ইরানের হাতে এখনো গুরুত্বপূর্ণ কিছু কার্ড আছে: গালিবাফ

আপলোড সময় : ২৭-০৪-২০২৬ ০৫:৪২:৩৮ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ২৭-০৪-২০২৬ ০৫:৪২:৩৮ অপরাহ্ন
নিজস্ব প্রতিবেদক
ওয়াশিংটন ও তেহরানের অর্থনৈতিক ‘কার্ড’ নিয়ে বিশ্লেষণ করেছেন ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার বাঘের গালিবাফ। এ ক্ষেত্রে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের আধিপত্যের দাবি খারিজ করে বলেছেন, দেশটি ইতোমধ্যেই তার শক্তির বড় একটি অংশ হারিয়েছে। বিপরীতে, তেহরানের হাতে এখনো কিছু গুরুত্বপূর্ণ ‘কার্ড’ রয়েছে, যা এখনো ব্যবহার করা হয়নি।

রোববার নিজের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

গালিবাফ একটি সমীকরণের কথা উল্লেখ করেন। এর একদিকে রয়েছে ইরানের সরবরাহভিত্তিক সক্ষমতা—হরমুজ প্রণালি, বাব এল-মান্দেব প্রণালি এবং তেলের পাইপলাইন। অন্যদিকে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের চাহিদাভিত্তিক পদক্ষেপ—কৌশলগত মজুত থেকে তেল ছাড়, চাহিদা নিয়ন্ত্রণ এবং সম্ভাব্য মূল্য সমন্বয়।

তিনি বলেন, তেহরানের কাছে এখনো এমন কিছু বিকল্প রয়েছে, যা ব্যবহার করা হয়নি। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যেই তার বেশ কয়েকটি হাতিয়ার প্রয়োগ করেছে বা আংশিকভাবে ব্যবহার করেছে।

যুক্তরাষ্ট্রকে উদ্দেশ করে তিনি লেখেন, ‘তারা কার্ড নিয়ে বড়াই করছে। দেখা যাক—সরবরাহ কার্ড বনাম চাহিদা কার্ড।’

তেহরানের কার্ড প্রসঙ্গে তিনি জানান, হরমুজ প্রণালির কার্ড আংশিকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে, তবে বাব এল-মান্দেব প্রণালি ও পাইপলাইন কার্ড এখনো ব্যবহৃত হয়নি।

অন্যদিকে, ওয়াশিংটনের কার্ড হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন—মজুত থেকে তেল ছাড়া হয়েছে, চাহিদা নিয়ন্ত্রণ আংশিকভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতে আরও মূল্য সমন্বয় হতে পারে।

এছাড়া, যুক্তরাষ্ট্রের ‘অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতা’ তুলে ধরে তিনি বলেন, গ্রীষ্মকালীন ছুটির সময় দেশটিতে জ্বালানির চাহিদা বৃদ্ধির বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা প্রয়োজন।

সম্পাদকীয় :

প্রকাশক ও সম্পাদক

মোঃ গোলাম মাওলা শাওন

মোবাইল : ০১৭১১-০০৬২১৪

অফিস :

প্রধান কার্যালয়


৩১/১ শরীফ কমপ্লেক্স দশম তলা পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০

মোবাইল : ০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০

ই-মেইল : banglaralonewsbd@gmail.com