নিজস্ব প্রতিবেদক
বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের অনুমোদন ছাড়া সাপ্লিমেন্ট জাতীয় পণ্যের এলসি খুলতে পারবে না। সম্প্রতি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় থেকে একটি প্রজ্ঞাপন জারির মধ্য দিয়ে এই নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। বুধবার কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকেও এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করা হয়েছে।
সরকারি প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ‘ঔষধ ও কসমেটিকস আইন, ২০২৩’ অনুযায়ী ডায়েটারি সাপ্লিমেন্ট, হারবাল সাপ্লিমেন্ট, নিউট্রিশনাল সাপ্লিমেন্ট, মেডিকেল নিউট্রিশন বা থেরাপিউটিক নিউট্রিশন এবং সম্পূরক পথ্যজাতীয় পণ্যের উৎপাদন, আমদানি, রপ্তানি, বিক্রয় ও বিতরণের ক্ষেত্রে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের নিবন্ধন বা পূর্বানুমোদন বাধ্যতামূলক। এই বিধান লঙ্ঘন করে পণ্য আমদানি বা বাজারজাত করা দণ্ডনীয় অপরাধ।
নির্দেশনায় আরো উল্লেখ করা হয়, কিছু আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান নিবন্ধন বা অনুমোদন ছাড়াই বিদেশ থেকে বিভিন্ন সাপ্লিমেন্ট পণ্য আমদানি করেছে। এ অবস্থায় কাস্টমস কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় অনুমোদন না থাকায় এসব পণ্য খালাস বন্ধ রাখে। পরে সংশ্লিষ্ট আমদানিকারকরা বিষয়টি নিয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন এবং আদালত পণ্য খালাসের নির্দেশ দেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের আপিল বিভাগে আপিল করে। পরবর্তীতে আপিল বিভাগ আইন অনুযায়ী শর্তে পণ্য খালাসের নির্দেশনা দেন।
এই পরিস্থিতিতে জনস্বার্থ রক্ষা এবং আইনের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করতে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর থেকে অনুরোধ জানানো হয়েছে, নিবন্ধন সনদ বা পূর্বানুমোদন ছাড়া কোনো সাপ্লিমেন্ট পণ্য আমদানির জন্য এলসি বা টিটি খোলা যাবে না।
সরকারি প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ‘ঔষধ ও কসমেটিকস আইন, ২০২৩’ অনুযায়ী ডায়েটারি সাপ্লিমেন্ট, হারবাল সাপ্লিমেন্ট, নিউট্রিশনাল সাপ্লিমেন্ট, মেডিকেল নিউট্রিশন বা থেরাপিউটিক নিউট্রিশন এবং সম্পূরক পথ্যজাতীয় পণ্যের উৎপাদন, আমদানি, রপ্তানি, বিক্রয় ও বিতরণের ক্ষেত্রে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের নিবন্ধন বা পূর্বানুমোদন বাধ্যতামূলক। এই বিধান লঙ্ঘন করে পণ্য আমদানি বা বাজারজাত করা দণ্ডনীয় অপরাধ।
নির্দেশনায় আরো উল্লেখ করা হয়, কিছু আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান নিবন্ধন বা অনুমোদন ছাড়াই বিদেশ থেকে বিভিন্ন সাপ্লিমেন্ট পণ্য আমদানি করেছে। এ অবস্থায় কাস্টমস কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় অনুমোদন না থাকায় এসব পণ্য খালাস বন্ধ রাখে। পরে সংশ্লিষ্ট আমদানিকারকরা বিষয়টি নিয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন এবং আদালত পণ্য খালাসের নির্দেশ দেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের আপিল বিভাগে আপিল করে। পরবর্তীতে আপিল বিভাগ আইন অনুযায়ী শর্তে পণ্য খালাসের নির্দেশনা দেন।
এই পরিস্থিতিতে জনস্বার্থ রক্ষা এবং আইনের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করতে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর থেকে অনুরোধ জানানো হয়েছে, নিবন্ধন সনদ বা পূর্বানুমোদন ছাড়া কোনো সাপ্লিমেন্ট পণ্য আমদানির জন্য এলসি বা টিটি খোলা যাবে না।