন কার্যক্রম আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।