নিজস্ব প্রতিবেদক
বছরের পর বছর ধরে, ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস প্রতিদ্বন্দ্বীদের ক্ষমতাচ্যুত করে, বিচার বিভাগকে কোণঠাসা করে এবং নিরাপত্তার বিষয়ে ইসরাইলের সঙ্গে সহযোগিতা করে ক্ষমতার ওপর একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছেন।
৯০ বছর বয়সী আব্বাস এখন তার প্রভাব বিস্তারের জন্য আরেকটি পন্থা অবলম্বন করছেন। তিনি তার ছেলে ইয়াসিরকে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের শাসক দল ফাতাহর একটি শীর্ষ নেতৃত্বের পদের জন্য প্রস্তুত করছেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে ছয়জন ফিলিস্তিনি কর্মকর্তা নিউ ইয়র্ক টাইমসকে এই তথ্য জানিয়েছেন।
ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ, যা পশ্চিম তীরের কিছু অংশে সীমিত স্বশাসন পরিচালনা করে এবং ২০০৫ সাল থেকে এর নেতৃত্বে রয়েছেন আব্বাস। তিনি দীর্ঘদিন ধরে দুর্নীতির অভিযোগে জর্জরিত। আব্বাসের প্রেসিডেন্ট পদের মেয়াদ আনুষ্ঠানিকভাবে ২০০৯ সালে শেষ হয়ে গেলেও, তিনি এরপর থেকে নির্বাচন বাতিল করেছেন।
অনেক ফিলিস্তিনির কাছে, নিজের ছেলেকে ক্ষমতায় আনার এই প্রচেষ্টা এটাই প্রমাণ করে, ক্ষমতার ওপর থেকে তার দখল শিথিল বা নতুন নেতৃত্বের জন্য জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণ করার কোনো ইচ্ছাই আব্বাসের নেই।
৯০ বছর বয়সী আব্বাস এখন তার প্রভাব বিস্তারের জন্য আরেকটি পন্থা অবলম্বন করছেন। তিনি তার ছেলে ইয়াসিরকে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের শাসক দল ফাতাহর একটি শীর্ষ নেতৃত্বের পদের জন্য প্রস্তুত করছেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে ছয়জন ফিলিস্তিনি কর্মকর্তা নিউ ইয়র্ক টাইমসকে এই তথ্য জানিয়েছেন।
ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ, যা পশ্চিম তীরের কিছু অংশে সীমিত স্বশাসন পরিচালনা করে এবং ২০০৫ সাল থেকে এর নেতৃত্বে রয়েছেন আব্বাস। তিনি দীর্ঘদিন ধরে দুর্নীতির অভিযোগে জর্জরিত। আব্বাসের প্রেসিডেন্ট পদের মেয়াদ আনুষ্ঠানিকভাবে ২০০৯ সালে শেষ হয়ে গেলেও, তিনি এরপর থেকে নির্বাচন বাতিল করেছেন।
অনেক ফিলিস্তিনির কাছে, নিজের ছেলেকে ক্ষমতায় আনার এই প্রচেষ্টা এটাই প্রমাণ করে, ক্ষমতার ওপর থেকে তার দখল শিথিল বা নতুন নেতৃত্বের জন্য জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণ করার কোনো ইচ্ছাই আব্বাসের নেই।