নিজস্ব প্রতিবেদক
কুমিল্লার দেবিদ্বার পৌরসভায় মহাসড়কের পাশেই ময়লার ভাগাড় দুর্গন্ধ ছাড়াচ্ছে । চরম ভোগান্তি পোহাচ্ছে এলাকাবাসী ।
সরেজমিনে দেখা যায়, দেবিদ্বার পৌর এলাকার কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কের সাইলচর এলাকা পার হলেই পরিবহনের যাত্রীরা নাকমুখ চেপে রাখেন।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এসব স্থানে জমে থাকা ময়লা থেকে ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধ। মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে আছেন এলাকার মানুষ। বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক রোগীরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়ছেন। ময়লা ফেলে এমন পরিবেশ দূষণের ঘটনায় নীরব প্রশাসন।
বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার পৌর কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ জানানো হলেও এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এতে করে ক্ষোভ ও অসন্তোষ বাড়ছে জনমনে।
নেসার উদ্দিন নামে স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, মহাসড়কের পাশে ময়লার ভাগাড়ের কারণে সাধারণ মানুষকে নিশ্বাস বন্ধ করে চলাচল করতে হচ্ছে।
দেবিদ্বার পৌর প্রশাসক ফয়সল উদ্দিন বলেন, ফতেহাবাদ ওয়ার্ডে ডাম্পিং স্টেশনের কাজ শেষের দিকে রয়েছে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ও জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর জানিয়েছে তারা জুন মাসের মধ্যে ডাম্পিং স্টেশন হস্তান্তর করবে।
সরেজমিনে দেখা যায়, দেবিদ্বার পৌর এলাকার কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কের সাইলচর এলাকা পার হলেই পরিবহনের যাত্রীরা নাকমুখ চেপে রাখেন।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এসব স্থানে জমে থাকা ময়লা থেকে ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধ। মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে আছেন এলাকার মানুষ। বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক রোগীরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়ছেন। ময়লা ফেলে এমন পরিবেশ দূষণের ঘটনায় নীরব প্রশাসন।
বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার পৌর কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ জানানো হলেও এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এতে করে ক্ষোভ ও অসন্তোষ বাড়ছে জনমনে।
নেসার উদ্দিন নামে স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, মহাসড়কের পাশে ময়লার ভাগাড়ের কারণে সাধারণ মানুষকে নিশ্বাস বন্ধ করে চলাচল করতে হচ্ছে।
দেবিদ্বার পৌর প্রশাসক ফয়সল উদ্দিন বলেন, ফতেহাবাদ ওয়ার্ডে ডাম্পিং স্টেশনের কাজ শেষের দিকে রয়েছে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ও জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর জানিয়েছে তারা জুন মাসের মধ্যে ডাম্পিং স্টেশন হস্তান্তর করবে।