আনোয়ার সাঈদ তিতু, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:-
কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী উপজেলার দুটি সীমান্তের শূন্যরেখায় টানা ৯ দিন ধরে খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) কর্তৃক পুশইনের চেষ্টার শিকার পাঁচ যুবক। তীব্র রোদ, বৃষ্টি ও প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যেও কোনো দেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে না পেরে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন পার করছেন তারা।
সোমবার (২২ জুন) সকালে সীমান্তের শূন্যরেখায় ওই পাঁচ যুবকের অবস্থানের বিষয়টি নিশ্চিত করেন জামালপুর ৩৫ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ হাসানুর রহমান। জানা গেছে, গত রোববার সকালে বিএসএফ ওই পাঁচ যুবককে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা করে।
তবে বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিজিবি) তাদের গ্রহণে আপত্তি জানিয়ে বাধা দিলে তারা রৌমারীর গয়টাপাড়া ও ভন্দুরচর সীমান্তের শূন্যরেখায় আটকা পড়েন। এরপর থেকেই তারা দুই দেশের মাঝামাঝি এলাকায় অবস্থান করছেন। বর্তমানে একদিকে বিএসএফ এবং অন্যদিকে বিজিবির অবস্থানের কারণে যুবকরা কার্যত দুই দেশের মাঝখানে বন্দি জীবনযাপন করছেন। তারা যেমন ভারতে ফিরে যেতে পারছেন না, তেমনি বাংলাদেশের ভূখণ্ডেও প্রবেশ করতে পারছেন না। ফলে দিন দিন তাদের মানবিক সংকট আরও গভীর হচ্ছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ৯ দিন ধরে খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করলেও তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে এখনো কোনো কার্যকর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে দ্রুত এই সংকটের সমাধান এবং যুবকদের নিরাপদ আশ্রয়ের ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছেন তারা। এদিকে সীমান্তের শূন্যরেখায় আটকে থাকা পাঁচ যুবকের অনিশ্চিত জীবন নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, মানবিক বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
জামালপুর ৩৫ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ হাসানুর রহমান বলেন, “ঘটনাটির শান্তিপূর্ণ ও কূটনৈতিক সমাধানের লক্ষ্যে দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর উচ্চপর্যায়ে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। তবে ঠিক কবে নাগাদ এ সংকটের সমাধান হবে, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না।”
কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী উপজেলার দুটি সীমান্তের শূন্যরেখায় টানা ৯ দিন ধরে খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) কর্তৃক পুশইনের চেষ্টার শিকার পাঁচ যুবক। তীব্র রোদ, বৃষ্টি ও প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যেও কোনো দেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে না পেরে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন পার করছেন তারা।
সোমবার (২২ জুন) সকালে সীমান্তের শূন্যরেখায় ওই পাঁচ যুবকের অবস্থানের বিষয়টি নিশ্চিত করেন জামালপুর ৩৫ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ হাসানুর রহমান। জানা গেছে, গত রোববার সকালে বিএসএফ ওই পাঁচ যুবককে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা করে।
তবে বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিজিবি) তাদের গ্রহণে আপত্তি জানিয়ে বাধা দিলে তারা রৌমারীর গয়টাপাড়া ও ভন্দুরচর সীমান্তের শূন্যরেখায় আটকা পড়েন। এরপর থেকেই তারা দুই দেশের মাঝামাঝি এলাকায় অবস্থান করছেন। বর্তমানে একদিকে বিএসএফ এবং অন্যদিকে বিজিবির অবস্থানের কারণে যুবকরা কার্যত দুই দেশের মাঝখানে বন্দি জীবনযাপন করছেন। তারা যেমন ভারতে ফিরে যেতে পারছেন না, তেমনি বাংলাদেশের ভূখণ্ডেও প্রবেশ করতে পারছেন না। ফলে দিন দিন তাদের মানবিক সংকট আরও গভীর হচ্ছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ৯ দিন ধরে খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করলেও তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে এখনো কোনো কার্যকর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে দ্রুত এই সংকটের সমাধান এবং যুবকদের নিরাপদ আশ্রয়ের ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছেন তারা। এদিকে সীমান্তের শূন্যরেখায় আটকে থাকা পাঁচ যুবকের অনিশ্চিত জীবন নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, মানবিক বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
জামালপুর ৩৫ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ হাসানুর রহমান বলেন, “ঘটনাটির শান্তিপূর্ণ ও কূটনৈতিক সমাধানের লক্ষ্যে দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর উচ্চপর্যায়ে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। তবে ঠিক কবে নাগাদ এ সংকটের সমাধান হবে, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না।”