আনোয়ার সাঈদ তিতু, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:-
কুড়িগ্রাম জেলার ব্রহ্মপুত্র নদে জেলেদের জালে ধরা পড়েছে ৫৫ কেজি ওজনের একটি বিশাল বাঘাইড় মাছ। রোববার (২১ জুন) সকালে কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর উপজেলার হাতিয়া অনন্তপুর এলাকার জেলে বকুল চন্দ্রের জালে মাছটি ধরা পড়ে।
জানা গেছে, মাছটি জেলেদের কাছ থেকে কিনে নেন কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর উপজেলার অনন্তপুর এলাকার স্কুল শিক্ষক মোঃ সাজেদুল ইসলাম সাজু। তিনি বলেন, ব্রহ্মপুত্র নদে নতুন পানি আসায় বড় মাছের চলাচল বেড়েছে। এ সুযোগে মাছ ধরতে গিয়ে জেলেদের জালে বাঘাইড়টি ধরা পড়ে। প্রত্যন্ত এলাকা থেকে এত বড় মাছ বাজারজাত করা জেলেদের জন্য কষ্টসাধ্য হওয়ায় মাছটি কিনে নিয়েছি। মোঃ সাজেদুল ইসলাম সাজু আরও বলেন, ৫৫ কেজির এই মাছ একা খাওয়া সম্ভব নয়।
তাই প্রতি কেজি এক হাজার ৫০০ টাকা দরে বিক্রির উদ্যোগ নিয়েছি। এতে মাছটি প্রায় ৮৫ হাজার টাকায় বিক্রি হবে। কুড়িগ্রাম জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ জহিরুল ইসলাম আকন্দ বলেন, বৃষ্টি ও উজানের ঢলে ব্রহ্মপুত্র নদে মাছের বিচরণ বেড়েছে।
জেলেদের জালে ৫৫ কেজি ওজনের একটি বাঘাইড় মাছ ধরা পড়া অবশ্যই সুখবর। মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণে আমরা সারা বছর জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছি। যা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
কুড়িগ্রাম জেলার ব্রহ্মপুত্র নদে জেলেদের জালে ধরা পড়েছে ৫৫ কেজি ওজনের একটি বিশাল বাঘাইড় মাছ। রোববার (২১ জুন) সকালে কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর উপজেলার হাতিয়া অনন্তপুর এলাকার জেলে বকুল চন্দ্রের জালে মাছটি ধরা পড়ে।
জানা গেছে, মাছটি জেলেদের কাছ থেকে কিনে নেন কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর উপজেলার অনন্তপুর এলাকার স্কুল শিক্ষক মোঃ সাজেদুল ইসলাম সাজু। তিনি বলেন, ব্রহ্মপুত্র নদে নতুন পানি আসায় বড় মাছের চলাচল বেড়েছে। এ সুযোগে মাছ ধরতে গিয়ে জেলেদের জালে বাঘাইড়টি ধরা পড়ে। প্রত্যন্ত এলাকা থেকে এত বড় মাছ বাজারজাত করা জেলেদের জন্য কষ্টসাধ্য হওয়ায় মাছটি কিনে নিয়েছি। মোঃ সাজেদুল ইসলাম সাজু আরও বলেন, ৫৫ কেজির এই মাছ একা খাওয়া সম্ভব নয়।
তাই প্রতি কেজি এক হাজার ৫০০ টাকা দরে বিক্রির উদ্যোগ নিয়েছি। এতে মাছটি প্রায় ৮৫ হাজার টাকায় বিক্রি হবে। কুড়িগ্রাম জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ জহিরুল ইসলাম আকন্দ বলেন, বৃষ্টি ও উজানের ঢলে ব্রহ্মপুত্র নদে মাছের বিচরণ বেড়েছে।
জেলেদের জালে ৫৫ কেজি ওজনের একটি বাঘাইড় মাছ ধরা পড়া অবশ্যই সুখবর। মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণে আমরা সারা বছর জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছি। যা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।