নিজস্ব প্রতিবেদক
চট্টগ্রাম ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক জনাব আনোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম, দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার ও শিষ্টাচারবহির্ভূত আচরণের অভিযোগ এনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব বরাবর লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে। ২৬ এপ্রিল ২০২৬ (রবিবার) দাখিলকৃত ওই অভিযোগপত্রে বলা হয়, তিনি ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে চট্টগ্রামে যোগদানের পর থেকে বিভিন্ন সরকারি ক্রয় কার্যক্রমে নীতিমালা উপেক্ষা করে বিপুল অর্থ আত্মসাৎ করেছেন বলে দাবি করা হয়েছে।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ২০২৪-২৫ ও ২০২৫-২৬ অর্থবছরে আসবাবপত্র, কম্পিউটার, প্রশিক্ষণ সামগ্রী ও অন্যান্য সরঞ্জাম ক্রয়ের ক্ষেত্রে বাজারমূল্যের তুলনায় অনেক বেশি দামে কেনাকাটা দেখানো হয় এবং নির্ধারিত কোটেশন ও পিপিআর নিয়ম ভঙ্গ করা হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, বাজারে যেখানে কম্পিউটার টেবিলের দাম প্রায় ২,৫০০ থেকে ২,৮০০ টাকা এবং চেয়ারের দাম ৪,০০০ থেকে ৪,৫০০ টাকা, সেখানে যথাক্রমে ৬,৫০০ টাকা ও ৮,৫০০ টাকা দরে ক্রয় দেখিয়ে প্রতি সেটে প্রায় ২,০০০ থেকে ২,৫০০ টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে। একইভাবে কম্পিউটার কেনাকাটায় কোটেশনে উল্লেখিত উচ্চমানের কনফিগারেশনের পরিবর্তে নিম্নমানের পণ্য সরবরাহ নেওয়ার অভিযোগও আনা হয়।
অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়, মালামাল ক্রয়ের ক্ষেত্রে নির্ধারিত কোটেশন দাখিলকারী প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে সরাসরি সরবরাহ না নিয়ে কিছু ক্ষেত্রে তার ঘনিষ্ঠ বা নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। এমনকি রাজবাড়ীসহ কিছু এলাকার পরিচিত প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে কোটেশন দেখিয়ে বাস্তবে অন্য উৎস থেকে মালামাল সংগ্রহ করা হয়েছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
এছাড়া ২০২৫ সালের ১১ নভেম্বরের একটি স্মারক অনুযায়ী ১৬ তলা একটি আবাসিক ভবনের অগ্নি প্রতিরোধ ও নির্বাপন সংক্রান্ত ছাড়পত্র পরিদর্শন কমিটি গঠনের সময় নিয়ম ভেঙে সদস্য সচিবকে বাদ দিয়ে নিজের পছন্দমতো ব্যক্তিকে অন্তর্ভুক্ত করে কার্যক্রম সম্পন্ন করার অভিযোগ আনা হয়েছে। এতে প্রশাসনিক নিয়ম অমান্য করে অবৈধ সুবিধা গ্রহণ করা হয়েছে বলে অভিযোগপত্রে দাবি করা হয়।
অভিযোগে আরও বলা হয়, ২০২৫ সালের জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত অফিসের জন্য বরাদ্দকৃত উন্নতমানের মসুর ডাল সরবরাহের ক্ষেত্রে অনুমোদিত নমুনা অনুযায়ী পণ্য সরবরাহ না হলেও তা গ্রহণে চাপ প্রয়োগ করা হয়। গ্রহণ কমিটির সদস্য সচিব নিম্নমানের ডাল গ্রহণে অস্বীকৃতি জানালেও তাকে চাপ দিয়ে স্বাক্ষর করানোর চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
