আনোয়ার সাঈদ তিতু, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:-
কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ী উপজেলার গৃহবধু মোছাঃ মোর্শেদা আক্তার বিয়ে করা চীনা নাগরিক আন হংওয়েই অভিযোগ করেছেন, তার বাংলাদেশি স্ত্রী মোছাঃ মোর্শেদা আক্তার তাকে প্রতারণার মাধ্যমে বিপুল অর্থ ও গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র থেকে হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে।
চীনা নাগরিক আন হংওয়েই জানান, আমার স্ত্রী মোছাঃ মোর্শেদা আক্তার প্রায় ২৪ লাখ টাকা মূল্যের মার্কিন ডলার, পাসপোর্ট ও অন্যান্য পরিচয়পত্র আত্মসাত করে উধাও হয়েছে। এছাড়া এসব কাগজপত্র নিজের কাছে রেখে তাকে নিজ দেশে ফিরে যেতে বাধা দিচ্ছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
তার দাবি, মোছাঃ মোর্শেদা আক্তার তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে তালাক না দিয়েই অন্য একজনকে বিয়ে করেছেন। এ ঘটনায় তিনি মোছাঃ মোর্শেদা আক্তারের পরিবারের বিরুদ্ধেও প্রতারণার অভিযোগ এনে বলেন, “তাদের পুরো পরিবার একটি প্রতারক চক্র হিসেবে কাজ করছে।
চীনা এই নাগরিক আরও বলেন, “আমি দীর্ঘদিন ধরে ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে আমার স্ত্রী মোছাঃ মোর্শেদা আক্তারের খোঁজ করছি। কিন্তু এখন পর্যন্ত তার কোনো সন্ধান পাইনি। তিনি বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, “আমি সবার কাছে অনুরোধ করছি, আমাকে ন্যায়বিচার পেতে সাহায্য করুন।
আমার অর্থ, পাসপোর্ট ও পরিচয়পত্র ফেরত পেতে এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে বিচার নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা চাই। তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত মোছাঃ মোর্শেদা আক্তার বা তার পরিবারের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ী উপজেলার গৃহবধু মোছাঃ মোর্শেদা আক্তার বিয়ে করা চীনা নাগরিক আন হংওয়েই অভিযোগ করেছেন, তার বাংলাদেশি স্ত্রী মোছাঃ মোর্শেদা আক্তার তাকে প্রতারণার মাধ্যমে বিপুল অর্থ ও গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র থেকে হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে।
চীনা নাগরিক আন হংওয়েই জানান, আমার স্ত্রী মোছাঃ মোর্শেদা আক্তার প্রায় ২৪ লাখ টাকা মূল্যের মার্কিন ডলার, পাসপোর্ট ও অন্যান্য পরিচয়পত্র আত্মসাত করে উধাও হয়েছে। এছাড়া এসব কাগজপত্র নিজের কাছে রেখে তাকে নিজ দেশে ফিরে যেতে বাধা দিচ্ছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
তার দাবি, মোছাঃ মোর্শেদা আক্তার তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে তালাক না দিয়েই অন্য একজনকে বিয়ে করেছেন। এ ঘটনায় তিনি মোছাঃ মোর্শেদা আক্তারের পরিবারের বিরুদ্ধেও প্রতারণার অভিযোগ এনে বলেন, “তাদের পুরো পরিবার একটি প্রতারক চক্র হিসেবে কাজ করছে।
চীনা এই নাগরিক আরও বলেন, “আমি দীর্ঘদিন ধরে ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে আমার স্ত্রী মোছাঃ মোর্শেদা আক্তারের খোঁজ করছি। কিন্তু এখন পর্যন্ত তার কোনো সন্ধান পাইনি। তিনি বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, “আমি সবার কাছে অনুরোধ করছি, আমাকে ন্যায়বিচার পেতে সাহায্য করুন।
আমার অর্থ, পাসপোর্ট ও পরিচয়পত্র ফেরত পেতে এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে বিচার নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা চাই। তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত মোছাঃ মোর্শেদা আক্তার বা তার পরিবারের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।