নিজস্ব প্রতিবেদক
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সাম্প্রতিক বৈঠক থেকে বড় কোনো সুনির্দিষ্ট সমঝোতা না আসায় বিশ্ববাজারে হতাশা ছড়িয়ে পড়েছে। বিশেষ করে বিনিয়োগকারীরা বৈঠকের ফলাফল নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করায় শুক্রবার সকালেই আন্তর্জাতিক শেয়ারবাজারে নেতিবাচক প্রভাব দেখা গেছে।
বৈঠকে কৃষিপণ্য কেনা নিয়ে কিছু অস্পষ্ট আলোচনা এবং চীনের পক্ষ থেকে তেল আমদানির বিষয়ে সীমিত প্রতিশ্রুতির কথা উঠে আসে। এছাড়া চীনের কাছে মাইক্রোচিপ বিক্রির পথ কিছুটা উন্মুক্ত করার ইঙ্গিত দেওয়া হলেও বড় কোনো বাণিজ্য চুক্তি হয়নি। গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি পুনরায় পুরোপুরি চালুর বিষয়েও কোনো দৃঢ় সিদ্ধান্ত আসেনি। এমনকি ট্রাম্প জানিয়েছেন, বৈঠকে শুল্ক বা ট্যারিফ ইস্যু নিয়েও আলোচনা হয়নি।
এই পরিস্থিতিতে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে অনিশ্চয়তা বাড়তে থাকে। এর প্রভাবে শুক্রবার সকালে ডাও জোন্স ফিউচারস ৩০০ পয়েন্টের বেশি বা প্রায় শূন্য দশমিক ৬ শতাংশ কমে যায়। একই সঙ্গে এসঅ্যান্ডপি ৫০০ ফিউচারস ১ শতাংশ এবং নাসডাক ফিউচারস ১ দশমিক ৪ শতাংশ পর্যন্ত নিচে নেমে আসে।
বৈঠকে কৃষিপণ্য কেনা নিয়ে কিছু অস্পষ্ট আলোচনা এবং চীনের পক্ষ থেকে তেল আমদানির বিষয়ে সীমিত প্রতিশ্রুতির কথা উঠে আসে। এছাড়া চীনের কাছে মাইক্রোচিপ বিক্রির পথ কিছুটা উন্মুক্ত করার ইঙ্গিত দেওয়া হলেও বড় কোনো বাণিজ্য চুক্তি হয়নি। গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি পুনরায় পুরোপুরি চালুর বিষয়েও কোনো দৃঢ় সিদ্ধান্ত আসেনি। এমনকি ট্রাম্প জানিয়েছেন, বৈঠকে শুল্ক বা ট্যারিফ ইস্যু নিয়েও আলোচনা হয়নি।
এই পরিস্থিতিতে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে অনিশ্চয়তা বাড়তে থাকে। এর প্রভাবে শুক্রবার সকালে ডাও জোন্স ফিউচারস ৩০০ পয়েন্টের বেশি বা প্রায় শূন্য দশমিক ৬ শতাংশ কমে যায়। একই সঙ্গে এসঅ্যান্ডপি ৫০০ ফিউচারস ১ শতাংশ এবং নাসডাক ফিউচারস ১ দশমিক ৪ শতাংশ পর্যন্ত নিচে নেমে আসে।