অন্যদিকে, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে তার মেয়ের বিয়েতে চট্টগ্রামের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহের অভিযোগ আনা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, এসএসও আগ্রাবাদ থেকে ১০ হাজার টাকা, চারজন ডিএডি থেকে ৪০ হাজার টাকা, একজন ফোরম্যান থেকে ২০ হাজার টাকা এবং অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাছ থেকে প্রায় ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা সংগ্রহ করা হয়। এছাড়া প্রায় ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা মূল্যের ২ ভরি সোনার গহনা উপহার হিসেবে প্রদান করা হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে।
সরকারি গাড়ি ব্যবহারের ক্ষেত্রেও অনিয়মের অভিযোগ আনা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, মার্চ ২০২৫ থেকে মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত মোট ৮৭৮ কিলোমিটার সরকারি গাড়ি ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করা হয় এবং প্রায় ১৯৫ লিটার অকটেন জ্বালানি, যার আনুমানিক মূল্য ২৫ হাজার ৩৫৪ টাকা, অপচয় করা হয়। এছাড়া ২০২৫ সালের ২ থেকে ৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রায় ৩৬ ঘণ্টা সরকারি গাড়ি অননুমোদিতভাবে ব্যবহার করার অভিযোগও রয়েছে।
অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়, ২০২১ সালে ওয়ারহাউস ইন্সপেক্টর মাহবুবের সহযোগিতায় প্রায় ১৩ লাখ ৬০ হাজার টাকায় একটি মাইক্রোবাস ক্রয়, পাশাপাশি সাভার ও ডেমরা এলাকায় জমি ক্রয় করে বসতবাড়ি নির্মাণ করা হয়েছে, যার অর্থের উৎস সম্পর্কে প্রশ্ন তোলা হয়েছে।
অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়, চট্টগ্রাম ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরে উপ-পরিচালক পদ দীর্ঘদিন শূন্য থাকার বিষয়টি অভিযোগপত্রে বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। মার্চ ২০২৫ থেকে ওই গুরুত্বপূর্ণ পদটি শূন্য থাকায় প্রশাসনিক কার্যক্রমে একটি শূন্যতা তৈরি হয়, যা পরবর্তীতে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত গ্রহণে অস্পষ্টতা ও একক নিয়ন্ত্রণের সুযোগ তৈরি করে।
অভিযোগ অনুযায়ী, এই পদ শূন্য থাকায় সহকারী পরিচালক জনাব আনোয়ার হোসেনকে অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে দপ্তরের আয়ন-ব্যয়নসহ বিভিন্ন প্রশাসনিক ক্ষমতা প্রদান করা হয়। তবে অভিযোগকারীর দাবি, তিনি নিজেকে “ভারপ্রাপ্ত উপ-পরিচালক” হিসেবে উপস্থাপন করে অফিসের গুরুত্বপূর্ণ দাপ্তরিক চেয়ারে বসা, সিল ও নামফলক ব্যবহারের মতো প্রশাসনিক সুবিধা গ্রহণ করেন, যদিও এ বিষয়ে আলাদা কোনো আনুষ্ঠানিক আদেশ ছিল না বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
এছাড়া অধীনস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ, শারীরিক নির্যাতন, গালিগালাজ এবং ক্ষমতার অপব্যবহার করে হয়রানিমূলক প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগও আনা হয়েছে। অভিযোগকারী দাবি করেছেন, এসব কর্মকাণ্ড সরকারি কর্মচারী আচরণ বিধিমালা এবং সরকারি ক্রয় নীতিমালার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
অভিযোগকারী মোহাম্মদ ইমরান হোসেন অভিযোগপত্রে অভিযুক্ত কর্মকর্তাকে চট্টগ্রাম থেকে অন্যত্র বদলি এবং উল্লিখিত অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানিয়েছেন।
তবে এসব বিষয় জানতে চাইলে অভিযুক্ত কর্মকর্তা মোঃ আনোয়ার হোসেন বলেন, এগুলোর কোনো ভিত্তি নেই আপনার মাঠ পর্যায়ে এসে দেখেন, কোথাকার কোন ইমরান অভিযোগ করেছে আমি তাকে চিনিনা, আমার কাজকে বাধাগ্রস্ত করতে এসব করছে হয়তো।
