নিজস্ব প্রতিবেদক
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি আলোচনার লক্ষ্যে পাকিস্তান সফর করতে পারেন বলে খবর পাওয়া গেলেও এখন পর্যন্ত দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এর আনুষ্ঠানিক কোনো নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি। তবে আজ শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে ইসলামাবাদ, মাস্কাট এবং মস্কো সফরের অংশ হিসেবে তার এই সফর হতে পারে বলে রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে।
এই সফরের প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ সম্প্রতি এক বক্তৃতায় জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে ‘লকড অ্যান্ড লোডেড’ (হামলার জন্য প্রস্তুত) অবস্থায় রয়েছে। অন্যদিকে, ইরানও পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে তাদের ‘আঙুল এখন ট্রিগারে’।
উভয় দেশই বর্তমানে একে অপরের জাহাজ জব্দ করার নীতি গ্রহণ করেছে, যাকে বিশ্লেষকরা ‘অবরোধের বিপরীতে অবরোধ’ কৌশল হিসেবে দেখছেন।
মার্কিন বাহিনী ইরান সংশ্লিষ্ট জাহাজ জব্দ বা চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টির দাবি করার পাশাপাশি ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) জানিয়েছে, গতকাল হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাওয়ার সময় তারা অন্তত দুটি জাহাজ জব্দ করেছে।
যুদ্ধের ময়দানে সাফল্যের দাবি নিয়েও দুই দেশের মধ্যে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য পাওয়া গেছে। একদিকে ইরান বর্তমান যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিকে নিজেদের বিজয় হিসেবে ব্যাখ্যা করছে, অন্যদিকে মার্কিন পক্ষ থেকেও দাবি করা হয়েছে বিজয় তাদের দিকেই। কূটনৈতিক উপায়ে সমস্যার সমাধান হবে নাকি সংঘাতের নতুন ধাপ শুরু হবে সেটিই এখন দেখার বিষয়।
আরাগচির সম্ভাব্য সফরের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার অপেক্ষায় রয়েছে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষ।
এই সফরের প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ সম্প্রতি এক বক্তৃতায় জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে ‘লকড অ্যান্ড লোডেড’ (হামলার জন্য প্রস্তুত) অবস্থায় রয়েছে। অন্যদিকে, ইরানও পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে তাদের ‘আঙুল এখন ট্রিগারে’।
উভয় দেশই বর্তমানে একে অপরের জাহাজ জব্দ করার নীতি গ্রহণ করেছে, যাকে বিশ্লেষকরা ‘অবরোধের বিপরীতে অবরোধ’ কৌশল হিসেবে দেখছেন।
মার্কিন বাহিনী ইরান সংশ্লিষ্ট জাহাজ জব্দ বা চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টির দাবি করার পাশাপাশি ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) জানিয়েছে, গতকাল হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাওয়ার সময় তারা অন্তত দুটি জাহাজ জব্দ করেছে।
যুদ্ধের ময়দানে সাফল্যের দাবি নিয়েও দুই দেশের মধ্যে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য পাওয়া গেছে। একদিকে ইরান বর্তমান যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিকে নিজেদের বিজয় হিসেবে ব্যাখ্যা করছে, অন্যদিকে মার্কিন পক্ষ থেকেও দাবি করা হয়েছে বিজয় তাদের দিকেই। কূটনৈতিক উপায়ে সমস্যার সমাধান হবে নাকি সংঘাতের নতুন ধাপ শুরু হবে সেটিই এখন দেখার বিষয়।
আরাগচির সম্ভাব্য সফরের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার অপেক্ষায় রয়েছে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষ।