নিজস্ব প্রতিবেদক
ইসরাইল যদি মনে করে সীমান্ত এলাকাগুলোতে ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়ে এবং আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে তারা নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারবে, তবে তারা ভুলের মধ্যে আছে বলে মন্তব্য করেছেন লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন।
তিনি বলেন, সীমান্ত সুরক্ষার একমাত্র পথ হলো সমগ্র দক্ষিণ লেবাননজুড়ে লেবানিজ রাষ্ট্রের পূর্ণ শক্তি ও উপস্থিতি নিশ্চিত করা।
চলমান পরিস্থিতি নিরসনে লেবানন সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে প্রেসিডেন্ট আউন বলেন, আলোচনার মাধ্যমেই কেবল এই সংকটের স্থায়ী সমাধান সম্ভব। তবে আলোচনার টেবিলে বসার আগে ইসরাইলকে অবশ্যই যুদ্ধবিরতি কার্যকর করতে হবে।
প্রেসিডেন্ট আরো জানান, লেবানন সরকার বর্তমানে ওয়াশিংটনের উত্তরের অপেক্ষায় রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র শান্তি আলোচনার দিনক্ষণ চূড়ান্ত করলেই পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এর আগে গত সপ্তাহে ওয়াশিংটনে ইসরাইল ও লেবাননের প্রতিনিধিদের মধ্যে প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে, যেখানে লেবানন এক মাসের যুদ্ধবিরতি বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে দায়িত্ব নেওয়া প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন শুরু থেকেই হিজবুল্লাহর বদলে রাষ্ট্রীয় সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার ওপর জোর দিয়ে আসছেন। তিনি মনে করেন, দক্ষিণ লেবাননে রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠিত হলেই দীর্ঘমেয়াদী শান্তি ফিরে আসবে।
তিনি বলেন, সীমান্ত সুরক্ষার একমাত্র পথ হলো সমগ্র দক্ষিণ লেবাননজুড়ে লেবানিজ রাষ্ট্রের পূর্ণ শক্তি ও উপস্থিতি নিশ্চিত করা।
চলমান পরিস্থিতি নিরসনে লেবানন সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে প্রেসিডেন্ট আউন বলেন, আলোচনার মাধ্যমেই কেবল এই সংকটের স্থায়ী সমাধান সম্ভব। তবে আলোচনার টেবিলে বসার আগে ইসরাইলকে অবশ্যই যুদ্ধবিরতি কার্যকর করতে হবে।
প্রেসিডেন্ট আরো জানান, লেবানন সরকার বর্তমানে ওয়াশিংটনের উত্তরের অপেক্ষায় রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র শান্তি আলোচনার দিনক্ষণ চূড়ান্ত করলেই পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এর আগে গত সপ্তাহে ওয়াশিংটনে ইসরাইল ও লেবাননের প্রতিনিধিদের মধ্যে প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে, যেখানে লেবানন এক মাসের যুদ্ধবিরতি বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে দায়িত্ব নেওয়া প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন শুরু থেকেই হিজবুল্লাহর বদলে রাষ্ট্রীয় সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার ওপর জোর দিয়ে আসছেন। তিনি মনে করেন, দক্ষিণ লেবাননে রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠিত হলেই দীর্ঘমেয়াদী শান্তি ফিরে আসবে।