নিজস্ব প্রতিবেদক
সিরাজগঞ্জ রায়গঞ্জের চান্দাইকোনা ইউনিয়নের সড়াইদহ গ্রামের কামারবাড়ি এলাকায় করতোয়া নদীর একটি স্থায়ী সেতু না থাকায় ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকোই আশপাশের আট গ্রামের হাজারো মানুষের চলাচলের একমাত্র ভরসা হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এই সাঁকো পার হয়ে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, কৃষক, ব্যবসায়ী ও অসুস্থ রোগীদের চলাচল করতে হচ্ছে।
স্থানীয়রা জানান, উপজেলার চান্দাইকোনা ইউনিয়নের ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কের নিকটবর্তী কামারবাড়ি এলাকায় করতোয়া নদীর ওপর একটি সেতু নির্মাণ না হওয়ায় নদীর দুই পাড়ের যোগাযোগ ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে কৃষকেরা তাদের উৎপাদিত ধান, সবজি ও অন্যান্য কৃষিপণ্য বাজারে নিতে গিয়ে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। সাঁকোর সংকীর্ণতা ও ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থার কারণে অনেক সময় মালামাল বহন করা সম্ভব হয় না। ফলে তারা ন্যায্য দাম থেকেও বঞ্চিত হচ্ছেন। নদীর অপর প্রান্তের খোকশা হাট, লক্ষিকোলা, পাইকোড়া, ডুমড়াই, লক্ষ্মীপুর, প্রসাদপাড়া, ভূয়াঁগাঁতী ও সড়াইদহ এলাকার কৃষি ও স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্যে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, করতোয়া নদীর এপার-ওপার এলাকায় একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থাকায় শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে ভাঙা, নড়বড়ে বাঁশের সাঁকো পার হয়ে বিদ্যালয়ে যেতে হয়। বর্ষা মৌসুমে পানির স্রোত বেড়ে গেলে এবং সাঁকো পিচ্ছিল হয়ে উঠলে দুর্ঘটনার আশঙ্কা আরো বেড়ে যায়। একইভাবে অসুস্থ রোগী ও বয়স্কদের উপজেলা সদরে চিকিৎসার জন্য নেওয়াও অত্যন্ত কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে।
স্থানীয় বাসিন্দা রুবিয়া খাতুন ও আল-আমিন বলেন, কামারবাড়ির করতোয়া নদীর ওপর একটি ব্রিজ না থাকায় প্রতিদিনই ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হয়। বর্ষাকালে এই দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায়। প্রবীণ বাসিন্দা আবুল হাসেম শেখ বলেন, অনেক বছর ধরে আমরা এই কষ্ট সহ্য করছি। একটি ব্রিজ হলে আমাদের জীবন অনেক সহজ হয়ে যাবে।
রায়গঞ্জ উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী মো. রবিউল ইসলাম জানান, বিষয়টি তাদের নজরে এসেছে। এলাকাবাসীর দুর্ভোগ বিবেচনায় নিয়ে সেখানে সেতু নির্মাণের প্রয়োজনীয়তা যাচাই করা হচ্ছে। প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রস্তাব পাঠানো হবে বলেও তিনি জানান।
এলাকাবাসীর দাবি, সড়াইদহ-কামারবাড়ি এলাকায় করতোয়া নদীর ওপর একটি সেতু নির্মাণ করা হলে আটটি গ্রামের হাজারো মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থা স্বাভাবিক হবে। পাশাপাশি কৃষিপণ্য পরিবহন, শিক্ষার্থীদের যাতায়াত এবং সামগ্রিক জীবনযাত্রার মান উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত হবে।
সিরাজগঞ্জ রায়গঞ্জের চান্দাইকোনা ইউনিয়নের সড়াইদহ গ্রামের কামারবাড়ি এলাকায় করতোয়া নদীর একটি স্থায়ী সেতু না থাকায় ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকোই আশপাশের আট গ্রামের হাজারো মানুষের চলাচলের একমাত্র ভরসা হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এই সাঁকো পার হয়ে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, কৃষক, ব্যবসায়ী ও অসুস্থ রোগীদের চলাচল করতে হচ্ছে।
স্থানীয়রা জানান, উপজেলার চান্দাইকোনা ইউনিয়নের ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কের নিকটবর্তী কামারবাড়ি এলাকায় করতোয়া নদীর ওপর একটি সেতু নির্মাণ না হওয়ায় নদীর দুই পাড়ের যোগাযোগ ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে কৃষকেরা তাদের উৎপাদিত ধান, সবজি ও অন্যান্য কৃষিপণ্য বাজারে নিতে গিয়ে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। সাঁকোর সংকীর্ণতা ও ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থার কারণে অনেক সময় মালামাল বহন করা সম্ভব হয় না। ফলে তারা ন্যায্য দাম থেকেও বঞ্চিত হচ্ছেন। নদীর অপর প্রান্তের খোকশা হাট, লক্ষিকোলা, পাইকোড়া, ডুমড়াই, লক্ষ্মীপুর, প্রসাদপাড়া, ভূয়াঁগাঁতী ও সড়াইদহ এলাকার কৃষি ও স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্যে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, করতোয়া নদীর এপার-ওপার এলাকায় একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থাকায় শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে ভাঙা, নড়বড়ে বাঁশের সাঁকো পার হয়ে বিদ্যালয়ে যেতে হয়। বর্ষা মৌসুমে পানির স্রোত বেড়ে গেলে এবং সাঁকো পিচ্ছিল হয়ে উঠলে দুর্ঘটনার আশঙ্কা আরো বেড়ে যায়। একইভাবে অসুস্থ রোগী ও বয়স্কদের উপজেলা সদরে চিকিৎসার জন্য নেওয়াও অত্যন্ত কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে।
স্থানীয় বাসিন্দা রুবিয়া খাতুন ও আল-আমিন বলেন, কামারবাড়ির করতোয়া নদীর ওপর একটি ব্রিজ না থাকায় প্রতিদিনই ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হয়। বর্ষাকালে এই দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায়। প্রবীণ বাসিন্দা আবুল হাসেম শেখ বলেন, অনেক বছর ধরে আমরা এই কষ্ট সহ্য করছি। একটি ব্রিজ হলে আমাদের জীবন অনেক সহজ হয়ে যাবে।
রায়গঞ্জ উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী মো. রবিউল ইসলাম জানান, বিষয়টি তাদের নজরে এসেছে। এলাকাবাসীর দুর্ভোগ বিবেচনায় নিয়ে সেখানে সেতু নির্মাণের প্রয়োজনীয়তা যাচাই করা হচ্ছে। প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রস্তাব পাঠানো হবে বলেও তিনি জানান।
এলাকাবাসীর দাবি, সড়াইদহ-কামারবাড়ি এলাকায় করতোয়া নদীর ওপর একটি সেতু নির্মাণ করা হলে আটটি গ্রামের হাজারো মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থা স্বাভাবিক হবে। পাশাপাশি কৃষিপণ্য পরিবহন, শিক্ষার্থীদের যাতায়াত এবং সামগ্রিক জীবনযাত্রার মান উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত হবে।