চট্টগ্রাম ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক জনাব আনোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম, দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার ও শিষ্টাচারবহির্ভূত আচরণের অভিযোগ এনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব বরাবর লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে। ২৬ এপ্রিল ২০২৬ (রবিবার) দাখিলকৃত ওই অভিযোগপত্রে বলা হয়, তিনি ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে চট্টগ্রামে যোগদানের পর থেকে বিভিন্ন সরকারি ক্রয় কার্যক্রমে নীতিমালা উপেক্ষা করে বিপুল অর্থ আত্মসাৎ করেছেন বলে দাবি করা হয়েছে।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ২০২৪-২৫ ও ২০২৫-২৬ অর্থবছরে আসবাবপত্র, কম্পিউটার, প্রশিক্ষণ সামগ্রী ও অন্যান্য সরঞ্জাম ক্রয়ের ক্ষেত্রে বাজারমূল্যের তুলনায় অনেক বেশি দামে কেনাকাটা দেখানো হয় এবং নির্ধারিত কোটেশন ও পিপিআর নিয়ম ভঙ্গ করা হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, বাজারে যেখানে কম্পিউটার টেবিলের দাম প্রায় ২,৫০০ থেকে ২,৮০০ টাকা এবং চেয়ারের দাম ৪,০০০ থেকে ৪,৫০০ টাকা, সেখানে যথাক্রমে ৬,৫০০ টাকা ও ৮,৫০০ টাকা দরে ক্রয় দেখিয়ে প্রতি সেটে প্রায় ২,০০০ থেকে ২,৫০০ টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে। একইভাবে কম্পিউটার কেনাকাটায় কোটেশনে উল্লেখিত উচ্চমানের কনফিগারেশনের পরিবর্তে নিম্নমানের পণ্য সরবরাহ নেওয়ার অভিযোগও আনা হয়।
অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়, মালামাল ক্রয়ের ক্ষেত্রে নির্ধারিত কোটেশন দাখিলকারী প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে সরাসরি সরবরাহ না নিয়ে কিছু ক্ষেত্রে তার ঘনিষ্ঠ বা নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। এমনকি রাজবাড়ীসহ কিছু এলাকার পরিচিত প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে কোটেশন দেখিয়ে বাস্তবে অন্য উৎস থেকে মালামাল সংগ্রহ করা হয়েছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
এছাড়া ২০২৫ সালের ১১ নভেম্বরের একটি স্মারক অনুযায়ী ১৬ তলা একটি আবাসিক ভবনের অগ্নি প্রতিরোধ ও নির্বাপন সংক্রান্ত ছাড়পত্র পরিদর্শন কমিটি গঠনের সময় নিয়ম ভেঙে সদস্য সচিবকে বাদ দিয়ে নিজের পছন্দমতো ব্যক্তিকে অন্তর্ভুক্ত করে কার্যক্রম সম্পন্ন করার অভিযোগ আনা হয়েছে। এতে প্রশাসনিক নিয়ম অমান্য করে অবৈধ সুবিধা গ্রহণ করা হয়েছে বলে অভিযোগপত্রে দাবি করা হয়।
অভিযোগে আরও বলা হয়, ২০২৫ সালের জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত অফিসের জন্য বরাদ্দকৃত উন্নতমানের মসুর ডাল সরবরাহের ক্ষেত্রে অনুমোদিত নমুনা অনুযায়ী পণ্য সরবরাহ না হলেও তা গ্রহণে চাপ প্রয়োগ করা হয়। গ্রহণ কমিটির সদস্য সচিব নিম্নমানের ডাল গ্রহণে অস্বীকৃতি জানালেও তাকে চাপ দিয়ে স্বাক্ষর করানোর চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
