মাধবপুরে পাহাড়ি ছড়া ও নদী থেকে অবাধে বালু উত্তোলন পরিবেশ বিপর্যয়ের আশঙ্কা

আপলোড সময় : ২২-০৬-২০২৬ ০১:২০:৪০ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ২২-০৬-২০২৬ ০১:২৯:২৭ অপরাহ্ন
লিটন পাঠান, হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি


হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় কোনো ধরনের ইজারা বা সরকারি অনুমোদন ছাড়াই পাহাড়ি ছড়া ও সোনাই নদী থেকে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ সিলিকা বালু উত্তোলন করে বিক্রি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে সরকার বিপুল অঙ্কের রাজস্ব হারানোর পাশাপাশি পরিবেশ ও নদী ব্যবস্থাপনা মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে বলে স্থানীয়দের দাবি।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একটি প্রভাবশালী চক্র দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনের কতিপয় অসাধু কর্মকর্তার যোগসাজশে এ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, সরকারি বিধি-বিধান উপেক্ষা করে প্রতিদিন কয়েক লাখ ঘনফুট বালু উত্তোলন করে ট্রাক ও ট্রাক্টরের মাধ্যমে বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্টদের দাবি, সিলিকা বালুর কোয়ারি ইজারা না দেওয়ায় সরকার বছরে প্রায় ১০ কোটি টাকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। অথচ প্রকাশ্যে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন চললেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না। সরেজমিনে দেখা গেছে, রঘুনন্দন পাহাড়সংলগ্ন সোনাই নদীর বোরহানপুর, ভবানীপুর, দুর্লভপুর, আফজলপুর, বহরা, চৌমুহনী রাবার ড্যাম এলাকা, কাশিমপুর, আলাবক্সপুর, মনোহরপুর, মঙ্গলপুর, গাজীপুর ও আশ্রবপুর মৌজাসহ বিভিন্ন স্থানে অর্ধশতাধিক ড্রেজার মেশিন বসিয়ে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ড্রেজার মেশিন ব্যবহার করে অবাধে বালু উত্তোলনের ফলে সোনাই নদীতে নির্মিত দুটি রাবার ড্যাম ঝুঁকির মুখে পড়েছে। নদীর তলদেশ পরিবর্তিত হওয়ায় ড্যাম ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এ বিষয়ে সচেতন মহল অবিলম্বে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ, জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সরকারি রাজস্ব নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

প্রশাসনের নীরব ভূমিকা নিয়েও এলাকায় নানা আলোচনা-সমালোচনা চলছে। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

সম্পাদকীয় :

প্রকাশক ও সম্পাদক

মোঃ গোলাম মাওলা শাওন

মোবাইল : ০১৭১১-০০৬২১৪

অফিস :

প্রধান কার্যালয়


৩১/১ শরীফ কমপ্লেক্স দশম তলা পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০

মোবাইল : ০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০

ই-মেইল : banglaralonewsbd@gmail.com