নিজস্ব প্রতিবেদক
জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল বলেছেন, হাজং সম্প্রদায়ের ভাষা সংরক্ষণে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
প্রাথমিকভাবে কলমাকান্দা উপজেলার রংছাতি, লেংগুরা ও খারনৈ ইউনিয়নের হাজং অধ্যুষিত এলাকার তিনটি বড় মন্দিরে শিক্ষক বা শিক্ষিকা নিয়োগ দেওয়া হবে, যাতে ছোট শিশুদের হাজং ভাষা শেখানো যায়।
শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) সন্ধ্যার দিকে নেত্রকোনা-১ (কলমাকান্দা-দুর্গাপুর) আসনের সংসদ সদস্য ও ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল উপজেলার লেংগুরা ইউনিয়নের উত্তর লেংগুরা বেলতলী হাজংপাড়া দুর্গামন্দির প্রাঙ্গণে হাজং সম্প্রদায়ের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
ডেপুটি স্পিকার বলেন, ‘অনেক ভাষা সময়ের সঙ্গে হারিয়ে যাচ্ছে। আমরা যদি এখনই উদ্যোগ না নিই, হাজং ভাষাও বিলুপ্তির ঝুঁকিতে পড়বে। আমি চাই না এই ভাষা হারিয়ে যাক। তাই নতুন প্রজন্মের মাঝে এই ভাষা ছড়িয়ে দিতে আমরা কাজ শুরু করছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘গনেশ্বরী নদীর বেলতলী কালীমন্দির থেকে লেংগুরা বাজার পর্যন্ত ভাঙনপ্রবণ এলাকা পরিদর্শন করা হয়েছে। নদীভাঙন রোধে পুরো এলাকায় সিসি ব্লক বসানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলো মেরামতের কাজও শুরু করা হবে।
কাজের বাস্তবায়ন প্রসঙ্গে তিনি জানান, প্রকৌশলীদের তত্ত্বাবধানে হাজং সম্প্রদায়ের মানুষদের দিয়েই এই কাজ করানো হবে। এতে কাজের প্রতি স্থানীয়দের দায়বদ্ধতা ও আন্তরিকতা বাড়বে। এখানে কোনো রাজনৈতিক নেতা-কর্মী বা ঠিকাদার সম্পৃক্ত থাকবে না বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
সম্প্রীতির বিষয়ে কায়সার কামাল বলেন, ‘নির্বাচনের আগে আমরা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম—গারো, হাজং, হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ বা খ্রিস্টান—কোনো ভেদাভেদ করা হবে না। সবার আগে মানুষ—এই পরিচয়েই আমরা কাজ করছি। আপনারা মানুষ হিসেবে আমাকে ভোট দিয়েছেন, আমিও মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছি।’
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি স্পিকারের একান্ত সচিব সাইফুল ইসলাম, কলমাকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম মিকাইল ইসলাম, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহমুদুল হাসান, নেত্রকোনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সাখাওয়াত হোসেন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মমিনুল ইসলাম, লেংগুরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান ভূইয়া, রংছাতি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনিছুর রহমান খান পাঠান বাবুলসহ স্থানীয় গণ্যমান্য হাজং সম্প্রদায়ের সদস্যরা।
জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল বলেছেন, হাজং সম্প্রদায়ের ভাষা সংরক্ষণে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
প্রাথমিকভাবে কলমাকান্দা উপজেলার রংছাতি, লেংগুরা ও খারনৈ ইউনিয়নের হাজং অধ্যুষিত এলাকার তিনটি বড় মন্দিরে শিক্ষক বা শিক্ষিকা নিয়োগ দেওয়া হবে, যাতে ছোট শিশুদের হাজং ভাষা শেখানো যায়।
শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) সন্ধ্যার দিকে নেত্রকোনা-১ (কলমাকান্দা-দুর্গাপুর) আসনের সংসদ সদস্য ও ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল উপজেলার লেংগুরা ইউনিয়নের উত্তর লেংগুরা বেলতলী হাজংপাড়া দুর্গামন্দির প্রাঙ্গণে হাজং সম্প্রদায়ের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
ডেপুটি স্পিকার বলেন, ‘অনেক ভাষা সময়ের সঙ্গে হারিয়ে যাচ্ছে। আমরা যদি এখনই উদ্যোগ না নিই, হাজং ভাষাও বিলুপ্তির ঝুঁকিতে পড়বে। আমি চাই না এই ভাষা হারিয়ে যাক। তাই নতুন প্রজন্মের মাঝে এই ভাষা ছড়িয়ে দিতে আমরা কাজ শুরু করছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘গনেশ্বরী নদীর বেলতলী কালীমন্দির থেকে লেংগুরা বাজার পর্যন্ত ভাঙনপ্রবণ এলাকা পরিদর্শন করা হয়েছে। নদীভাঙন রোধে পুরো এলাকায় সিসি ব্লক বসানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলো মেরামতের কাজও শুরু করা হবে।
কাজের বাস্তবায়ন প্রসঙ্গে তিনি জানান, প্রকৌশলীদের তত্ত্বাবধানে হাজং সম্প্রদায়ের মানুষদের দিয়েই এই কাজ করানো হবে। এতে কাজের প্রতি স্থানীয়দের দায়বদ্ধতা ও আন্তরিকতা বাড়বে। এখানে কোনো রাজনৈতিক নেতা-কর্মী বা ঠিকাদার সম্পৃক্ত থাকবে না বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
সম্প্রীতির বিষয়ে কায়সার কামাল বলেন, ‘নির্বাচনের আগে আমরা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম—গারো, হাজং, হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ বা খ্রিস্টান—কোনো ভেদাভেদ করা হবে না। সবার আগে মানুষ—এই পরিচয়েই আমরা কাজ করছি। আপনারা মানুষ হিসেবে আমাকে ভোট দিয়েছেন, আমিও মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছি।’
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি স্পিকারের একান্ত সচিব সাইফুল ইসলাম, কলমাকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম মিকাইল ইসলাম, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহমুদুল হাসান, নেত্রকোনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সাখাওয়াত হোসেন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মমিনুল ইসলাম, লেংগুরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান ভূইয়া, রংছাতি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনিছুর রহমান খান পাঠান বাবুলসহ স্থানীয় গণ্যমান্য হাজং সম্প্রদায়ের সদস্যরা।