অন্যদিকে, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে তার মেয়ের বিয়েতে চট্টগ্রামের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহের অভিযোগ আনা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, এসএসও আগ্রাবাদ থেকে ১০ হাজার টাকা, চারজন ডিএডি থেকে ৪০ হাজার টাকা, একজন ফোরম্যান থেকে ২০ হাজার টাকা এবং অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাছ থেকে প্রায় ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা সংগ্রহ করা হয়। এছাড়া প্রায় ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা মূল্যের ২ ভরি সোনার গহনা উপহার হিসেবে প্রদান করা হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে।
সরকারি গাড়ি ব্যবহারের ক্ষেত্রেও অনিয়মের অভিযোগ আনা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, মার্চ ২০২৫ থেকে মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত মোট ৮৭৮ কিলোমিটার সরকারি গাড়ি ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করা হয় এবং প্রায় ১৯৫ লিটার অকটেন জ্বালানি, যার আনুমানিক মূল্য ২৫ হাজার ৩৫৪ টাকা, অপচয় করা হয়। এছাড়া ২০২৫ সালের ২ থেকে ৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রায় ৩৬ ঘণ্টা সরকারি গাড়ি অননুমোদিতভাবে ব্যবহার করার অভিযোগও রয়েছে।
অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়, ২০২১ সালে ওয়ারহাউস ইন্সপেক্টর মাহবুবের সহযোগিতায় প্রায় ১৩ লাখ ৬০ হাজার টাকায় একটি মাইক্রোবাস ক্রয়, পাশাপাশি সাভার ও ডেমরা এলাকায় জমি ক্রয় করে বসতবাড়ি নির্মাণ করা হয়েছে, যার অর্থের উৎস সম্পর্কে প্রশ্ন তোলা হয়েছে।
অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়, চট্টগ্রাম ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরে উপ-পরিচালক পদ দীর্ঘদিন শূন্য থাকার বিষয়টি অভিযোগপত্রে বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। মার্চ ২০২৫ থেকে ওই গুরুত্বপূর্ণ পদটি শূন্য থাকায় প্রশাসনিক কার্যক্রমে একটি শূন্যতা তৈরি হয়, যা পরবর্তীতে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত গ্রহণে অস্পষ্টতা ও একক নিয়ন্ত্রণের সুযোগ তৈরি করে।
অভিযোগ অনুযায়ী, এই পদ শূন্য থাকায় সহকারী পরিচালক জনাব আনোয়ার হোসেনকে অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে দপ্তরের আয়ন-ব্যয়নসহ বিভিন্ন প্রশাসনিক ক্ষমতা প্রদান করা হয়। তবে অভিযোগকারীর দাবি, তিনি নিজেকে “ভারপ্রাপ্ত উপ-পরিচালক” হিসেবে উপস্থাপন করে অফিসের গুরুত্বপূর্ণ দাপ্তরিক চেয়ারে বসা, সিল ও নামফলক ব্যবহারের মতো প্রশাসনিক সুবিধা গ্রহণ করেন, যদিও এ বিষয়ে আলাদা কোনো আনুষ্ঠানিক আদেশ ছিল না বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
এছাড়া অধীনস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ, শারীরিক নির্যাতন, গালিগালাজ এবং ক্ষমতার অপব্যবহার করে হয়রানিমূলক প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগও আনা হয়েছে। অভিযোগকারী দাবি করেছেন, এসব কর্মকাণ্ড সরকারি কর্মচারী আচরণ বিধিমালা এবং সরকারি ক্রয় নীতিমালার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
অভিযোগকারী মোহাম্মদ ইমরান হোসেন অভিযোগপত্রে অভিযুক্ত কর্মকর্তাকে চট্টগ্রাম থেকে অন্যত্র বদলি এবং উল্লিখিত অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানিয়েছেন।
তবে এসব বিষয় জানতে চাইলে অভিযুক্ত কর্মকর্তা মোঃ আনোয়ার হোসেন বলেন, এগুলোর কোনো ভিত্তি নেই আপনার মাঠ পর্যায়ে এসে দেখেন, কোথাকার কোন ইমরান অভিযোগ করেছে আমি তাকে চিনিনা, আমার কাজকে বাধাগ্রস্ত করতে এসব করছে হয়তো।