নৌ অবরোধ এড়াতে পাকিস্তানের স্থল করিডোরের দিকে ঝুঁকছে ইরান

আপলোড সময় : ১৫-০৫-২০২৬ ০৪:৩৩:২৪ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ১৫-০৫-২০২৬ ০৪:৩৩:২৪ অপরাহ্ন
নিজস্ব প্রতিবেদক
ইরানে পণ্য সরবরাহে পাকিস্তানের সঙ্গে নতুন স্থল বাণিজ্য রুটগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এই স্থল করিডর আঞ্চলিক বাজারে ইরানের প্রবেশাধিকার সহজ এবং সম্ভবত মধ্য এশিয়ার দিকে একটি নতুন বাণিজ্যিক পথ খুলে দিচ্ছে।

গত মাসে এসআরও ৬৯১ নামে একটি নীতিমালা জারি করেছে পাকিস্তানের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। এতে তৃতীয় দেশ থেকে পাকিস্তানি ভূখণ্ডের মধ্য দিয়ে ইরানে যাওয়া কার্গোর জন্য ছয়টি ট্রানজিট রুট নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রায় দুই দশক ধরে নিষ্ক্রিয় থাকা একটি প্রকল্প পুনরুজ্জীবিত করে পাকিস্তান সরকার জানিয়েছে, এই ছয়টি করিডোর পাকিস্তানের করাচি, পোর্ট কাসিম এবং গোয়াদর বন্দরকে বেলুচিস্তানের মধ্য দিয়ে ইরানের গাব্দ ও তাফতান সীমান্ত ক্রসিংয়ের সঙ্গে সংযুক্ত করবে।

এই নীতিমালা পাকিস্তান ও ইরান উভয়ের জন্যই বহু প্রতীক্ষিত স্বস্তি এনে দিয়েছে। এটি এমন এক সময়ে এলো যখন যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনা দ্বিতীয় দফা ভেস্তে গেছে এবং ইরানের বন্দরগুলোতে মার্কিন নৌ অবরোধ সামুদ্রিক বাণিজ্যকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করেছে।

বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানগামী হাজার হাজার কন্টেইনার করাচি বন্দরে আটকা পড়েছে। অন্যদিকে হরমুজ প্রণালি ও পারস্য উপসাগরের কাছে যুদ্ধ-ঝুঁকি বীমার প্রিমিয়াম বেড়ে যাওয়ায় অনেক জাহাজ সংস্থা ইরানগামী পণ্য পরিবহন বন্ধ করে দিয়েছে।

ইরান ও দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ে বিশেষজ্ঞ ফাতেমেহ আমান‘মিডল ইস্ট আইকে বলেন, ‘এই করিডোরগুলো থেকে ইরান লাভবান হতে পারে।’

তিনি বলেন, ‘ঝুঁকিপূর্ণ সামুদ্রিক পথের ওপর নির্ভরতা কিছুটা কমাতে পারে এবং নিষেধাজ্ঞা ও আঞ্চলিক উত্তেজনার মধ্যেও সীমিত আঞ্চলিক বাণিজ্য বজায় রাখতে পারে।’

এই করিডোরের আইনি ভিত্তি হলো ২০০৮ সালে ইরান ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি দ্বিপক্ষীয় সড়ক পরিবহন চুক্তি, যা বছরের পর বছর নিষ্ক্রিয় ছিল।

কিন্তু এই করিডোরের তাৎপর্য শুধু ইরানে প্রবেশের সুযোগের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়।

সম্পাদকীয় :

প্রকাশক ও সম্পাদক

মোঃ গোলাম মাওলা শাওন

মোবাইল : ০১৭১১-০০৬২১৪

অফিস :

প্রধান কার্যালয়


৩১/১ শরীফ কমপ্লেক্স ৬ষ্ট তলা পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০

মোবাইল : ০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০

ই-মেইল : banglaralonewsbd@gmail.com