নিজস্ব প্রতিবেদক
গ্রেপ্তারের ঝুঁকি নিয়ে প্যালেস্টাইন অ্যাকশন গ্রুপের ওপর যুক্তরাজ্যের নিষেধাজ্ঞাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন ১৩০ জনেরও বেশি বিশিষ্ট ব্যক্তি। এদের মধ্যে রয়েছেন স্কলার, লেখক ও শিল্পী। তারা বলেছেন, ‘আমরা গণহত্যার বিরোধিতা করি, আমরা প্যালেস্টাইন অ্যাকশনকে সমর্থন করি।’
লন্ডনে আগামী সপ্তাহের আপিল শুনানির আগে আপিল আদালতের কাছে লেখা একটি খোলা চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন তারা। এরমাধ্যমে তারা সন্ত্রাসবাদ আইনের অধীনে গ্রেফতার হওয়ার ঝুঁকি নিচ্ছেন।
আইরিশ লেখিকা স্যালি রুনি, সুইডিশ অ্যাক্টিভিস্ট গ্রেটা থুনবার্গ, ব্রিটিশ সঙ্গীতশিল্পী ব্রায়ান ইনো, সেইসাথে অক্সফোর্ড ও কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও গবেষকসহ কয়েক ১৩০ জনের বেশি বিশিষ্ট ব্যক্তি প্যালেস্টাইন অ্যাকশন গোষ্ঠীর প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন।
মাত্র কয়েকটি শব্দে লেখা চিঠিটিতে বলা হয়েছে: ‘আমরা গণহত্যার বিরোধিতা করি, আমরা প্যালেস্টাইন অ্যাকশনকে সমর্থন করি’, এই স্লোগানটি ‘লিফট দ্য ব্যান’ বা ‘নিষেধাজ্ঞা তুলে নাও’ প্রচারণার সমার্থক হয়ে উঠেছে। ২০২৫ সালের জুলাইয়ে গোষ্ঠীটির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের পর থেকে এর হাজার হাজার সমর্থক গ্রেপ্তার হয়েছেন।
লন্ডনের কুইন মেরি ইউনিভার্সিটির আইন বিভাগের অধ্যাপক এবং স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে অন্যতম পেনি গ্রিন এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘এটা একদিকে যেমন অগ্রহণযোগ্য, তেমনই অন্যদিকে এটি অনেক কিছু প্রকাশ করে দেয় যে, গণহত্যার বিরোধিতাকারী শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের সন্ত্রাসী হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে। লেবার সরকার, যারা নিজেরাই ইসরাইলের রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসে জড়িত, তারা সব ধরনের জবাবদিহিতা এড়িয়ে যাচ্ছে।’
গোষ্ঠীটির সমর্থনে ‘লিফট দ্য ব্যান’ বিক্ষোভের আয়োজক দল ‘ডিফেন্ড আওয়ার জুরিস’-এর একজন মুখপাত্র বলেছেন, ‘যারা এই চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন, তারা তাদের স্বাধীনতা ও সুনামকে ঝুঁকির মুখে ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, কারণ জীবন বাঁচানো সন্ত্রাসবাদ নয়।’
পুলিশের তথ্যমতে, গত জুলাই মাসে সন্ত্রাসবাদ আইনের অধীনে প্যালেস্টাইন অ্যাকশনকে নিষিদ্ধ করা হয়। কারণ হিসেবে বলা হয়, গ্রুপটির সদস্যরা একটি রয়্যাল এয়ার ফোর্স ঘাঁটিতে প্রবেশ করে দুটি বিমানে স্প্রে-পেইন্ট করেছিল, যার ফলে ৭ মিলিয়ন মূল্যের ক্ষতি হয়েছিল। এরপর থেকে যুক্তরাজ্যজুড়ে শত শত ফিলিস্তিনপন্থি কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
মানবাধিকার সংস্থাগুলো এবং জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা যুক্তরাজ্যে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের ওপর ক্রমবর্ধমান দমন-পীড়নের সমালোচনা করেছেন। সরকারকে প্যালেস্টাইন অ্যাকশন গ্রুপের ওপর দেওয়া নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
লন্ডনে আগামী সপ্তাহের আপিল শুনানির আগে আপিল আদালতের কাছে লেখা একটি খোলা চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন তারা। এরমাধ্যমে তারা সন্ত্রাসবাদ আইনের অধীনে গ্রেফতার হওয়ার ঝুঁকি নিচ্ছেন।
আইরিশ লেখিকা স্যালি রুনি, সুইডিশ অ্যাক্টিভিস্ট গ্রেটা থুনবার্গ, ব্রিটিশ সঙ্গীতশিল্পী ব্রায়ান ইনো, সেইসাথে অক্সফোর্ড ও কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও গবেষকসহ কয়েক ১৩০ জনের বেশি বিশিষ্ট ব্যক্তি প্যালেস্টাইন অ্যাকশন গোষ্ঠীর প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন।
মাত্র কয়েকটি শব্দে লেখা চিঠিটিতে বলা হয়েছে: ‘আমরা গণহত্যার বিরোধিতা করি, আমরা প্যালেস্টাইন অ্যাকশনকে সমর্থন করি’, এই স্লোগানটি ‘লিফট দ্য ব্যান’ বা ‘নিষেধাজ্ঞা তুলে নাও’ প্রচারণার সমার্থক হয়ে উঠেছে। ২০২৫ সালের জুলাইয়ে গোষ্ঠীটির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের পর থেকে এর হাজার হাজার সমর্থক গ্রেপ্তার হয়েছেন।
লন্ডনের কুইন মেরি ইউনিভার্সিটির আইন বিভাগের অধ্যাপক এবং স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে অন্যতম পেনি গ্রিন এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘এটা একদিকে যেমন অগ্রহণযোগ্য, তেমনই অন্যদিকে এটি অনেক কিছু প্রকাশ করে দেয় যে, গণহত্যার বিরোধিতাকারী শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের সন্ত্রাসী হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে। লেবার সরকার, যারা নিজেরাই ইসরাইলের রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসে জড়িত, তারা সব ধরনের জবাবদিহিতা এড়িয়ে যাচ্ছে।’
গোষ্ঠীটির সমর্থনে ‘লিফট দ্য ব্যান’ বিক্ষোভের আয়োজক দল ‘ডিফেন্ড আওয়ার জুরিস’-এর একজন মুখপাত্র বলেছেন, ‘যারা এই চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন, তারা তাদের স্বাধীনতা ও সুনামকে ঝুঁকির মুখে ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, কারণ জীবন বাঁচানো সন্ত্রাসবাদ নয়।’
পুলিশের তথ্যমতে, গত জুলাই মাসে সন্ত্রাসবাদ আইনের অধীনে প্যালেস্টাইন অ্যাকশনকে নিষিদ্ধ করা হয়। কারণ হিসেবে বলা হয়, গ্রুপটির সদস্যরা একটি রয়্যাল এয়ার ফোর্স ঘাঁটিতে প্রবেশ করে দুটি বিমানে স্প্রে-পেইন্ট করেছিল, যার ফলে ৭ মিলিয়ন মূল্যের ক্ষতি হয়েছিল। এরপর থেকে যুক্তরাজ্যজুড়ে শত শত ফিলিস্তিনপন্থি কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
মানবাধিকার সংস্থাগুলো এবং জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা যুক্তরাজ্যে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের ওপর ক্রমবর্ধমান দমন-পীড়নের সমালোচনা করেছেন। সরকারকে প্যালেস্টাইন অ্যাকশন গ্রুপের ওপর দেওয়া নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।