ইসরাইল কেন ইরানি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় বোমা হামলা করেছে

আপলোড সময় : ১৯-০৫-২০২৬ ১১:২৫:৪৩ পূর্বাহ্ন , আপডেট সময় : ১৯-০৫-২০২৬ ১১:২৫:৪৩ পূর্বাহ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক:
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের প্রায় দেড় মাসের নির্বিচার হামলার সময় দেশটির প্রায় ৩০ বিশ্ববিদ্যালয়ে বোমা এবং ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে এগুলো ধ্বংস অথবা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ইসরাইলি যুদ্ধবিমান। ক্ষতিগ্রস্ত উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য একটি হলো তেহরানের শরিফ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, যেটিকে অনেকেই যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির (এমআইটি) সঙ্গে তুলনা করেন। উচ্চশিক্ষার বিরুদ্ধে ইসরাইলের এই আগ্রাসনকে অনেক পণ্ডিত ‘শিক্ষাবিদ হত্যা’ বা ‘জ্ঞান হত্যা’ বলে অভিহিত করেছেন।

 
ইরানের এতগুলো বিশ্ববিদ্যালয়কে টার্গেট করার অনেক কারণ আছে। এসব বিশ্ববিদ্যালয় হলো গবেষণা ও পাণ্ডিত্যের কেন্দ্র। এগুলো যেকোনো শক্তিশালী সমাজের বৈজ্ঞানিক অবকাঠামো গঠন করে। ইরানের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো এশিয়া, আফ্রিকা, লাতিন আমেরিকা, ইউরোপ এবং যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মতোই এমন জায়গা, যেখানে চিকিৎসা, প্রকৌশল, স্থাপত্য, কলা, সমাজবিজ্ঞান এবং মানবিক বিদ্যায় অত্যাধুনিক গবেষণা পরিচালিত হয়। এসব বিশ্ববিদ্যালয়ের মাধ্যমে আধুনিক জ্ঞান-বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে ইরানের অগ্রগতি অর্জনের পথকে বাধাগ্রস্ত করতেই পরিকল্পিতভাবে দেশটির বিশ্ববিদ্যালয়গুলো হামলার টার্গেট করেছিল ইসরাইল।


ইসরাইলের এই বর্বর হামলার আরো একটি কারণ এটাই যে, তারা এসব বিশ্ববিদ্যালয়কে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। এই বর্বরতা মুসলিম দেশগুলোর উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে ইসরাইলের গভীর ঘৃণার ইতিহাসেরই প্রতিফলন। কিন্তু মার্কিন মিডিয়া তাদের প্রতিবেদনে ইসরাইলের এই বর্বরতাকে এমনভাবে তুলে ধরে যে, এটা তেমন উল্লেখযোগ্য কোনো ঘটনাই নয়।

সম্পাদকীয় :

প্রকাশক ও সম্পাদক

মোঃ গোলাম মাওলা শাওন

মোবাইল : ০১৭১১-০০৬২১৪

অফিস :

প্রধান কার্যালয়


৩১/১ শরীফ কমপ্লেক্স ৬ষ্ট তলা পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০

মোবাইল : ০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০

ই-মেইল : banglaralonewsbd@gmail.com